উরুগুয়েতে উন্মোচিত হলো বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি

উরুগুয়েতে উন্মোচিত হলো বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে নৌপথের নিরাপত্তা আর একের পর এক দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কা কাজ করছে। ঠিক তখনই যুগান্তকারী এক পদক্ষেপ নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির নুয়েভা বন্দরে সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি ‘চায়না জোরিলা’। সম্পূর্ণ ব্যাটারিচালিত এ বিশাল জলযানটিকে নিজ চোখে দেখতে ভিড় জমান নানা বয়সী কৌতূহলী মানুষ।
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ায় তৈরি ফেরিটি কিনে নিয়েছে উরুগুয়ের স্বনামধন্য শিপিং কোম্পানি বুকেবাস। নির্মাতাদের ভাষ্যমতে, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪০ মেগাওয়াটেরও বেশি শক্তির বৃহৎ ব্যাটারি সিস্টেম। কোনো ধরনের ডিজেল ইঞ্জিন ছাড়াই ব্যাটারিগুলো শক্তি জোগাবে ফেরিটির আটটি ইলেকট্রিক ওয়াটারজেট প্রোপালশন ইউনিটে। কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব জলযানটি দেশের পুরো নৌ পরিবহন ব্যবস্থার চেহারাই পাল্টে দেবে।
বুকেবাসের পরিচালক জুয়ান কার্লোস লোপেজ মেনা বলেন, ‘যখন আমরা পরিবেশ নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবি। পরিবেশের সুরক্ষায় কার্বন নিঃসরণ অবশ্যই কমাতে হবে।’ উরুগুয়ের পরিবেশমন্ত্রী এডগার্দো ওর্তুনোও এ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ‘বিশ্ব পরিবেশবান্ধব ও আরও কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বুকেবাস কোম্পানি নতুন যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সেটিকে সরকার স্বাগত জানায়।’
দক্ষিণ উরুগুয়ের কলোনিয়া থেকে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস রুটে নিয়মিত চলাচল করবে ফেরিটি। অস্ট্রেলিয়া থেকে দীর্ঘ নৌপথ পাড়ি দিয়ে এটি উরুগুয়েতে এসে পৌঁছেছে। সামুদ্রিক গ্রেড অ্যালুমিনিয়ামে নির্মিত ১৩০ মিটার দীর্ঘ এ ফেরিতে একসঙ্গে ২১০০ জন যাত্রী এবং ২২৫টি ছোট-বড় যানবাহন বহন করা যাবে। উরুগুয়ের জনপ্রিয় ও প্রথিতযশা অভিনেত্রী কনসেপসিওন চায়না জোরিলার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এ ব্যতিক্রমী নৌযানটির এমন নামকরণ করা হয়েছে।
সূত্র: খামা প্রেস

বিশ্বজুড়ে নৌপথের নিরাপত্তা আর একের পর এক দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কা কাজ করছে। ঠিক তখনই যুগান্তকারী এক পদক্ষেপ নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির নুয়েভা বন্দরে সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি ‘চায়না জোরিলা’। সম্পূর্ণ ব্যাটারিচালিত এ বিশাল জলযানটিকে নিজ চোখে দেখতে ভিড় জমান নানা বয়সী কৌতূহলী মানুষ।
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ায় তৈরি ফেরিটি কিনে নিয়েছে উরুগুয়ের স্বনামধন্য শিপিং কোম্পানি বুকেবাস। নির্মাতাদের ভাষ্যমতে, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪০ মেগাওয়াটেরও বেশি শক্তির বৃহৎ ব্যাটারি সিস্টেম। কোনো ধরনের ডিজেল ইঞ্জিন ছাড়াই ব্যাটারিগুলো শক্তি জোগাবে ফেরিটির আটটি ইলেকট্রিক ওয়াটারজেট প্রোপালশন ইউনিটে। কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব জলযানটি দেশের পুরো নৌ পরিবহন ব্যবস্থার চেহারাই পাল্টে দেবে।
বুকেবাসের পরিচালক জুয়ান কার্লোস লোপেজ মেনা বলেন, ‘যখন আমরা পরিবেশ নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবি। পরিবেশের সুরক্ষায় কার্বন নিঃসরণ অবশ্যই কমাতে হবে।’ উরুগুয়ের পরিবেশমন্ত্রী এডগার্দো ওর্তুনোও এ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ‘বিশ্ব পরিবেশবান্ধব ও আরও কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বুকেবাস কোম্পানি নতুন যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সেটিকে সরকার স্বাগত জানায়।’
দক্ষিণ উরুগুয়ের কলোনিয়া থেকে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস রুটে নিয়মিত চলাচল করবে ফেরিটি। অস্ট্রেলিয়া থেকে দীর্ঘ নৌপথ পাড়ি দিয়ে এটি উরুগুয়েতে এসে পৌঁছেছে। সামুদ্রিক গ্রেড অ্যালুমিনিয়ামে নির্মিত ১৩০ মিটার দীর্ঘ এ ফেরিতে একসঙ্গে ২১০০ জন যাত্রী এবং ২২৫টি ছোট-বড় যানবাহন বহন করা যাবে। উরুগুয়ের জনপ্রিয় ও প্রথিতযশা অভিনেত্রী কনসেপসিওন চায়না জোরিলার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এ ব্যতিক্রমী নৌযানটির এমন নামকরণ করা হয়েছে।
সূত্র: খামা প্রেস

