যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১৮

যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১৮
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রবিবার এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে নাবাতিয়েহ প্রদেশের সেইর আল-গারবিয়েহ শহরে। সেখানে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের তীব্র হামলায় ১১ জন নিহত ও নয়জন আহত হন। এছাড়া লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, টায়ার জেলার বাজুরিয়েহ শহরে বিমান হামলায় একজন এবং নাবাতিয়েহ জেলার আরবসালিম শহরে ড্রোন হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরবসালিম এর এই হামলার স্থান পরিদর্শনকালে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে ইসলামিক হেলথ অর্গানাইজেশনের একজন প্যারামেডিকও প্রাণ হারান।
হামলার ধারাবাহিকতায় টায়ারের তোরা শহরে একটি আবাসিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক নারী নিহত এবং দুজন আহত হন। নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের আব্বা ও জেবচিটেও নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি দৌয়াইরে অপর একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৫০ বছর বয়সী এক কৃষক নিহত হন।
এ রক্তক্ষয়ী হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিত অভিযানের আশঙ্কায় দক্ষিণ লেবাননের ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে কাফারসির, সেইর আল-গারবিয়েহ, যারিয়ারিয়েহ, আনসার, মাজরাত কাওসারিয়াত আল রিজ এবং খারায়েবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্তত ১,০০০ মিটার দূরে খোলা জায়গায় চলে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতিটি জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা ছিল, তা উপেক্ষা করেই এ নতুন হামলাগুলো চালানো হলো। লেবাননের সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাত ও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ৯,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রবিবার এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে নাবাতিয়েহ প্রদেশের সেইর আল-গারবিয়েহ শহরে। সেখানে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের তীব্র হামলায় ১১ জন নিহত ও নয়জন আহত হন। এছাড়া লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, টায়ার জেলার বাজুরিয়েহ শহরে বিমান হামলায় একজন এবং নাবাতিয়েহ জেলার আরবসালিম শহরে ড্রোন হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরবসালিম এর এই হামলার স্থান পরিদর্শনকালে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে ইসলামিক হেলথ অর্গানাইজেশনের একজন প্যারামেডিকও প্রাণ হারান।
হামলার ধারাবাহিকতায় টায়ারের তোরা শহরে একটি আবাসিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক নারী নিহত এবং দুজন আহত হন। নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের আব্বা ও জেবচিটেও নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি দৌয়াইরে অপর একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৫০ বছর বয়সী এক কৃষক নিহত হন।
এ রক্তক্ষয়ী হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিত অভিযানের আশঙ্কায় দক্ষিণ লেবাননের ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে কাফারসির, সেইর আল-গারবিয়েহ, যারিয়ারিয়েহ, আনসার, মাজরাত কাওসারিয়াত আল রিজ এবং খারায়েবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্তত ১,০০০ মিটার দূরে খোলা জায়গায় চলে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতিটি জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা ছিল, তা উপেক্ষা করেই এ নতুন হামলাগুলো চালানো হলো। লেবাননের সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাত ও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ৯,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১৮
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রবিবার এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে নাবাতিয়েহ প্রদেশের সেইর আল-গারবিয়েহ শহরে। সেখানে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের তীব্র হামলায় ১১ জন নিহত ও নয়জন আহত হন। এছাড়া লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, টায়ার জেলার বাজুরিয়েহ শহরে বিমান হামলায় একজন এবং নাবাতিয়েহ জেলার আরবসালিম শহরে ড্রোন হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরবসালিম এর এই হামলার স্থান পরিদর্শনকালে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে ইসলামিক হেলথ অর্গানাইজেশনের একজন প্যারামেডিকও প্রাণ হারান।
হামলার ধারাবাহিকতায় টায়ারের তোরা শহরে একটি আবাসিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক নারী নিহত এবং দুজন আহত হন। নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের আব্বা ও জেবচিটেও নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি দৌয়াইরে অপর একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৫০ বছর বয়সী এক কৃষক নিহত হন।
এ রক্তক্ষয়ী হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিত অভিযানের আশঙ্কায় দক্ষিণ লেবাননের ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে কাফারসির, সেইর আল-গারবিয়েহ, যারিয়ারিয়েহ, আনসার, মাজরাত কাওসারিয়াত আল রিজ এবং খারায়েবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্তত ১,০০০ মিটার দূরে খোলা জায়গায় চলে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতিটি জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা ছিল, তা উপেক্ষা করেই এ নতুন হামলাগুলো চালানো হলো। লেবাননের সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাত ও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ৯,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১৬


