ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের, জবাব দেওয়ার হুমকি

ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের, জবাব দেওয়ার হুমকি
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরে প্রতিবেশী দেশের বন্দরগুলোয় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে তেহরান।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার বাড়ছে। হরমুজ প্রণালি দ্রুত উন্মুক্ত হওয়ার আশা ফিকে হয়ে যাওয়ায় ব্যারেল প্রতি তেলের মূল্য আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হচ্ছে আর তারা একটি চুক্তি করতে চাইছে। কিন্তু তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অনুমতি দেবে এমন কোনো চুক্তি অনুমোদন করা হবে না।
হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। আমরা কোনো দেশকে বিশ্বের সঙ্গে প্রতারণা বা চাঁদাবাজি করতে দিতে পারি না।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইরান কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু ইরানি জাহাজ ও তাদের অনুমতি পাওয়াগুলো ছাড়া আর কোনো জাহাজ প্রণালিটি পার হতে পারছে না। ইরান জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রণালিটি তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর এটি পার হতে হলে টোল দিতে হবে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানি জলযানগুলো এবং যে জাহাজগুলো ইরানকে টোল দেবে তাদের অবরোধ করবে। আর ইরানের কোনো ‘ফাস্ট-অ্যাটাক’ জাহাজ অবরোধের কাছাকাছি এলে সেটিকে নির্মূল করা হবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়েই নিক হুঁশিয়ার করে বলেছেন, বিদেশি সামরিক বাহিনীর প্রণালিটিতে পাহারা দেওয়ার প্রচেষ্টা সংকট আরও গভীর করবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্ররা জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধে জড়াবে না। তারা চাইছে জলপথটি উন্মুক্ত করা হোক।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ছয় সপ্তাহ ধরে আকাশ হামলা চালানোর পর ৮ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতে সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ। মাত্র আর এক সপ্তাহের মেয়াদ থাকা এ যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরে প্রতিবেশী দেশের বন্দরগুলোয় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে তেহরান।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার বাড়ছে। হরমুজ প্রণালি দ্রুত উন্মুক্ত হওয়ার আশা ফিকে হয়ে যাওয়ায় ব্যারেল প্রতি তেলের মূল্য আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হচ্ছে আর তারা একটি চুক্তি করতে চাইছে। কিন্তু তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অনুমতি দেবে এমন কোনো চুক্তি অনুমোদন করা হবে না।
হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। আমরা কোনো দেশকে বিশ্বের সঙ্গে প্রতারণা বা চাঁদাবাজি করতে দিতে পারি না।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইরান কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু ইরানি জাহাজ ও তাদের অনুমতি পাওয়াগুলো ছাড়া আর কোনো জাহাজ প্রণালিটি পার হতে পারছে না। ইরান জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রণালিটি তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর এটি পার হতে হলে টোল দিতে হবে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানি জলযানগুলো এবং যে জাহাজগুলো ইরানকে টোল দেবে তাদের অবরোধ করবে। আর ইরানের কোনো ‘ফাস্ট-অ্যাটাক’ জাহাজ অবরোধের কাছাকাছি এলে সেটিকে নির্মূল করা হবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়েই নিক হুঁশিয়ার করে বলেছেন, বিদেশি সামরিক বাহিনীর প্রণালিটিতে পাহারা দেওয়ার প্রচেষ্টা সংকট আরও গভীর করবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্ররা জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধে জড়াবে না। তারা চাইছে জলপথটি উন্মুক্ত করা হোক।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ছয় সপ্তাহ ধরে আকাশ হামলা চালানোর পর ৮ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতে সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ। মাত্র আর এক সপ্তাহের মেয়াদ থাকা এ যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের, জবাব দেওয়ার হুমকি
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরে প্রতিবেশী দেশের বন্দরগুলোয় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে তেহরান।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার বাড়ছে। হরমুজ প্রণালি দ্রুত উন্মুক্ত হওয়ার আশা ফিকে হয়ে যাওয়ায় ব্যারেল প্রতি তেলের মূল্য আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হচ্ছে আর তারা একটি চুক্তি করতে চাইছে। কিন্তু তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অনুমতি দেবে এমন কোনো চুক্তি অনুমোদন করা হবে না।
হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। আমরা কোনো দেশকে বিশ্বের সঙ্গে প্রতারণা বা চাঁদাবাজি করতে দিতে পারি না।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইরান কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু ইরানি জাহাজ ও তাদের অনুমতি পাওয়াগুলো ছাড়া আর কোনো জাহাজ প্রণালিটি পার হতে পারছে না। ইরান জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রণালিটি তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর এটি পার হতে হলে টোল দিতে হবে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানি জলযানগুলো এবং যে জাহাজগুলো ইরানকে টোল দেবে তাদের অবরোধ করবে। আর ইরানের কোনো ‘ফাস্ট-অ্যাটাক’ জাহাজ অবরোধের কাছাকাছি এলে সেটিকে নির্মূল করা হবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়েই নিক হুঁশিয়ার করে বলেছেন, বিদেশি সামরিক বাহিনীর প্রণালিটিতে পাহারা দেওয়ার প্রচেষ্টা সংকট আরও গভীর করবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্ররা জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধে জড়াবে না। তারা চাইছে জলপথটি উন্মুক্ত করা হোক।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ছয় সপ্তাহ ধরে আকাশ হামলা চালানোর পর ৮ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতে সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ। মাত্র আর এক সপ্তাহের মেয়াদ থাকা এ যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




