যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমেছে ইসরায়েলিদের

যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমেছে ইসরায়েলিদের
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরেই কয়েকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। তবে যত দিন যাচ্ছে ততই যুদ্ধের প্রতি ইসরায়েলিদের অনীহা বাড়ছে, বিশেষ করে ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের (আইডিআই) এক জরিপ অনুযায়ী, এ সময়ে আরবদের সমর্থন মাত্র ৬ পয়েন্ট কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের বামপন্থী পত্রিকা হারেৎজে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুরুর দিকে যেখানে ৭৪ শতাংশ ইহুদি এই যুদ্ধকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছিলেন, এখন সেখানে মাত্র ৫০ শতাংশ মানুষ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। এতে প্রশ্ন উঠছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমর্থন কমে যাওয়ার পেছনে কী কারণ কাজ করছে?
এর পেছনে কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ইরানের নজিরবিহীন পাল্টা হামলা। এর আগেও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ হয়েছে। তবে তখন ইরান এতো বৃহৎ পরিসরে পাল্টা হামলা চালায়নি।
পাসওভারের (ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব) আগের দিনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় বারবার আশ্রয়কেন্দ্রে (শেল্টার) ছুটতে হয়েছে ইসরায়েলিদের। মধ্য ইসরায়েলে অন্তত সাতবার এবং এর মধ্যে দুবার গভীর রাতে জীবন বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটেছে তারা। তারা এখন ভাবতে শুরু করেছে, এভাবে জীবন চলতে পারে না।
ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) এক জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুতে যারা মনে করতেন এই সংঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে পুরোপুরি উৎখাত করতে পারবে, তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে। প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে এ হার অর্ধেকে নেমে আসে। এ সংখ্যা ২২ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়ায় ১১ শতাংশে। এক মাস পরও এতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে এমন বিশ্বাসও নাটকীয়ভাবে কমেছে। শুরুতে যেখানে ৬৯ শতাংশ ইসরায়েলি এমনটা মনে করতেন, চতুর্থ সপ্তাহে তা কমে ৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব এমন বিশ্বাসী ইসরায়েলির সংখ্যা এখনও বেশি। তবে তা আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। এই সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে এই হার বর্তমানে ৫৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করেন, এখনই বা বড় কোনো সামরিক সাফল্যের পর দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় এখন এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিপরীতে, ইরানের বর্তমান শাসন পতন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৪ শতাংশ মানুষ।
সব মিলিয়ে, শুরুতে যেখানে যুদ্ধবিরতির পক্ষে সমর্থন ছিল কম, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই মনোভাব দ্রুত বদলেছে। এটি ইঙ্গিত দেয়, অধিকাংশ ইসরায়েলি স্বল্পমেয়াদি সংঘাতই প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাদের অবস্থানও পরিবর্তিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এর পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাকেও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটি। সর্বশেষ ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানেও হামলা চালায় ইসরায়েল। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: হারেৎজে

