যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজার নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নির্দেশ নেতানিয়াহুর

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজার নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সেনাবাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে তিনি এই আদেশ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ নেটওয়ার্কে প্রচারিত একটি ভিডিও অনুসারে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি বসতিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে হামাসকে কোণঠাসা করছি। আমরা এখন উপত্যকাটির ৬০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছি।’
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী সেনাবাহিনী গাজার ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমার আমার নির্দেশ হলো এটা ৭০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের সব দিক থেকে চাপে ফেলছি। যা অবশিষ্ট থাকবে, তা নিয়ে পরে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্বে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামলায় আটক সর্বশেষ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহারের কথা ছিল। তবে এটা কয়েক মাস ধরে থমকে আছে। যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীকে তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’র পেছনে সরে যাওয়ার কথা ছিল। যা হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দখলে নেওয়া এলাকার মধ্যে একটি সীমারেখা।
তবে যুদ্ধবিরতির এই শর্ত লঙ্ঘন করে গত ১৫ মে নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়িয়েছে। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘অনেকে বলছিল চলে যাও। কিন্তু আমরা যাইনি। আজ আমরা গাজার ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছি।’
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে অবরুদ্ধ গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হামাস উভয়েই ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে অভিযুক্ত করছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েল ৯০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। জাতিসংঘ এই মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
ইসরায়েল বুধবার জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে হামাসের সশস্ত্র শাখার নতুন প্রধান মোহাম্মদ ওদেহকেও তার পূর্বসূরীদের মতো হত্যা করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে দলটির নেতাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইজেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের এটি চতুর্থ প্রধান, যাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
এদিকে বুধবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামাসের শাসনের অবসান ঘটানোর ইসরায়েলি লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার একটি পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গাজা থেকে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরের পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হবে। সবকিছু সঠিক সময়ে এবং সঠিক উপায়ে করা হবে।’
সূত্র: ল্যে মন্ডে

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সেনাবাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে তিনি এই আদেশ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ নেটওয়ার্কে প্রচারিত একটি ভিডিও অনুসারে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি বসতিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে হামাসকে কোণঠাসা করছি। আমরা এখন উপত্যকাটির ৬০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছি।’
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী সেনাবাহিনী গাজার ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমার আমার নির্দেশ হলো এটা ৭০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের সব দিক থেকে চাপে ফেলছি। যা অবশিষ্ট থাকবে, তা নিয়ে পরে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্বে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামলায় আটক সর্বশেষ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহারের কথা ছিল। তবে এটা কয়েক মাস ধরে থমকে আছে। যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীকে তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’র পেছনে সরে যাওয়ার কথা ছিল। যা হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দখলে নেওয়া এলাকার মধ্যে একটি সীমারেখা।
তবে যুদ্ধবিরতির এই শর্ত লঙ্ঘন করে গত ১৫ মে নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়িয়েছে। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘অনেকে বলছিল চলে যাও। কিন্তু আমরা যাইনি। আজ আমরা গাজার ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছি।’
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে অবরুদ্ধ গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হামাস উভয়েই ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে অভিযুক্ত করছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েল ৯০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। জাতিসংঘ এই মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
ইসরায়েল বুধবার জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে হামাসের সশস্ত্র শাখার নতুন প্রধান মোহাম্মদ ওদেহকেও তার পূর্বসূরীদের মতো হত্যা করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে দলটির নেতাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইজেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের এটি চতুর্থ প্রধান, যাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
এদিকে বুধবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামাসের শাসনের অবসান ঘটানোর ইসরায়েলি লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার একটি পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গাজা থেকে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরের পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হবে। সবকিছু সঠিক সময়ে এবং সঠিক উপায়ে করা হবে।’
সূত্র: ল্যে মন্ডে

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজার নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সেনাবাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে তিনি এই আদেশ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ নেটওয়ার্কে প্রচারিত একটি ভিডিও অনুসারে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি বসতিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে হামাসকে কোণঠাসা করছি। আমরা এখন উপত্যকাটির ৬০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছি।’
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী সেনাবাহিনী গাজার ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমার আমার নির্দেশ হলো এটা ৭০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের সব দিক থেকে চাপে ফেলছি। যা অবশিষ্ট থাকবে, তা নিয়ে পরে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্বে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামলায় আটক সর্বশেষ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহারের কথা ছিল। তবে এটা কয়েক মাস ধরে থমকে আছে। যুদ্ধবিরতির শর্তানুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীকে তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’র পেছনে সরে যাওয়ার কথা ছিল। যা হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দখলে নেওয়া এলাকার মধ্যে একটি সীমারেখা।
তবে যুদ্ধবিরতির এই শর্ত লঙ্ঘন করে গত ১৫ মে নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়িয়েছে। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘অনেকে বলছিল চলে যাও। কিন্তু আমরা যাইনি। আজ আমরা গাজার ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছি।’
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে অবরুদ্ধ গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হামাস উভয়েই ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে অভিযুক্ত করছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েল ৯০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। জাতিসংঘ এই মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
ইসরায়েল বুধবার জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে হামাসের সশস্ত্র শাখার নতুন প্রধান মোহাম্মদ ওদেহকেও তার পূর্বসূরীদের মতো হত্যা করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে দলটির নেতাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইজেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের এটি চতুর্থ প্রধান, যাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
এদিকে বুধবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামাসের শাসনের অবসান ঘটানোর ইসরায়েলি লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার একটি পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গাজা থেকে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরের পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হবে। সবকিছু সঠিক সময়ে এবং সঠিক উপায়ে করা হবে।’
সূত্র: ল্যে মন্ডে

গাজা আগ্রাসনে ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৫১ দেশ
গবাদি পশু সংকট, গাজায় টানা তৃতীয় বছরের মতো বন্ধ কোরবানি উৎসব


