দেশে ফেরার পরিবর্তে ইসরায়েল ছাড়ছেন রেকর্ড সংখ্যক নাগরিক

দেশে ফেরার পরিবর্তে ইসরায়েল ছাড়ছেন রেকর্ড সংখ্যক নাগরিক
সিজেডএন ডেস্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বিদেশ থেকে ফেরত আসার আগ্রহও হারাচ্ছেন প্রবাসী ইসরায়েলিরা। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা ও তথ্য কেন্দ্রের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল, বিশ্বে ইসরায়েলের প্রতি বৈরিতার ঢেউ এবং আপনত্বের অনুভূতি, যুদ্ধ সত্ত্বেও, দেশে ফিরে আসা ইসরায়েলিদের সংখ্যা বাড়াতে পারে। তবে বাস্তবচিত্র দাঁড়িয়েছে ঠিক এর বিপরীতে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় পরিচালিত সংঘাতের কারণে ইসরায়েল এখন বিশ্ববাসীর তীব্র ক্ষোভের মুখে। এ সংঘাতে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ধ্বংস হয়েছে গাজার ৯০ শতাংশ অবকাঠামো। এগুলোর পুনর্গঠনে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে হিসাব দিয়েছে জাতিসংঘ। সংঘাত ও আন্তর্জাতিক চাপের এমন আবহেও প্রবাসীদের ফেরার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেসেটের নথিতে দেখা গেছে ২০২২-২০২৪ সাল নাগাদ দেশে ফেরা বাসিন্দাদের সংখ্যায় ৫৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ও দেশটির গবেষকদের তথ্য বলছে, এ সময়ে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৯ হাজার ৩০০ জনের মতো ইসরায়েলি দেশে ফিরতেন। পরবর্তী সময়ে, ২০১৩ থেকে ২০২০ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় গড়ে ৭ হাজার ৪০০। এরপর ২০২০ সালে প্রায় ৮ হাজার থাকলেও ২০২৪ সালে এসে তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে মাত্র ৩ হাজার ৮০০ জনে। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তবে সবচেয়ে বড় পতনের রেকর্ডটি হয়েছে ২০২৩ সালে।
শুধু মনস্তাত্ত্বিক কারণ নয়, দেশের ভেতরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটও এতে মূল ভূমিকা রাখছে। পত্রিকাটির প্রতিবেদন আনুযায়ী, গবেষণাটিতে একাধিক আমলাতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যেগুলো ইসরায়েলিদের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন করে তোলে। বিশেষ করে সরকারি স্বাস্থ্যবীমা পাওয়ার দীর্ঘ প্রক্রিয়া, নতুন অভিবাসীদের তুলনায় সুবিধাদি কম পাওয়া, কর্মসংস্থানের সংকট এবং সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে ভর্তি করার বিড়ম্বনা অন্যতম।
প্রবাস থেকে ফেরা ইসরায়েলিদের সবচেয়ে বড় অংশটি আসত উত্তর আমেরিকা থেকে। ২০০৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফেরা বাসিন্দাদের প্রায় অর্ধেক ছিলেন উত্তর আমেরিকার। এছাড়া যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স থেকে ১৩ শতাংশ এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরেছিলেন ৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০২০ সালে যেখানে ৩ হাজার ৭০০ জন ফিরেছিলেন, ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫০০। তবে প্রতিবেদনের সূত্র ধরে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২২ সালে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরে আসা বাসিন্দাদের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। মোট প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে ইউক্রেন থেকে এসেছিল ৯% এবং রাশিয়া থেকে ৮%। সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও অভ্যন্তরীন অচলাবস্থায় ইসরায়েলে ফিরে আসতে চাইছেন না প্রবাসীরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বিদেশ থেকে ফেরত আসার আগ্রহও হারাচ্ছেন প্রবাসী ইসরায়েলিরা। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা ও তথ্য কেন্দ্রের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল, বিশ্বে ইসরায়েলের প্রতি বৈরিতার ঢেউ এবং আপনত্বের অনুভূতি, যুদ্ধ সত্ত্বেও, দেশে ফিরে আসা ইসরায়েলিদের সংখ্যা বাড়াতে পারে। তবে বাস্তবচিত্র দাঁড়িয়েছে ঠিক এর বিপরীতে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় পরিচালিত সংঘাতের কারণে ইসরায়েল এখন বিশ্ববাসীর তীব্র ক্ষোভের মুখে। এ সংঘাতে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ধ্বংস হয়েছে গাজার ৯০ শতাংশ অবকাঠামো। এগুলোর পুনর্গঠনে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে হিসাব দিয়েছে জাতিসংঘ। সংঘাত ও আন্তর্জাতিক চাপের এমন আবহেও প্রবাসীদের ফেরার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেসেটের নথিতে দেখা গেছে ২০২২-২০২৪ সাল নাগাদ দেশে ফেরা বাসিন্দাদের সংখ্যায় ৫৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ও দেশটির গবেষকদের তথ্য বলছে, এ সময়ে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৯ হাজার ৩০০ জনের মতো ইসরায়েলি দেশে ফিরতেন। পরবর্তী সময়ে, ২০১৩ থেকে ২০২০ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় গড়ে ৭ হাজার ৪০০। এরপর ২০২০ সালে প্রায় ৮ হাজার থাকলেও ২০২৪ সালে এসে তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে মাত্র ৩ হাজার ৮০০ জনে। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তবে সবচেয়ে বড় পতনের রেকর্ডটি হয়েছে ২০২৩ সালে।