দীর্ঘদিন ধরেই কয়েকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। তবে যত দিন যাচ্ছে ততই যুদ্ধের প্রতি ইসরায়েলিদের অনীহা বাড়ছে, বিশেষ করে ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের (আইডিআই) এক জরিপ অনুযায়ী, এ সময়ে আরবদের সমর্থন মাত্র ৬ পয়েন্ট কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের বামপন্থী পত্রিকা হারেৎজে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুরুর দিকে যেখানে ৭৪ শতাংশ ইহুদি এই যুদ্ধকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছিলেন, এখন সেখানে মাত্র ৫০ শতাংশ মানুষ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। এতে প্রশ্ন উঠছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমর্থন কমে যাওয়ার পেছনে কী কারণ কাজ করছে?
এর পেছনে কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ইরানের নজিরবিহীন পাল্টা হামলা। এর আগেও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ হয়েছে। তবে তখন ইরান এতো বৃহৎ পরিসরে পাল্টা হামলা চালায়নি।
পাসওভারের (ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব) আগের দিনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় বারবার আশ্রয়কেন্দ্রে (শেল্টার) ছুটতে হয়েছে ইসরায়েলিদের। মধ্য ইসরায়েলে অন্তত সাতবার এবং এর মধ্যে দুবার গভীর রাতে জীবন বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটেছে তারা। তারা এখন ভাবতে শুরু করেছে, এভাবে জীবন চলতে পারে না।
ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) এক জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুতে যারা মনে করতেন এই সংঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে পুরোপুরি উৎখাত করতে পারবে, তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে। প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে এ হার অর্ধেকে নেমে আসে। এ সংখ্যা ২২ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়ায় ১১ শতাংশে। এক মাস পরও এতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে এমন বিশ্বাসও নাটকীয়ভাবে কমেছে। শুরুতে যেখানে ৬৯ শতাংশ ইসরায়েলি এমনটা মনে করতেন, চতুর্থ সপ্তাহে তা কমে ৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব এমন বিশ্বাসী ইসরায়েলির সংখ্যা এখনও বেশি। তবে তা আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। এই সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে এই হার বর্তমানে ৫৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করেন, এখনই বা বড় কোনো সামরিক সাফল্যের পর দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় এখন এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিপরীতে, ইরানের বর্তমান শাসন পতন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৪ শতাংশ মানুষ।
সব মিলিয়ে, শুরুতে যেখানে যুদ্ধবিরতির পক্ষে সমর্থন ছিল কম, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই মনোভাব দ্রুত বদলেছে। এটি ইঙ্গিত দেয়, অধিকাংশ ইসরায়েলি স্বল্পমেয়াদি সংঘাতই প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাদের অবস্থানও পরিবর্তিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এর পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাকেও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটি। সর্বশেষ ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানেও হামলা চালায় ইসরায়েল। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: হারেৎজে

যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমেছে ইসরায়েলিদের
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরেই কয়েকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। তবে যত দিন যাচ্ছে ততই যুদ্ধের প্রতি ইসরায়েলিদের অনীহা বাড়ছে, বিশেষ করে ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের (আইডিআই) এক জরিপ অনুযায়ী, এ সময়ে আরবদের সমর্থন মাত্র ৬ পয়েন্ট কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের বামপন্থী পত্রিকা হারেৎজে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুরুর দিকে যেখানে ৭৪ শতাংশ ইহুদি এই যুদ্ধকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছিলেন, এখন সেখানে মাত্র ৫০ শতাংশ মানুষ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। এতে প্রশ্ন উঠছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমর্থন কমে যাওয়ার পেছনে কী কারণ কাজ করছে?
এর পেছনে কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ইরানের নজিরবিহীন পাল্টা হামলা। এর আগেও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ হয়েছে। তবে তখন ইরান এতো বৃহৎ পরিসরে পাল্টা হামলা চালায়নি।
পাসওভারের (ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব) আগের দিনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় বারবার আশ্রয়কেন্দ্রে (শেল্টার) ছুটতে হয়েছে ইসরায়েলিদের। মধ্য ইসরায়েলে অন্তত সাতবার এবং এর মধ্যে দুবার গভীর রাতে জীবন বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটেছে তারা। তারা এখন ভাবতে শুরু করেছে, এভাবে জীবন চলতে পারে না।
ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) এক জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুতে যারা মনে করতেন এই সংঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে পুরোপুরি উৎখাত করতে পারবে, তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে। প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে এ হার অর্ধেকে নেমে আসে। এ সংখ্যা ২২ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়ায় ১১ শতাংশে। এক মাস পরও এতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে এমন বিশ্বাসও নাটকীয়ভাবে কমেছে। শুরুতে যেখানে ৬৯ শতাংশ ইসরায়েলি এমনটা মনে করতেন, চতুর্থ সপ্তাহে তা কমে ৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব এমন বিশ্বাসী ইসরায়েলির সংখ্যা এখনও বেশি। তবে তা আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। এই সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে এই হার বর্তমানে ৫৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করেন, এখনই বা বড় কোনো সামরিক সাফল্যের পর দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় এখন এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিপরীতে, ইরানের বর্তমান শাসন পতন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৪ শতাংশ মানুষ।
সব মিলিয়ে, শুরুতে যেখানে যুদ্ধবিরতির পক্ষে সমর্থন ছিল কম, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই মনোভাব দ্রুত বদলেছে। এটি ইঙ্গিত দেয়, অধিকাংশ ইসরায়েলি স্বল্পমেয়াদি সংঘাতই প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাদের অবস্থানও পরিবর্তিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এর পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাকেও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটি। সর্বশেষ ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানেও হামলা চালায় ইসরায়েল। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: হারেৎজে