উরুগুয়েতে উন্মোচিত হলো বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে নৌপথের নিরাপত্তা আর একের পর এক দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কা কাজ করছে। ঠিক তখনই যুগান্তকারী এক পদক্ষেপ নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির নুয়েভা বন্দরে সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক ফেরি ‘চায়না জোরিলা’। সম্পূর্ণ ব্যাটারিচালিত এ বিশাল জলযানটিকে নিজ চোখে দেখতে ভিড় জমান নানা বয়সী কৌতূহলী মানুষ।
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ায় তৈরি ফেরিটি কিনে নিয়েছে উরুগুয়ের স্বনামধন্য শিপিং কোম্পানি বুকেবাস। নির্মাতাদের ভাষ্যমতে, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪০ মেগাওয়াটেরও বেশি শক্তির বৃহৎ ব্যাটারি সিস্টেম। কোনো ধরনের ডিজেল ইঞ্জিন ছাড়াই ব্যাটারিগুলো শক্তি জোগাবে ফেরিটির আটটি ইলেকট্রিক ওয়াটারজেট প্রোপালশন ইউনিটে। কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব জলযানটি দেশের পুরো নৌ পরিবহন ব্যবস্থার চেহারাই পাল্টে দেবে।
বুকেবাসের পরিচালক জুয়ান কার্লোস লোপেজ মেনা বলেন, ‘যখন আমরা পরিবেশ নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবি। পরিবেশের সুরক্ষায় কার্বন নিঃসরণ অবশ্যই কমাতে হবে।’ উরুগুয়ের পরিবেশমন্ত্রী এডগার্দো ওর্তুনোও এ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ‘বিশ্ব পরিবেশবান্ধব ও আরও কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বুকেবাস কোম্পানি নতুন যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সেটিকে সরকার স্বাগত জানায়।’
দক্ষিণ উরুগুয়ের কলোনিয়া থেকে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস রুটে নিয়মিত চলাচল করবে ফেরিটি। অস্ট্রেলিয়া থেকে দীর্ঘ নৌপথ পাড়ি দিয়ে এটি উরুগুয়েতে এসে পৌঁছেছে। সামুদ্রিক গ্রেড অ্যালুমিনিয়ামে নির্মিত ১৩০ মিটার দীর্ঘ এ ফেরিতে একসঙ্গে ২১০০ জন যাত্রী এবং ২২৫টি ছোট-বড় যানবাহন বহন করা যাবে। উরুগুয়ের জনপ্রিয় ও প্রথিতযশা অভিনেত্রী কনসেপসিওন চায়না জোরিলার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এ ব্যতিক্রমী নৌযানটির এমন নামকরণ করা হয়েছে।
সূত্র: খামা প্রেস

ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজডুবির ঘটনায় নিহত ৬, নিখোঁজ ১২৯







