সমঝোতার এক মাস পর খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

সমঝোতার এক মাস পর খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি কার্যকর হলে তার প্রায় এক মাসের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে জাপানের প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিক্কেই।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে আসবে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে নিক্কেই জানিয়েছে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন অপসারণ করবে ইরান। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক ও জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে এবং বাধাহীনভাবে এ পথ ব্যবহার করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান যে অতিরিক্ত পারাপার ফি আরোপ করেছিল, সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে সেটিও প্রত্যাহার করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে ব্যয় কমবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিক্কেই আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালানো হতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে রপ্তানি হওয়া বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এই প্রণালি হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এ অঞ্চলে সামান্য উত্তেজনাও বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে।
গবেষক ও জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরায় শুরু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। একই সঙ্গে পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওপর চাপও কমে আসবে।
এদিকে ইরান সম্ভাব্য সমঝোতায় ইতিবাচক অবস্থান নিতে পারে—এমন আভাসে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে বলে দাবি করার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে যায়।
বাজার বিশ্লেষকদের ভাষ্য, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এটিই তেলের সর্বনিম্ন মূল্য। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনায় স্থায়ী সমাধান না এলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি কার্যকর হলে তার প্রায় এক মাসের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে জাপানের প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিক্কেই।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে আসবে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে নিক্কেই জানিয়েছে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন অপসারণ করবে ইরান। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক ও জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে এবং বাধাহীনভাবে এ পথ ব্যবহার করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান যে অতিরিক্ত পারাপার ফি আরোপ করেছিল, সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে সেটিও প্রত্যাহার করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে ব্যয় কমবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিক্কেই আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালানো হতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে রপ্তানি হওয়া বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এই প্রণালি হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এ অঞ্চলে সামান্য উত্তেজনাও বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে।
গবেষক ও জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরায় শুরু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। একই সঙ্গে পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওপর চাপও কমে আসবে।
এদিকে ইরান সম্ভাব্য সমঝোতায় ইতিবাচক অবস্থান নিতে পারে—এমন আভাসে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে বলে দাবি করার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে যায়।
বাজার বিশ্লেষকদের ভাষ্য, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এটিই তেলের সর্বনিম্ন মূল্য। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনায় স্থায়ী সমাধান না এলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরবে না।

সমঝোতার এক মাস পর খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি কার্যকর হলে তার প্রায় এক মাসের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে জাপানের প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিক্কেই।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে আসবে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে নিক্কেই জানিয়েছে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন অপসারণ করবে ইরান। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক ও জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে এবং বাধাহীনভাবে এ পথ ব্যবহার করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান যে অতিরিক্ত পারাপার ফি আরোপ করেছিল, সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে সেটিও প্রত্যাহার করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে ব্যয় কমবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিক্কেই আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালানো হতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে রপ্তানি হওয়া বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এই প্রণালি হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এ অঞ্চলে সামান্য উত্তেজনাও বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে।
গবেষক ও জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরায় শুরু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। একই সঙ্গে পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওপর চাপও কমে আসবে।
এদিকে ইরান সম্ভাব্য সমঝোতায় ইতিবাচক অবস্থান নিতে পারে—এমন আভাসে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে বলে দাবি করার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে যায়।
বাজার বিশ্লেষকদের ভাষ্য, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এটিই তেলের সর্বনিম্ন মূল্য। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনায় স্থায়ী সমাধান না এলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরবে না।




