ফকল্যান্ড সংকটে যুক্তরাজ্যকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি আর্জেন্টিনার

ফকল্যান্ড সংকটে যুক্তরাজ্যকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি আর্জেন্টিনার
সিজেডএন ডেস্ক

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বন্দ্বকে এবার নতুন ধাপে নিয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। বিতর্কিত এ অঞ্চলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর তেল উত্তোলনের পরিকল্পনা প্রতিহত করতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার অনুমতি ছাড়া পরিচালিত এসব প্রকল্পকে দেশের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন আখ্যা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই। তিনি জানিয়েছেন, ফকল্যান্ডের আশপাশে কাজ করা কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।
টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে মিলেই বলেন, অননুমোদিত তেল ও গ্যাস উত্তোলনে জড়িত কোম্পানিগুলোর ওপর দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে তিনি শিগগিরই ডিক্রি জারি করবেন। শুধু মূল কোম্পানিই নয়, তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পর্ষদ পরিচালক ও সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের ওপরও এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসে একটি জরুরি ‘ন্যাশনাল সার্বভৌমত্ব প্রতিরক্ষা’ বিল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিলটি বেআইনি প্রকল্পে যুক্ত যেকোনো সংস্থার ওপর কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত করবে।
আর্জেন্টাইন সরকারের এই কঠোর অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে ফকল্যান্ড উপকূল থেকে ১৩০ মাইল দূরে অবস্থিত ‘সি লায়ন’ তেল প্রকল্প। সমুদ্রের গভীরে থাকা বিশাল এ তেলক্ষেত্রে আনুমানিক ১৭০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে, যা উত্তর সাগরের বিখ্যাত রোজব্যাংক ক্ষেত্রটির ৩০ কোটি ব্যারেল মজুদের তুলনায় কয়েক গুণ বড়। যুক্তরাজ্যের রকহপার এক্সপ্লোরেশন ও ইসরায়েলের নাভিতাস পেট্রোলিয়াম আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে সরাসরি কাজ শুরুর প্রহর গুনছে। ভাষণে মিলেই বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে বাণিজ্যিক কাজ শুরু হলে তা আর্জেন্টিনার স্বার্থের জন্য জরুরি হুমকি তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের নিজস্ব তেল উত্তোলনের বাস্তব সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, মিলেইয়ের এ কঠোর মনোভাবের পেছনে মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক সমীকরণও কাজ করছে। ফকল্যান্ড বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চিরচেনা অবস্থান পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি সাক্ষাৎকারে সংঘাতের সময়ে যুক্তরাজ্যকে সহায়তার প্রশ্নে সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি উল্টো ইরান ইস্যুতে ব্রিটিশদের সহযোগিতার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে মিলেই দাবি করেন, বিশ্বরাজনীতিতে যে পরিবর্তনের ‘হাওয়া’ বইছে, তা আর্জেন্টিনার বহুদিনের দাবি আদায়ের পক্ষে কাজ করবে।
সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি বুয়েনস এইরেসের এ কঠোর বার্তার পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও একটি বড় কারণ। আগামী বছর আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দেশের মানুষের আবেগ ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে মালভিনাসের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে তেল উত্তোলনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদী আবেগ জাগিয়ে তোলাই মিলেইয়ের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র; রয়টার্স

