পশ্চিমবঙ্গে অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমে কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা

পশ্চিমবঙ্গে অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমে কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ব অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা ও গণমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তিনি।
এর আগে রাজ্যটিতে গরু কেনা ও লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
বুধবার (২০ মে) রাজ্য সরকার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভারতীয় সিভিল সার্ভিস, পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সার্ভিস ও যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আওতাধীন ও সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত আছেন, তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে সরকারের থেকে অনুমতি নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংবাদমাধ্যমে সরকারের কোনো নীতির নেতিবাচক সমালোচনা করতে পারবেন না।
তবে এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে রাজ্যজুড়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এই নির্দেশনা মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তারা বলছেন, গত সরকারের দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকেই উঠে এসেছিল।
তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির ঘনিষ্ট মহলের দাবি, এই নিয়ম নতুন নয়। ১৯৭৬ সাল থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদের জন্য এই নিয়ম চালু আছে। তারা বলছেন, গত সরকার এই নিয়মটি কঠোরভাবে বলবৎ করেনি।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ব অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা ও গণমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তিনি।
এর আগে রাজ্যটিতে গরু কেনা ও লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
বুধবার (২০ মে) রাজ্য সরকার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভারতীয় সিভিল সার্ভিস, পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সার্ভিস ও যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আওতাধীন ও সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত আছেন, তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে সরকারের থেকে অনুমতি নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংবাদমাধ্যমে সরকারের কোনো নীতির নেতিবাচক সমালোচনা করতে পারবেন না।
তবে এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে রাজ্যজুড়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এই নির্দেশনা মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তারা বলছেন, গত সরকারের দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকেই উঠে এসেছিল।
তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির ঘনিষ্ট মহলের দাবি, এই নিয়ম নতুন নয়। ১৯৭৬ সাল থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদের জন্য এই নিয়ম চালু আছে। তারা বলছেন, গত সরকার এই নিয়মটি কঠোরভাবে বলবৎ করেনি।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পশ্চিমবঙ্গে অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমে কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ব অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা ও গণমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তিনি।
এর আগে রাজ্যটিতে গরু কেনা ও লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
বুধবার (২০ মে) রাজ্য সরকার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভারতীয় সিভিল সার্ভিস, পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সার্ভিস ও যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আওতাধীন ও সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত আছেন, তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে সরকারের থেকে অনুমতি নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংবাদমাধ্যমে সরকারের কোনো নীতির নেতিবাচক সমালোচনা করতে পারবেন না।
তবে এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে রাজ্যজুড়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এই নির্দেশনা মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তারা বলছেন, গত সরকারের দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকেই উঠে এসেছিল।
তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির ঘনিষ্ট মহলের দাবি, এই নিয়ম নতুন নয়। ১৯৭৬ সাল থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদের জন্য এই নিয়ম চালু আছে। তারা বলছেন, গত সরকার এই নিয়মটি কঠোরভাবে বলবৎ করেনি।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পশ্চিমবঙ্গে সিএএ কার্যকর, ‘অবৈধদের’ বিএসএফে দেওয়ার ঘোষণা শুভেন্দুর


