জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সোমবার এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও গাজী কামরুল ইসলামসহ অন্যরা। জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানি শেষে সৈয়দ মামুন মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ১৩ নভেম্বর জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়ে চার সপ্তাহের রুল দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়েও রুল জারি করেছেন আদালত। এর ফলে দুটি বিষয়ই এখন বিচারাধীন।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর আদালত খুললে রুলের চূড়ান্ত শুনানি হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিট করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।
রিটে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। বিচারাধীন অবস্থায় ওই ধারাগুলোর কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তী আদেশও চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম পৃথক রিট করেন। তার আবেদনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। রুল জারি হলে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে ওই রিটে।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সোমবার এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও গাজী কামরুল ইসলামসহ অন্যরা। জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানি শেষে সৈয়দ মামুন মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ১৩ নভেম্বর জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়ে চার সপ্তাহের রুল দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়েও রুল জারি করেছেন আদালত। এর ফলে দুটি বিষয়ই এখন বিচারাধীন।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর আদালত খুললে রুলের চূড়ান্ত শুনানি হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিট করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।
রিটে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। বিচারাধীন অবস্থায় ওই ধারাগুলোর কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তী আদেশও চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম পৃথক রিট করেন। তার আবেদনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। রুল জারি হলে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে ওই রিটে।

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সোমবার এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও গাজী কামরুল ইসলামসহ অন্যরা। জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানি শেষে সৈয়দ মামুন মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ১৩ নভেম্বর জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়ে চার সপ্তাহের রুল দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়েও রুল জারি করেছেন আদালত। এর ফলে দুটি বিষয়ই এখন বিচারাধীন।
তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর আদালত খুললে রুলের চূড়ান্ত শুনানি হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিট করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।
রিটে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। বিচারাধীন অবস্থায় ওই ধারাগুলোর কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তী আদেশও চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম পৃথক রিট করেন। তার আবেদনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। রুল জারি হলে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে ওই রিটে।