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বন্দ্বকে এবার নতুন ধাপে নিয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। বিতর্কিত এ অঞ্চলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর তেল উত্তোলনের পরিকল্পনা প্রতিহত করতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার অনুমতি ছাড়া পরিচালিত এসব প্রকল্পকে দেশের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন আখ্যা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই। তিনি জানিয়েছেন, ফকল্যান্ডের আশপাশে কাজ করা কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।
টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে মিলেই বলেন, অননুমোদিত তেল ও গ্যাস উত্তোলনে জড়িত কোম্পানিগুলোর ওপর দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে তিনি শিগগিরই ডিক্রি জারি করবেন। শুধু মূল কোম্পানিই নয়, তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পর্ষদ পরিচালক ও সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের ওপরও এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসে একটি জরুরি ‘ন্যাশনাল সার্বভৌমত্ব প্রতিরক্ষা’ বিল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিলটি বেআইনি প্রকল্পে যুক্ত যেকোনো সংস্থার ওপর কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত করবে।
আর্জেন্টাইন সরকারের এই কঠোর অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে ফকল্যান্ড উপকূল থেকে ১৩০ মাইল দূরে অবস্থিত ‘সি লায়ন’ তেল প্রকল্প। সমুদ্রের গভীরে থাকা বিশাল এ তেলক্ষেত্রে আনুমানিক ১৭০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে, যা উত্তর সাগরের বিখ্যাত রোজব্যাংক ক্ষেত্রটির ৩০ কোটি ব্যারেল মজুদের তুলনায় কয়েক গুণ বড়। যুক্তরাজ্যের রকহপার এক্সপ্লোরেশন ও ইসরায়েলের নাভিতাস পেট্রোলিয়াম আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে সরাসরি কাজ শুরুর প্রহর গুনছে। ভাষণে মিলেই বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে বাণিজ্যিক কাজ শুরু হলে তা আর্জেন্টিনার স্বার্থের জন্য জরুরি হুমকি তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের নিজস্ব তেল উত্তোলনের বাস্তব সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, মিলেইয়ের এ কঠোর মনোভাবের পেছনে মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক সমীকরণও কাজ করছে। ফকল্যান্ড বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চিরচেনা অবস্থান পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি সাক্ষাৎকারে সংঘাতের সময়ে যুক্তরাজ্যকে সহায়তার প্রশ্নে সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি উল্টো ইরান ইস্যুতে ব্রিটিশদের সহযোগিতার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে মিলেই দাবি করেন, বিশ্বরাজনীতিতে যে পরিবর্তনের ‘হাওয়া’ বইছে, তা আর্জেন্টিনার বহুদিনের দাবি আদায়ের পক্ষে কাজ করবে।
সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি বুয়েনস এইরেসের এ কঠোর বার্তার পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও একটি বড় কারণ। আগামী বছর আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দেশের মানুষের আবেগ ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে মালভিনাসের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে তেল উত্তোলনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদী আবেগ জাগিয়ে তোলাই মিলেইয়ের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র; রয়টার্স

ফকল্যান্ড সংকটে যুক্তরাজ্যকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি আর্জেন্টিনার
সিজেডএন ডেস্ক

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বন্দ্বকে এবার নতুন ধাপে নিয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। বিতর্কিত এ অঞ্চলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর তেল উত্তোলনের পরিকল্পনা প্রতিহত করতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার অনুমতি ছাড়া পরিচালিত এসব প্রকল্পকে দেশের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন আখ্যা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই। তিনি জানিয়েছেন, ফকল্যান্ডের আশপাশে কাজ করা কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।
টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে মিলেই বলেন, অননুমোদিত তেল ও গ্যাস উত্তোলনে জড়িত কোম্পানিগুলোর ওপর দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে তিনি শিগগিরই ডিক্রি জারি করবেন। শুধু মূল কোম্পানিই নয়, তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পর্ষদ পরিচালক ও সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের ওপরও এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসে একটি জরুরি ‘ন্যাশনাল সার্বভৌমত্ব প্রতিরক্ষা’ বিল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিলটি বেআইনি প্রকল্পে যুক্ত যেকোনো সংস্থার ওপর কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত করবে।
আর্জেন্টাইন সরকারের এই কঠোর অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে ফকল্যান্ড উপকূল থেকে ১৩০ মাইল দূরে অবস্থিত ‘সি লায়ন’ তেল প্রকল্প। সমুদ্রের গভীরে থাকা বিশাল এ তেলক্ষেত্রে আনুমানিক ১৭০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে, যা উত্তর সাগরের বিখ্যাত রোজব্যাংক ক্ষেত্রটির ৩০ কোটি ব্যারেল মজুদের তুলনায় কয়েক গুণ বড়। যুক্তরাজ্যের রকহপার এক্সপ্লোরেশন ও ইসরায়েলের নাভিতাস পেট্রোলিয়াম আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে সরাসরি কাজ শুরুর প্রহর গুনছে। ভাষণে মিলেই বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এখানে বাণিজ্যিক কাজ শুরু হলে তা আর্জেন্টিনার স্বার্থের জন্য জরুরি হুমকি তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের নিজস্ব তেল উত্তোলনের বাস্তব সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, মিলেইয়ের এ কঠোর মনোভাবের পেছনে মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক সমীকরণও কাজ করছে। ফকল্যান্ড বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চিরচেনা অবস্থান পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি সাক্ষাৎকারে সংঘাতের সময়ে যুক্তরাজ্যকে সহায়তার প্রশ্নে সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি উল্টো ইরান ইস্যুতে ব্রিটিশদের সহযোগিতার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে মিলেই দাবি করেন, বিশ্বরাজনীতিতে যে পরিবর্তনের ‘হাওয়া’ বইছে, তা আর্জেন্টিনার বহুদিনের দাবি আদায়ের পক্ষে কাজ করবে।
সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি বুয়েনস এইরেসের এ কঠোর বার্তার পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও একটি বড় কারণ। আগামী বছর আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দেশের মানুষের আবেগ ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে মালভিনাসের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে তেল উত্তোলনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদী আবেগ জাগিয়ে তোলাই মিলেইয়ের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র; রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বর্ণ সরানোর কারণ কী







