পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হলো ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হলো ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২২: ২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বেশ কিছু নীতিগত ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী জুন মাস থেকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া সমস্ত সরকারি আর্থিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্যের বিদ্যমান ওবিসি (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে তথ্য ও সংস্কৃতি এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের অধীন ধর্মীয় ক্যাটাগরিতে চলমান প্রকল্পগুলো বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিকদের জানান, ধর্মীয় ক্যাটাগরির অধীনে থাকা প্রকল্পগুলো চলতি মে মাসের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে এবং আগামী জুন মাস থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে, যার জন্য শিগগিরই আলাদা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এছাড়া কোটার যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জনকল্যাণমূলক কোনও কর্মসূচি ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয় বর্তমান রাজ্য সরকারের এমন অবস্থানকে রাজ্যের একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছর পর, অর্থাৎ ২০১২ সালে প্রথম ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার ঘোষণা করেছিল। তখন নিবন্ধিত ইমামদের জন্য প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ রুপি করে ভাতার ব্যবস্থা করা হয়, যা পরবর্তীতে মুয়াজ্জিনদের জন্যও সম্প্রসারিত হয় এবং এই দুটি তহবিলই সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তর থেকে বিতরণ করা হতো। পরবর্তীতে কেবল একটি বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠী এই সুবিধা পাচ্ছে এমন সমালোচনার মুখে পড়ে ২০২০ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার হিন্দু পুরোহিতদের জন্যও প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা চালু করে, যা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বাড়িয়ে ২ হাজার রুপি করা হয়েছিল।
ধর্মীয় ভাতা বন্ধের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের আমলের তহবিল বিতরণে অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ দাসের তত্ত্বাবধানে এ কমিশন তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে, রাজ্যজুড়ে নারীদের ওপর হওয়া সব নির্যাতনের মামলার তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জির নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে আইপিএস দময়ন্তী সেন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যেই তাদের বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বেশ কিছু নীতিগত ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী জুন মাস থেকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া সমস্ত সরকারি আর্থিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্যের বিদ্যমান ওবিসি (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে তথ্য ও সংস্কৃতি এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের অধীন ধর্মীয় ক্যাটাগরিতে চলমান প্রকল্পগুলো বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিকদের জানান, ধর্মীয় ক্যাটাগরির অধীনে থাকা প্রকল্পগুলো চলতি মে মাসের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে এবং আগামী জুন মাস থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে, যার জন্য শিগগিরই আলাদা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এছাড়া কোটার যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জনকল্যাণমূলক কোনও কর্মসূচি ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয় বর্তমান রাজ্য সরকারের এমন অবস্থানকে রাজ্যের একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছর পর, অর্থাৎ ২০১২ সালে প্রথম ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার ঘোষণা করেছিল। তখন নিবন্ধিত ইমামদের জন্য প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ রুপি করে ভাতার ব্যবস্থা করা হয়, যা পরবর্তীতে মুয়াজ্জিনদের জন্যও সম্প্রসারিত হয় এবং এই দুটি তহবিলই সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তর থেকে বিতরণ করা হতো। পরবর্তীতে কেবল একটি বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠী এই সুবিধা পাচ্ছে এমন সমালোচনার মুখে পড়ে ২০২০ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার হিন্দু পুরোহিতদের জন্যও প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা চালু করে, যা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বাড়িয়ে ২ হাজার রুপি করা হয়েছিল।
ধর্মীয় ভাতা বন্ধের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের আমলের তহবিল বিতরণে অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ দাসের তত্ত্বাবধানে এ কমিশন তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে, রাজ্যজুড়ে নারীদের ওপর হওয়া সব নির্যাতনের মামলার তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জির নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে আইপিএস দময়ন্তী সেন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যেই তাদের বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হলো ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২২: ২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বেশ কিছু নীতিগত ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী জুন মাস থেকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া সমস্ত সরকারি আর্থিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্যের বিদ্যমান ওবিসি (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে তথ্য ও সংস্কৃতি এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের অধীন ধর্মীয় ক্যাটাগরিতে চলমান প্রকল্পগুলো বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিকদের জানান, ধর্মীয় ক্যাটাগরির অধীনে থাকা প্রকল্পগুলো চলতি মে মাসের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে এবং আগামী জুন মাস থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে, যার জন্য শিগগিরই আলাদা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এছাড়া কোটার যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জনকল্যাণমূলক কোনও কর্মসূচি ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয় বর্তমান রাজ্য সরকারের এমন অবস্থানকে রাজ্যের একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছর পর, অর্থাৎ ২০১২ সালে প্রথম ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার ঘোষণা করেছিল। তখন নিবন্ধিত ইমামদের জন্য প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ রুপি করে ভাতার ব্যবস্থা করা হয়, যা পরবর্তীতে মুয়াজ্জিনদের জন্যও সম্প্রসারিত হয় এবং এই দুটি তহবিলই সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তর থেকে বিতরণ করা হতো। পরবর্তীতে কেবল একটি বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠী এই সুবিধা পাচ্ছে এমন সমালোচনার মুখে পড়ে ২০২০ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার হিন্দু পুরোহিতদের জন্যও প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা চালু করে, যা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বাড়িয়ে ২ হাজার রুপি করা হয়েছিল।
ধর্মীয় ভাতা বন্ধের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের আমলের তহবিল বিতরণে অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ দাসের তত্ত্বাবধানে এ কমিশন তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে, রাজ্যজুড়ে নারীদের ওপর হওয়া সব নির্যাতনের মামলার তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জির নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে আইপিএস দময়ন্তী সেন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যেই তাদের বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
/এমএকে/

সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের


