জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল

জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার দায়ে হামাসের পাশাপাশি ইসরায়েলকেও কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থার এমন পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত' আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক ফোনালাপে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ড্যানন এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে একটি নতুন নিম্ন পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল প্রতিটি অভিযোগের বিস্তারিত জবাব দিয়েছিল এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরই জের ধরে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, আন্তোনিও গুতেরেস সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং পেশাদারিত্বের প্রতিটি মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছেন। ফলে নতুন কোনো মহাসচিব নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে ইসরায়েল সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক ব্রিফিংয়ে বলেন, মহাসচিবের দৃষ্টিকোণ থেকে অন্য সব সদস্য রাষ্ট্রের মতো ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের জন্যও তার দরজা সবসময় খোলা রয়েছে।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে গুতেরেস সতর্ক করেছিলেন, কারাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সেই সময় ড্যানন এ উদ্বেগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালানো ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও এই তালিকায় রয়েছে, যদিও তারা শুরু থেকেই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সূত্র: রয়টার্স

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার দায়ে হামাসের পাশাপাশি ইসরায়েলকেও কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থার এমন পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত' আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক ফোনালাপে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ড্যানন এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে একটি নতুন নিম্ন পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল প্রতিটি অভিযোগের বিস্তারিত জবাব দিয়েছিল এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরই জের ধরে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, আন্তোনিও গুতেরেস সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং পেশাদারিত্বের প্রতিটি মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছেন। ফলে নতুন কোনো মহাসচিব নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে ইসরায়েল সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক ব্রিফিংয়ে বলেন, মহাসচিবের দৃষ্টিকোণ থেকে অন্য সব সদস্য রাষ্ট্রের মতো ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের জন্যও তার দরজা সবসময় খোলা রয়েছে।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে গুতেরেস সতর্ক করেছিলেন, কারাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সেই সময় ড্যানন এ উদ্বেগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালানো ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও এই তালিকায় রয়েছে, যদিও তারা শুরু থেকেই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সূত্র: রয়টার্স

জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার দায়ে হামাসের পাশাপাশি ইসরায়েলকেও কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থার এমন পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত' আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক ফোনালাপে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ড্যানন এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে একটি নতুন নিম্ন পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল প্রতিটি অভিযোগের বিস্তারিত জবাব দিয়েছিল এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরই জের ধরে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, আন্তোনিও গুতেরেস সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং পেশাদারিত্বের প্রতিটি মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছেন। ফলে নতুন কোনো মহাসচিব নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে ইসরায়েল সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক ব্রিফিংয়ে বলেন, মহাসচিবের দৃষ্টিকোণ থেকে অন্য সব সদস্য রাষ্ট্রের মতো ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের জন্যও তার দরজা সবসময় খোলা রয়েছে।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে গুতেরেস সতর্ক করেছিলেন, কারাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সেই সময় ড্যানন এ উদ্বেগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালানো ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও এই তালিকায় রয়েছে, যদিও তারা শুরু থেকেই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজার নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নির্দেশ নেতানিয়াহুর


