ইরানের বিরুদ্ধে গঠিত সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার নিয়োগ

ইরানের বিরুদ্ধে গঠিত সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার নিয়োগ
সিজেডএন ডেস্ক

লোহিত সাগর, বাব আল-মানদেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে গঠিত বহুজাতিক সামুদ্রিক সামরিক জোটের কমান্ডার নিয়োগ করেছে সৌদি আরব। রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এ জোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুল্লাহ আল-শেহরি যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তিনি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সনদ অনুযায়ী জোটের সামরিক অভিযান তদারকির দায়িত্বে থাকবেন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ জলসীমাকে নিরাপদ রাখাই এ জোটের মূল লক্ষ্য। ৩০ জুলাই বাংলাদেশ, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, সুদান, কমোরোস ও ইয়েমেন মিলে প্রতিরক্ষামূলক এ সামুদ্রিক জোটটি গঠন করে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি উন্মুক্ত জোট। আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের সুরক্ষা দিতে আগ্রহী যে কোনো দেশের জন্যই এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ জোটে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জোটের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ করতে আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট একটি পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পথ দিয়ে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হতো। হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। এমন সময়ে লোহিত সাগর অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এই নতুন সামরিক উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

লোহিত সাগর, বাব আল-মানদেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে গঠিত বহুজাতিক সামুদ্রিক সামরিক জোটের কমান্ডার নিয়োগ করেছে সৌদি আরব। রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এ জোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুল্লাহ আল-শেহরি যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তিনি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সনদ অনুযায়ী জোটের সামরিক অভিযান তদারকির দায়িত্বে থাকবেন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ জলসীমাকে নিরাপদ রাখাই এ জোটের মূল লক্ষ্য। ৩০ জুলাই বাংলাদেশ, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, সুদান, কমোরোস ও ইয়েমেন মিলে প্রতিরক্ষামূলক এ সামুদ্রিক জোটটি গঠন করে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি উন্মুক্ত জোট। আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের সুরক্ষা দিতে আগ্রহী যে কোনো দেশের জন্যই এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ জোটে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জোটের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ করতে আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট একটি পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পথ দিয়ে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হতো। হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। এমন সময়ে লোহিত সাগর অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এই নতুন সামরিক উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে গঠিত সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার নিয়োগ
সিজেডএন ডেস্ক

লোহিত সাগর, বাব আল-মানদেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে গঠিত বহুজাতিক সামুদ্রিক সামরিক জোটের কমান্ডার নিয়োগ করেছে সৌদি আরব। রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এ জোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুল্লাহ আল-শেহরি যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তিনি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সনদ অনুযায়ী জোটের সামরিক অভিযান তদারকির দায়িত্বে থাকবেন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ জলসীমাকে নিরাপদ রাখাই এ জোটের মূল লক্ষ্য। ৩০ জুলাই বাংলাদেশ, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, সুদান, কমোরোস ও ইয়েমেন মিলে প্রতিরক্ষামূলক এ সামুদ্রিক জোটটি গঠন করে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি উন্মুক্ত জোট। আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের সুরক্ষা দিতে আগ্রহী যে কোনো দেশের জন্যই এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ জোটে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জোটের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ করতে আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট একটি পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পথ দিয়ে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হতো। হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। এমন সময়ে লোহিত সাগর অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এই নতুন সামরিক উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুতই শেষ হবে: ট্রাম্প
যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে যাচ্ছে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক







