লেবানন সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

লেবানন সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান এবং নিজেদের দেশ রক্ষায় লেবানিজদের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের ভিত্তিতে একটি সুস্পষ্ট জাতীয় ঐক্যমত প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লেবাননবাসী অত্যন্ত সংবেদনশীল অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে লেবাননের সংবিধানের প্রতি অঙ্গীকার আরও বেশি জরুরি।’
১৯২৬ সালের ২৩ মে অনুমোদিত লেবাননের সংবিধানটি আরব বিশ্বের প্রাচীনতম এবং এখনও কার্যকর সংবিধান। হিজবুল্লাহ তাদের বিবৃতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম লেবানিজ রাষ্ট্রের প্রতি তাদের বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এর অর্থ হলো ম্যান্ডেট, হাই কমিশনার এবং বিদেশি তত্ত্বাবধানের যুগকে পেছনে ফেলে আসা। কারণ সেই যুগের অবসান ঘটেছে এবং তা কোনোভাবেই বা কোনো নামেই লেবাননে ফিরে আসবে না।’
লেবাননের ১৫ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো তাইফ চুক্তির গুরুত্ব উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়েছে, একাধিক সহাবস্থানকারী সম্প্রদায়ের অস্তিত্বকে ‘একটি সাম্প্রদায়িক বিষয় বা ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক দাবি হিসেবে নয়, বরং একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত’।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান এবং নিজেদের দেশ রক্ষায় লেবানিজদের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের ভিত্তিতে একটি সুস্পষ্ট জাতীয় ঐক্যমত প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লেবাননবাসী অত্যন্ত সংবেদনশীল অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে লেবাননের সংবিধানের প্রতি অঙ্গীকার আরও বেশি জরুরি।’
১৯২৬ সালের ২৩ মে অনুমোদিত লেবাননের সংবিধানটি আরব বিশ্বের প্রাচীনতম এবং এখনও কার্যকর সংবিধান। হিজবুল্লাহ তাদের বিবৃতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম লেবানিজ রাষ্ট্রের প্রতি তাদের বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এর অর্থ হলো ম্যান্ডেট, হাই কমিশনার এবং বিদেশি তত্ত্বাবধানের যুগকে পেছনে ফেলে আসা। কারণ সেই যুগের অবসান ঘটেছে এবং তা কোনোভাবেই বা কোনো নামেই লেবাননে ফিরে আসবে না।’
লেবাননের ১৫ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো তাইফ চুক্তির গুরুত্ব উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়েছে, একাধিক সহাবস্থানকারী সম্প্রদায়ের অস্তিত্বকে ‘একটি সাম্প্রদায়িক বিষয় বা ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক দাবি হিসেবে নয়, বরং একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত’।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবানন সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান এবং নিজেদের দেশ রক্ষায় লেবানিজদের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের ভিত্তিতে একটি সুস্পষ্ট জাতীয় ঐক্যমত প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লেবাননবাসী অত্যন্ত সংবেদনশীল অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে লেবাননের সংবিধানের প্রতি অঙ্গীকার আরও বেশি জরুরি।’
১৯২৬ সালের ২৩ মে অনুমোদিত লেবাননের সংবিধানটি আরব বিশ্বের প্রাচীনতম এবং এখনও কার্যকর সংবিধান। হিজবুল্লাহ তাদের বিবৃতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম লেবানিজ রাষ্ট্রের প্রতি তাদের বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এর অর্থ হলো ম্যান্ডেট, হাই কমিশনার এবং বিদেশি তত্ত্বাবধানের যুগকে পেছনে ফেলে আসা। কারণ সেই যুগের অবসান ঘটেছে এবং তা কোনোভাবেই বা কোনো নামেই লেবাননে ফিরে আসবে না।’
লেবাননের ১৫ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো তাইফ চুক্তির গুরুত্ব উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়েছে, একাধিক সহাবস্থানকারী সম্প্রদায়ের অস্তিত্বকে ‘একটি সাম্প্রদায়িক বিষয় বা ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক দাবি হিসেবে নয়, বরং একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত’।
সূত্র: আল জাজিরা

নেতানিয়াহুর নির্দেশে লেবাননে ভয়াবহ হামলা


