যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’

যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’
সিটিজেন ডেস্ক

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর রাতভর তেহরান শহরের রাস্তায় ব্যাপক আনন্দ-উল্লাস দেখা গেছে। যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। আজ আরও বেশি মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ প্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই নয় বরং এই যুদ্ধে ইরান যে প্রচণ্ড ক্ষতির শিকার হয়েছে, সে কারণেও।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ধ্বংস হওয়া স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসামরিক স্থাপনার সংখ্যা বিবেচনা করলে এই যুদ্ধের মূল আঘাতটি ইরানকেই বহন করতে হয়েছে।
তাই এই যুদ্ধের অবসান ইরানের জনগণের জন্য এক বিরাট স্বস্তির বিষয়। যদিও তা মাত্র দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি।
তেহরান প্রায় জনশূন্য। অর্ধেকেরও বেশি মানুষ শহরের বাইরে রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে হয়তো আরও বেশি মানুষ তাদের বাড়ির খোঁজ নিতে আসবে, রাস্তায় আরও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাবে।
সব মিলিয়ে জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তির অনুভূতি থাকলেও নেতৃত্বের বক্তব্যে এক ধরনের গর্বও প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের দাবি, পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই যুদ্ধ ইরানের শর্তেই শেষ হবে।
এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে বোমাবর্ষণ এবং হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে একটি দ্বিমুখী যুদ্ধবিরতি!
তবে তিনি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত করে দেয়, তবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইরানের কাছ থেকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেয়েছি। আমরা মনে করি এটি আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি।
সূত্র: আল জাজিরা

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর রাতভর তেহরান শহরের রাস্তায় ব্যাপক আনন্দ-উল্লাস দেখা গেছে। যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। আজ আরও বেশি মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ প্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই নয় বরং এই যুদ্ধে ইরান যে প্রচণ্ড ক্ষতির শিকার হয়েছে, সে কারণেও।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ধ্বংস হওয়া স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসামরিক স্থাপনার সংখ্যা বিবেচনা করলে এই যুদ্ধের মূল আঘাতটি ইরানকেই বহন করতে হয়েছে।
তাই এই যুদ্ধের অবসান ইরানের জনগণের জন্য এক বিরাট স্বস্তির বিষয়। যদিও তা মাত্র দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি।
তেহরান প্রায় জনশূন্য। অর্ধেকেরও বেশি মানুষ শহরের বাইরে রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে হয়তো আরও বেশি মানুষ তাদের বাড়ির খোঁজ নিতে আসবে, রাস্তায় আরও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাবে।
সব মিলিয়ে জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তির অনুভূতি থাকলেও নেতৃত্বের বক্তব্যে এক ধরনের গর্বও প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের দাবি, পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই যুদ্ধ ইরানের শর্তেই শেষ হবে।
এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে বোমাবর্ষণ এবং হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে একটি দ্বিমুখী যুদ্ধবিরতি!
তবে তিনি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত করে দেয়, তবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইরানের কাছ থেকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেয়েছি। আমরা মনে করি এটি আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’
সিটিজেন ডেস্ক

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শেষ হচ্ছে ‘ইরানের শর্তে’।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর রাতভর তেহরান শহরের রাস্তায় ব্যাপক আনন্দ-উল্লাস দেখা গেছে। যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। আজ আরও বেশি মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ প্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই নয় বরং এই যুদ্ধে ইরান যে প্রচণ্ড ক্ষতির শিকার হয়েছে, সে কারণেও।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ধ্বংস হওয়া স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসামরিক স্থাপনার সংখ্যা বিবেচনা করলে এই যুদ্ধের মূল আঘাতটি ইরানকেই বহন করতে হয়েছে।
তাই এই যুদ্ধের অবসান ইরানের জনগণের জন্য এক বিরাট স্বস্তির বিষয়। যদিও তা মাত্র দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি।
তেহরান প্রায় জনশূন্য। অর্ধেকেরও বেশি মানুষ শহরের বাইরে রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে হয়তো আরও বেশি মানুষ তাদের বাড়ির খোঁজ নিতে আসবে, রাস্তায় আরও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাবে।
সব মিলিয়ে জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তির অনুভূতি থাকলেও নেতৃত্বের বক্তব্যে এক ধরনের গর্বও প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের দাবি, পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই যুদ্ধ ইরানের শর্তেই শেষ হবে।
এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে বোমাবর্ষণ এবং হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে একটি দ্বিমুখী যুদ্ধবিরতি!
তবে তিনি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত করে দেয়, তবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইরানের কাছ থেকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেয়েছি। আমরা মনে করি এটি আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি।
সূত্র: আল জাজিরা




