আকাশসীমা বন্ধ করলো ইরান

আকাশসীমা বন্ধ করলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানসহ ইরানের ছয়টি শহরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুটির এ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সম্ভাব্য নতুন আকাশপথের হামলা প্রতিহত করতে ইরান সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এ বিষয়ে ইরানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র মাজিদ আখভান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সিকে জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকালে তেহরানের উত্তর ও পূর্ব অংশে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটেছে।
হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে ইরান সরকার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। এদিকে হামলার পরপরই ইসরায়েল নিজেদের দেশে ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ইতোমধ্যে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য প্রাণহানি বা বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে খামেনিকে দেশের অভ্যন্তরে একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর এই ‘আগাম হামলা’র পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি গোয়েন্দা ও সামরিক সমর্থন ছিল। তেহরানে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড এখন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই হামলার জবাব হবে ‘অত্যন্ত কঠোর’ এবং শত্রুপক্ষ কল্পনাও করতে পারবে না এমন চরম মূল্য তাদের দিতে হবে।
এর আগে গত ২২শে জুন আমেরিকার যুদ্ধবিমান ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিল। বিশেষ করে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করাই ছিল মিত্রশক্তির মূল লক্ষ্য।
আমেরিকা ওই হামলা চালানোর আগে ১৩ই জুন ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।
ইসরায়েল তখন দাবি করেছিল, তাদের লক্ষ্য ছিলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা, ব্লুমবার্গ

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানসহ ইরানের ছয়টি শহরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুটির এ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সম্ভাব্য নতুন আকাশপথের হামলা প্রতিহত করতে ইরান সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এ বিষয়ে ইরানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র মাজিদ আখভান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সিকে জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকালে তেহরানের উত্তর ও পূর্ব অংশে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটেছে।
হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে ইরান সরকার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। এদিকে হামলার পরপরই ইসরায়েল নিজেদের দেশে ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ইতোমধ্যে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য প্রাণহানি বা বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে খামেনিকে দেশের অভ্যন্তরে একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর এই ‘আগাম হামলা’র পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি গোয়েন্দা ও সামরিক সমর্থন ছিল। তেহরানে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড এখন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই হামলার জবাব হবে ‘অত্যন্ত কঠোর’ এবং শত্রুপক্ষ কল্পনাও করতে পারবে না এমন চরম মূল্য তাদের দিতে হবে।
এর আগে গত ২২শে জুন আমেরিকার যুদ্ধবিমান ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিল। বিশেষ করে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করাই ছিল মিত্রশক্তির মূল লক্ষ্য।
আমেরিকা ওই হামলা চালানোর আগে ১৩ই জুন ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।
ইসরায়েল তখন দাবি করেছিল, তাদের লক্ষ্য ছিলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা, ব্লুমবার্গ

আকাশসীমা বন্ধ করলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানসহ ইরানের ছয়টি শহরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুটির এ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সম্ভাব্য নতুন আকাশপথের হামলা প্রতিহত করতে ইরান সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এ বিষয়ে ইরানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র মাজিদ আখভান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সিকে জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকালে তেহরানের উত্তর ও পূর্ব অংশে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটেছে।
হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে ইরান সরকার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। এদিকে হামলার পরপরই ইসরায়েল নিজেদের দেশে ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ইতোমধ্যে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য প্রাণহানি বা বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে খামেনিকে দেশের অভ্যন্তরে একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর এই ‘আগাম হামলা’র পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি গোয়েন্দা ও সামরিক সমর্থন ছিল। তেহরানে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড এখন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই হামলার জবাব হবে ‘অত্যন্ত কঠোর’ এবং শত্রুপক্ষ কল্পনাও করতে পারবে না এমন চরম মূল্য তাদের দিতে হবে।
এর আগে গত ২২শে জুন আমেরিকার যুদ্ধবিমান ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিল। বিশেষ করে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করাই ছিল মিত্রশক্তির মূল লক্ষ্য।
আমেরিকা ওই হামলা চালানোর আগে ১৩ই জুন ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।
ইসরায়েল তখন দাবি করেছিল, তাদের লক্ষ্য ছিলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা, ব্লুমবার্গ




