যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আস্থার সংকট গভীর হচ্ছে: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আস্থার সংকট গভীর হচ্ছে: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৮: ০৪

ইরানের নেতৃত্বের সমর্থনে রাজপথে তেহরানের জনতা। ছবি: রয়টার্স
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে এবং নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের সামরিক সদর দপ্তর।
শনিবার (২ মে) ইরানের সামরিক সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকে তারা মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির প্রতি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়।
তেহরানের দৃষ্টিতে, যুদ্ধের আগে ও চলাকালে আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে—বিশেষ করে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে—ইরান নমনীয় অবস্থান নিয়েছিল। এমনকি যুদ্ধবিরতির সময়ও তারা সমঝোতার পথে এগোনোর চেষ্টা করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি। তাদের মতে, ইরান প্রতিবারই কিছু দাবি থেকে সরে এসে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু বিপরীতে ওয়াশিংটন আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।
কিছু অপ্রমাণিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাতে ইরান তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি থেকে সরে আসে, যার মধ্যে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিও ছিল। তবে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গৃহীত হয়নি।
ইরান বলছে, পারমাণবিক ইস্যুর মতো জটিল বিষয়ে আলোচনায় যাওয়ার আগে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তাদের মতে, এই মৌলিক বিষয়গুলো সমাধান না করে বড় কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো আলোচনার জন্য নয়, বরং সরাসরি আত্মসমর্পণের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার মতো। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এমন কোনো শর্ত তারা মেনে নেবে না।
সব মিলিয়ে, ইরানের মূল্যায়নে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তারা সামরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে এবং নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের সামরিক সদর দপ্তর।
শনিবার (২ মে) ইরানের সামরিক সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকে তারা মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির প্রতি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়।
তেহরানের দৃষ্টিতে, যুদ্ধের আগে ও চলাকালে আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে—বিশেষ করে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে—ইরান নমনীয় অবস্থান নিয়েছিল। এমনকি যুদ্ধবিরতির সময়ও তারা সমঝোতার পথে এগোনোর চেষ্টা করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি। তাদের মতে, ইরান প্রতিবারই কিছু দাবি থেকে সরে এসে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু বিপরীতে ওয়াশিংটন আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।
কিছু অপ্রমাণিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাতে ইরান তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি থেকে সরে আসে, যার মধ্যে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিও ছিল। তবে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গৃহীত হয়নি।
ইরান বলছে, পারমাণবিক ইস্যুর মতো জটিল বিষয়ে আলোচনায় যাওয়ার আগে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তাদের মতে, এই মৌলিক বিষয়গুলো সমাধান না করে বড় কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো আলোচনার জন্য নয়, বরং সরাসরি আত্মসমর্পণের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার মতো। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এমন কোনো শর্ত তারা মেনে নেবে না।
সব মিলিয়ে, ইরানের মূল্যায়নে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তারা সামরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আস্থার সংকট গভীর হচ্ছে: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৮: ০৪

ইরানের নেতৃত্বের সমর্থনে রাজপথে তেহরানের জনতা। ছবি: রয়টার্স
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে এবং নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের সামরিক সদর দপ্তর।
শনিবার (২ মে) ইরানের সামরিক সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকে তারা মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির প্রতি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়।
তেহরানের দৃষ্টিতে, যুদ্ধের আগে ও চলাকালে আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে—বিশেষ করে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে—ইরান নমনীয় অবস্থান নিয়েছিল। এমনকি যুদ্ধবিরতির সময়ও তারা সমঝোতার পথে এগোনোর চেষ্টা করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি। তাদের মতে, ইরান প্রতিবারই কিছু দাবি থেকে সরে এসে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু বিপরীতে ওয়াশিংটন আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।
কিছু অপ্রমাণিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাতে ইরান তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি থেকে সরে আসে, যার মধ্যে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিও ছিল। তবে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গৃহীত হয়নি।
ইরান বলছে, পারমাণবিক ইস্যুর মতো জটিল বিষয়ে আলোচনায় যাওয়ার আগে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তাদের মতে, এই মৌলিক বিষয়গুলো সমাধান না করে বড় কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো আলোচনার জন্য নয়, বরং সরাসরি আত্মসমর্পণের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার মতো। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এমন কোনো শর্ত তারা মেনে নেবে না।
সব মিলিয়ে, ইরানের মূল্যায়নে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তারা সামরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




