ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা আমিরাতের

ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা আমিরাতের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ পরিচালক আফরা আল হামেলি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সকল বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি সম্পর্কে বাসিন্দাদের সতর্ক করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমিরাতের এ বিবৃতি আসে। ওই বার্তায় বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিকটবর্তী সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়। পরে ওই সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়।
ইরানের সঙ্গে আমিরাতের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত তেহরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জেনারেল ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চেয়েও আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি জানান, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের ভূমিকা ইরানকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল।
ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও আমিরাতের পথে হাটবে কি না এমন প্রশ্নে কিমিট বলেন, ‘তারা এখন আমিরাত ও ইরানের মধ্যে কী ঘটে, সেটিই দেখবে এবং অপেক্ষা করবে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তেহরান। তাদের আক্রমণের প্রধান শিকার হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিকে লক্ষ্য করে প্রায় ৩,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি এডিএনওসির ট্যাঙ্কারগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত পারস্য উপসাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করে। যদিও তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ পরিচালক আফরা আল হামেলি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সকল বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি সম্পর্কে বাসিন্দাদের সতর্ক করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমিরাতের এ বিবৃতি আসে। ওই বার্তায় বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিকটবর্তী সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়। পরে ওই সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়।
ইরানের সঙ্গে আমিরাতের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত তেহরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জেনারেল ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চেয়েও আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি জানান, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের ভূমিকা ইরানকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল।
ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও আমিরাতের পথে হাটবে কি না এমন প্রশ্নে কিমিট বলেন, ‘তারা এখন আমিরাত ও ইরানের মধ্যে কী ঘটে, সেটিই দেখবে এবং অপেক্ষা করবে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তেহরান। তাদের আক্রমণের প্রধান শিকার হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিকে লক্ষ্য করে প্রায় ৩,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি এডিএনওসির ট্যাঙ্কারগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত পারস্য উপসাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করে। যদিও তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা আমিরাতের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ পরিচালক আফরা আল হামেলি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সকল বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি সম্পর্কে বাসিন্দাদের সতর্ক করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমিরাতের এ বিবৃতি আসে। ওই বার্তায় বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিকটবর্তী সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়। পরে ওই সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়।
ইরানের সঙ্গে আমিরাতের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত তেহরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জেনারেল ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চেয়েও আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি জানান, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের ভূমিকা ইরানকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল।
ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও আমিরাতের পথে হাটবে কি না এমন প্রশ্নে কিমিট বলেন, ‘তারা এখন আমিরাত ও ইরানের মধ্যে কী ঘটে, সেটিই দেখবে এবং অপেক্ষা করবে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তেহরান। তাদের আক্রমণের প্রধান শিকার হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিকে লক্ষ্য করে প্রায় ৩,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি এডিএনওসির ট্যাঙ্কারগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত পারস্য উপসাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করে। যদিও তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, দিশেহারা সাধারণ মানুষ






