ন্যাটোর কড়া সমালোচনায় তেহরান

ন্যাটোর কড়া সমালোচনায় তেহরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনমূলক হামলায় ওয়াশিংটনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ন্যাটো মহাসচিবের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ন্যাটোকে ‘একটি বেআইনি আগ্রাসী যুদ্ধে জড়িত থাকার’ জন্য অভিযুক্ত করেছেন। ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের ‘সহযোগী’ হওয়ার অভিযোগ তোলে ইরান।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যথেষ্ট সমর্থন না দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেন।
এর জবাবে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, ইতালিতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে শত শত যুদ্ধবিমান ইরানে পরিচালিত ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানে অংশ নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
রুট জানান, একটির পর একটি মিত্র দেশ তাদের ঘাঁটি এপিক ফিউরি অভিযানের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ইতালিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে ৫০০টি যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করে এই অভিযানে সহায়তা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ চলাকালে রোমানিয়া তাদের বিমানবন্দরগুলোতে ট্যাঙ্কার সুবিধা ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত করেছিল।
ন্যাটোর এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এটি যুদ্ধে ‘ন্যাটোর সক্রিয় সম্পৃক্ততার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি’।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই লেখেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যতামূলক নীতিমালা এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
বাঘাই বলেছেন, ন্যাটো এবং এতে অংশগ্রহণকারী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এর জন্য অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ইতালি এবং রোমানিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত কেন তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
তবে ইতালি সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ন্যাটো প্রধানের মন্তব্য অনুমোদিত ফ্লাইটের ধরন সম্পর্কে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বার্তা’ দিয়েছে।
ইতালির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় তারা কেবল ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সময় ‘কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তাসংক্রান্ত’ মার্কিন ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছিল।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনমূলক হামলায় ওয়াশিংটনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ন্যাটো মহাসচিবের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ন্যাটোকে ‘একটি বেআইনি আগ্রাসী যুদ্ধে জড়িত থাকার’ জন্য অভিযুক্ত করেছেন। ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের ‘সহযোগী’ হওয়ার অভিযোগ তোলে ইরান।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যথেষ্ট সমর্থন না দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেন।
এর জবাবে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, ইতালিতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে শত শত যুদ্ধবিমান ইরানে পরিচালিত ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানে অংশ নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
রুট জানান, একটির পর একটি মিত্র দেশ তাদের ঘাঁটি এপিক ফিউরি অভিযানের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ইতালিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে ৫০০টি যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করে এই অভিযানে সহায়তা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ চলাকালে রোমানিয়া তাদের বিমানবন্দরগুলোতে ট্যাঙ্কার সুবিধা ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত করেছিল।
ন্যাটোর এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এটি যুদ্ধে ‘ন্যাটোর সক্রিয় সম্পৃক্ততার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি’।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই লেখেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যতামূলক নীতিমালা এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
বাঘাই বলেছেন, ন্যাটো এবং এতে অংশগ্রহণকারী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এর জন্য অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ইতালি এবং রোমানিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত কেন তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
তবে ইতালি সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ন্যাটো প্রধানের মন্তব্য অনুমোদিত ফ্লাইটের ধরন সম্পর্কে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বার্তা’ দিয়েছে।
ইতালির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় তারা কেবল ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সময় ‘কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তাসংক্রান্ত’ মার্কিন ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছিল।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ন্যাটোর কড়া সমালোচনায় তেহরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনমূলক হামলায় ওয়াশিংটনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ন্যাটো মহাসচিবের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ন্যাটোকে ‘একটি বেআইনি আগ্রাসী যুদ্ধে জড়িত থাকার’ জন্য অভিযুক্ত করেছেন। ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের ‘সহযোগী’ হওয়ার অভিযোগ তোলে ইরান।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যথেষ্ট সমর্থন না দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেন।
এর জবাবে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, ইতালিতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে শত শত যুদ্ধবিমান ইরানে পরিচালিত ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানে অংশ নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
রুট জানান, একটির পর একটি মিত্র দেশ তাদের ঘাঁটি এপিক ফিউরি অভিযানের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ইতালিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে ৫০০টি যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করে এই অভিযানে সহায়তা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ চলাকালে রোমানিয়া তাদের বিমানবন্দরগুলোতে ট্যাঙ্কার সুবিধা ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত করেছিল।
ন্যাটোর এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এটি যুদ্ধে ‘ন্যাটোর সক্রিয় সম্পৃক্ততার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি’।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই লেখেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যতামূলক নীতিমালা এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
বাঘাই বলেছেন, ন্যাটো এবং এতে অংশগ্রহণকারী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এর জন্য অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ইতালি এবং রোমানিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত কেন তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
তবে ইতালি সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ন্যাটো প্রধানের মন্তব্য অনুমোদিত ফ্লাইটের ধরন সম্পর্কে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বার্তা’ দিয়েছে।
ইতালির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় তারা কেবল ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সময় ‘কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তাসংক্রান্ত’ মার্কিন ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছিল।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ইরানের অধিনায়ককে বিমানবন্দরে আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের কাছে লেবানন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

