ইয়েমেনে হুথি হামলা: আবারও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা

ইয়েমেনে হুথি হামলা: আবারও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতার ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও ভয়াবহ সামরিক অস্থিরতার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেন। সম্প্রতি হুথি বিদ্রোহীদের আকস্মিক হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটি পুনরায় গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে বলে সতর্ক করছেন ভূরাজনীতি বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আল-মাখা বন্দরে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলা শুধু আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলেই বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না, বরং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সরাসরি কোণঠাসা করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির দাবি, তারা আল-মাখা বন্দরে অবস্থিত একটি কৌশলগত কমান্ড সদর দপ্তর এবং সৌদি আরবের সহায়তায় নির্মিত অস্ত্রাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সৌদি সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। তবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
যুদ্ধের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে হুথিরাই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভর করে তারা দেশের যেকোনো প্রান্তে ধারাবাহিক সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা অর্জন করেছে। হুথিরা কেবল উপকূলীয় আল-মাখা বন্দরই নয়, ইয়েমেন সরকারের মূল কেন্দ্রবিন্দু মারিব এবং পূর্বাঞ্চলীয় হাদরামাউত প্রদেশেও একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুথিরা তাদের কৌশলে বড় পরিবর্তন এনেছে। লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চলগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই তীব্র উত্তেজনা দ্রুত প্রশমিত করা না গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা দিনের মধ্যেই ইয়েমেনজুড়ে নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে চলা সংঘাতে ইয়েমেন ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম চরম মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। নতুন করে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং লাখ লাখ নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকার ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতার ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও ভয়াবহ সামরিক অস্থিরতার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেন। সম্প্রতি হুথি বিদ্রোহীদের আকস্মিক হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটি পুনরায় গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে বলে সতর্ক করছেন ভূরাজনীতি বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আল-মাখা বন্দরে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলা শুধু আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলেই বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না, বরং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সরাসরি কোণঠাসা করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির দাবি, তারা আল-মাখা বন্দরে অবস্থিত একটি কৌশলগত কমান্ড সদর দপ্তর এবং সৌদি আরবের সহায়তায় নির্মিত অস্ত্রাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সৌদি সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। তবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
যুদ্ধের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে হুথিরাই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভর করে তারা দেশের যেকোনো প্রান্তে ধারাবাহিক সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা অর্জন করেছে। হুথিরা কেবল উপকূলীয় আল-মাখা বন্দরই নয়, ইয়েমেন সরকারের মূল কেন্দ্রবিন্দু মারিব এবং পূর্বাঞ্চলীয় হাদরামাউত প্রদেশেও একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুথিরা তাদের কৌশলে বড় পরিবর্তন এনেছে। লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চলগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই তীব্র উত্তেজনা দ্রুত প্রশমিত করা না গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা দিনের মধ্যেই ইয়েমেনজুড়ে নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে চলা সংঘাতে ইয়েমেন ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম চরম মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। নতুন করে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং লাখ লাখ নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকার ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনে হুথি হামলা: আবারও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতার ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও ভয়াবহ সামরিক অস্থিরতার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেন। সম্প্রতি হুথি বিদ্রোহীদের আকস্মিক হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটি পুনরায় গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে বলে সতর্ক করছেন ভূরাজনীতি বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আল-মাখা বন্দরে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলা শুধু আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলেই বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না, বরং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সরাসরি কোণঠাসা করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির দাবি, তারা আল-মাখা বন্দরে অবস্থিত একটি কৌশলগত কমান্ড সদর দপ্তর এবং সৌদি আরবের সহায়তায় নির্মিত অস্ত্রাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সৌদি সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। তবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
যুদ্ধের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে হুথিরাই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভর করে তারা দেশের যেকোনো প্রান্তে ধারাবাহিক সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা অর্জন করেছে। হুথিরা কেবল উপকূলীয় আল-মাখা বন্দরই নয়, ইয়েমেন সরকারের মূল কেন্দ্রবিন্দু মারিব এবং পূর্বাঞ্চলীয় হাদরামাউত প্রদেশেও একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুথিরা তাদের কৌশলে বড় পরিবর্তন এনেছে। লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চলগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই তীব্র উত্তেজনা দ্রুত প্রশমিত করা না গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা দিনের মধ্যেই ইয়েমেনজুড়ে নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে চলা সংঘাতে ইয়েমেন ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম চরম মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। নতুন করে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং লাখ লাখ নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকার ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনে সামরিক শিবিরে হুথিদের ভয়াবহ হামলা, নিহত ৩০