শুধু মনস্তাত্ত্বিক কারণ নয়, দেশের ভেতরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটও এতে মূল ভূমিকা রাখছে। পত্রিকাটির প্রতিবেদন আনুযায়ী, গবেষণাটিতে একাধিক আমলাতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যেগুলো ইসরায়েলিদের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন করে তোলে। বিশেষ করে সরকারি স্বাস্থ্যবীমা পাওয়ার দীর্ঘ প্রক্রিয়া, নতুন অভিবাসীদের তুলনায় সুবিধাদি কম পাওয়া, কর্মসংস্থানের সংকট এবং সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে ভর্তি করার বিড়ম্বনা অন্যতম।
প্রবাস থেকে ফেরা ইসরায়েলিদের সবচেয়ে বড় অংশটি আসত উত্তর আমেরিকা থেকে। ২০০৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফেরা বাসিন্দাদের প্রায় অর্ধেক ছিলেন উত্তর আমেরিকার। এছাড়া যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স থেকে ১৩ শতাংশ এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরেছিলেন ৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০২০ সালে যেখানে ৩ হাজার ৭০০ জন ফিরেছিলেন, ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫০০। তবে প্রতিবেদনের সূত্র ধরে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২২ সালে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরে আসা বাসিন্দাদের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। মোট প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে ইউক্রেন থেকে এসেছিল ৯% এবং রাশিয়া থেকে ৮%। সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও অভ্যন্তরীন অচলাবস্থায় ইসরায়েলে ফিরে আসতে চাইছেন না প্রবাসীরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দেশে ফেরার পরিবর্তে ইসরায়েল ছাড়ছেন রেকর্ড সংখ্যক নাগরিক
সিজেডএন ডেস্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বিদেশ থেকে ফেরত আসার আগ্রহও হারাচ্ছেন প্রবাসী ইসরায়েলিরা। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা ও তথ্য কেন্দ্রের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল, বিশ্বে ইসরায়েলের প্রতি বৈরিতার ঢেউ এবং আপনত্বের অনুভূতি, যুদ্ধ সত্ত্বেও, দেশে ফিরে আসা ইসরায়েলিদের সংখ্যা বাড়াতে পারে। তবে বাস্তবচিত্র দাঁড়িয়েছে ঠিক এর বিপরীতে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় পরিচালিত সংঘাতের কারণে ইসরায়েল এখন বিশ্ববাসীর তীব্র ক্ষোভের মুখে। এ সংঘাতে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ধ্বংস হয়েছে গাজার ৯০ শতাংশ অবকাঠামো। এগুলোর পুনর্গঠনে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে হিসাব দিয়েছে জাতিসংঘ। সংঘাত ও আন্তর্জাতিক চাপের এমন আবহেও প্রবাসীদের ফেরার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেসেটের নথিতে দেখা গেছে ২০২২-২০২৪ সাল নাগাদ দেশে ফেরা বাসিন্দাদের সংখ্যায় ৫৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ও দেশটির গবেষকদের তথ্য বলছে, এ সময়ে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৯ হাজার ৩০০ জনের মতো ইসরায়েলি দেশে ফিরতেন। পরবর্তী সময়ে, ২০১৩ থেকে ২০২০ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় গড়ে ৭ হাজার ৪০০। এরপর ২০২০ সালে প্রায় ৮ হাজার থাকলেও ২০২৪ সালে এসে তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে মাত্র ৩ হাজার ৮০০ জনে। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তবে সবচেয়ে বড় পতনের রেকর্ডটি হয়েছে ২০২৩ সালে।
শুধু মনস্তাত্ত্বিক কারণ নয়, দেশের ভেতরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটও এতে মূল ভূমিকা রাখছে। পত্রিকাটির প্রতিবেদন আনুযায়ী, গবেষণাটিতে একাধিক আমলাতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যেগুলো ইসরায়েলিদের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন করে তোলে। বিশেষ করে সরকারি স্বাস্থ্যবীমা পাওয়ার দীর্ঘ প্রক্রিয়া, নতুন অভিবাসীদের তুলনায় সুবিধাদি কম পাওয়া, কর্মসংস্থানের সংকট এবং সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে ভর্তি করার বিড়ম্বনা অন্যতম।
প্রবাস থেকে ফেরা ইসরায়েলিদের সবচেয়ে বড় অংশটি আসত উত্তর আমেরিকা থেকে। ২০০৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফেরা বাসিন্দাদের প্রায় অর্ধেক ছিলেন উত্তর আমেরিকার। এছাড়া যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স থেকে ১৩ শতাংশ এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরেছিলেন ৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০২০ সালে যেখানে ৩ হাজার ৭০০ জন ফিরেছিলেন, ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫০০। তবে প্রতিবেদনের সূত্র ধরে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২২ সালে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ফিরে আসা বাসিন্দাদের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। মোট প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে ইউক্রেন থেকে এসেছিল ৯% এবং রাশিয়া থেকে ৮%। সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও অভ্যন্তরীন অচলাবস্থায় ইসরায়েলে ফিরে আসতে চাইছেন না প্রবাসীরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর এক মাসে ১০৮ হামলা ইসরায়েলের






