ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, রহস্য কী

ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, রহস্য কী
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকির পর এবার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) প্রকাশিত এসব ছবিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ইঙ্গিতসহ দেশটির মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা দেখা গেছে।
মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ২০টিরও বেশি ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। বেশিরভাগ ছবিতেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার বার্তা ফুটে উঠেছে।
এছাড়া একটি ছবিতে ইরানের মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো দেখা গেছে। সেখানে চারদিক থেকে তীরচিহ্ন দিয়ে দেশটিকে ঘিরে ধরার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ছবিতে মার্কিন ড্রোনকে ইরানি দ্রুতগতির নৌযানে হামলা চালাতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, বিদায় দ্রুতগতির নৌযান।
অন্যদিকে ট্রাম্পের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ইরানি বিমান লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ভিডিওর এক পাশে ট্রাম্পকে টেবিলে টোকা দিতে দিতে বলতে শোনা যায়, ফায়ার, বুম।
আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে মহাকাশে স্যাটেলাইটের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখান থেকে তিনি ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তদারকি করছেন। অন্য এক ছবিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মহাকাশযানের একটি বোতাম চাপতে দেখা যায়। ওই ছবির পেছনের পর্দাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও পারমাণবিক বিস্ফোরণের মতো দৃশ্য ছিল।
এর আগে ইরানের সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে বলে হুমকি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তিনি বলেন, ‘তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’ এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান বলেও সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা চলার পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যেই তেল আবিবের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি এবং অস্বাভাবিক সামরিক গতিবিধি এ হামলার প্রস্তুতির সপক্ষে জোরালো প্রমাণ দিচ্ছে।
ইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তাইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আশ্বস্ত করে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের রয়েছে। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কৌশলগত পিছু হটা কিংবা যুদ্ধক্ষেত্রের রসদ অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে তারা পুরোপুরি সক্ষম।
তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে এলেও মার্কিন প্রশাসন এখনই আলোচনার টেবিল থেকে একেবারে সরে দাঁড়াচ্ছে না।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, আরটিই

ইরান নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকির পর এবার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) প্রকাশিত এসব ছবিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ইঙ্গিতসহ দেশটির মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা দেখা গেছে।
মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ২০টিরও বেশি ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। বেশিরভাগ ছবিতেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার বার্তা ফুটে উঠেছে।
এছাড়া একটি ছবিতে ইরানের মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো দেখা গেছে। সেখানে চারদিক থেকে তীরচিহ্ন দিয়ে দেশটিকে ঘিরে ধরার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ছবিতে মার্কিন ড্রোনকে ইরানি দ্রুতগতির নৌযানে হামলা চালাতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, বিদায় দ্রুতগতির নৌযান।
অন্যদিকে ট্রাম্পের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ইরানি বিমান লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ভিডিওর এক পাশে ট্রাম্পকে টেবিলে টোকা দিতে দিতে বলতে শোনা যায়, ফায়ার, বুম।
আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে মহাকাশে স্যাটেলাইটের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখান থেকে তিনি ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তদারকি করছেন। অন্য এক ছবিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মহাকাশযানের একটি বোতাম চাপতে দেখা যায়। ওই ছবির পেছনের পর্দাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও পারমাণবিক বিস্ফোরণের মতো দৃশ্য ছিল।
এর আগে ইরানের সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে বলে হুমকি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তিনি বলেন, ‘তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’ এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান বলেও সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা চলার পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যেই তেল আবিবের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি এবং অস্বাভাবিক সামরিক গতিবিধি এ হামলার প্রস্তুতির সপক্ষে জোরালো প্রমাণ দিচ্ছে।
ইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তাইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আশ্বস্ত করে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের রয়েছে। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কৌশলগত পিছু হটা কিংবা যুদ্ধক্ষেত্রের রসদ অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে তারা পুরোপুরি সক্ষম।
তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে এলেও মার্কিন প্রশাসন এখনই আলোচনার টেবিল থেকে একেবারে সরে দাঁড়াচ্ছে না।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, আরটিই

ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, রহস্য কী
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকির পর এবার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) প্রকাশিত এসব ছবিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ইঙ্গিতসহ দেশটির মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা দেখা গেছে।
মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ২০টিরও বেশি ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। বেশিরভাগ ছবিতেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার বার্তা ফুটে উঠেছে।
এছাড়া একটি ছবিতে ইরানের মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো দেখা গেছে। সেখানে চারদিক থেকে তীরচিহ্ন দিয়ে দেশটিকে ঘিরে ধরার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ছবিতে মার্কিন ড্রোনকে ইরানি দ্রুতগতির নৌযানে হামলা চালাতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, বিদায় দ্রুতগতির নৌযান।
অন্যদিকে ট্রাম্পের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ইরানি বিমান লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ভিডিওর এক পাশে ট্রাম্পকে টেবিলে টোকা দিতে দিতে বলতে শোনা যায়, ফায়ার, বুম।
আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে মহাকাশে স্যাটেলাইটের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখান থেকে তিনি ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তদারকি করছেন। অন্য এক ছবিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মহাকাশযানের একটি বোতাম চাপতে দেখা যায়। ওই ছবির পেছনের পর্দাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও পারমাণবিক বিস্ফোরণের মতো দৃশ্য ছিল।
এর আগে ইরানের সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে বলে হুমকি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তিনি বলেন, ‘তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’ এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান বলেও সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা চলার পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যেই তেল আবিবের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি এবং অস্বাভাবিক সামরিক গতিবিধি এ হামলার প্রস্তুতির সপক্ষে জোরালো প্রমাণ দিচ্ছে।
ইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তাইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আশ্বস্ত করে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের রয়েছে। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কৌশলগত পিছু হটা কিংবা যুদ্ধক্ষেত্রের রসদ অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে তারা পুরোপুরি সক্ষম।
তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে এলেও মার্কিন প্রশাসন এখনই আলোচনার টেবিল থেকে একেবারে সরে দাঁড়াচ্ছে না।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, আরটিই

ইরানের সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে: ট্রাম্প
আবারও ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল


