রাম মন্দিরের কোটি কোটি রুপি ও সোনা-রুপার অলঙ্কার গায়েব

রাম মন্দিরের কোটি কোটি রুপি ও সোনা-রুপার অলঙ্কার গায়েব
সিজেডএন ডেস্ক

বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে নির্মিত অযোধ্যার জমকালো রাম মন্দির উদ্বোধনের আড়াই বছর পর বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে গড়ে ওঠা এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ভারতের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
নগদ অর্থ, সোনা ও রুপার গয়না আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে মন্দিরের ৬ কর্মচারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়।
পুলিশের দায়ের করা প্রাথমিক প্রতিবেদনে মোট ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জনই মন্দিরের ক্যাশ কাউন্টিং বা টাকা গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে এই ৮ জনকে সরাসরি টাকা আত্মসাৎ করতে দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে– অনুকূল মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, রামশঙ্কর মিশ্র, রামশঙ্কর যাদব, মনীশ যাদব, সুভাষ চন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং করুণেশ পাণ্ডে। এদের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি দুজন এখনো পলাতক। পলাতকদের মধ্যে অন্যতম হলেন রামশঙ্কর যাদব। তিনি রাম মন্দির ট্রাস্টের অত্যন্ত প্রভাবশালী জেনারেল সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) চম্পত রায়ের ব্যক্তিগত গাড়িচালক।
উত্তর প্রদেশ রাজ্যের অযোধ্যা শহরে ২ দশমিক ৭ একর জায়গার ওপর নির্মিত রাম মন্দির বর্তমানে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। তিনতলা এই মন্দির কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০ হাজার ভক্ত সমবেত হন। ছুটির দিন ও ধর্মীয় উৎসবে এই সংখ্যা তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। ভক্তদের দেওয়া অনুদান সংগ্রহের জন্য পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে প্রায় ৩৫টি দানবাক্স রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই ট্রাস্টের বার্ষিক আয় ছিল ৩ দশমিক ২৭ বিলিয়ন রুপি, যা আয়ের দিক থেকে এটিকে ভারতের অন্যতম ধনী মন্দিরে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি অযোধ্যার সাবেক এক স্থানীয় বিধায়ক অভিযোগ করেন, মন্দির থেকে ৭ কোটি রুপিরও বেশি অর্থ গায়েব হয়ে গেছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (এসবিআই) কর্মকর্তা এবং আমাদের ট্রাস্টের সদস্যদের উপস্থিতিতে অডিট করা হয়। এখানে কোনো ধরনের অমিল বা গরমিল পাওয়ার সুযোগ নেই।’
আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন মহিপাল সিং। তিনি আগে ট্রাস্টের হিসাবরক্ষণ দলের দায়িত্বে ছিলেন।
মহিপাল সিং দাবি করেছেন, নগদ টাকা ও মূল্যবান ধাতু গণনার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ কিছু অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয়। ৭ জুন উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেন।
তীব্র সমালোচনার মুখে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের ‘বিশেষ তদন্ত দল’ (এসআইটি) গঠন করে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সরকারের কাছে তারা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য তারা আরও কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি ভারতের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সিবিআই তদন্তের জন্য চাপ বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রধানমন্ত্রী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়ে লিখেছেন, ‘এই অনুদানগুলো সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক আয় নয়, এগুলো পবিত্র অর্ঘ্য। এই অর্থের যেকোনো ধরনের অপব্যবহার বা আত্মসাৎ কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিশ্বাসের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’

বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে নির্মিত অযোধ্যার জমকালো রাম মন্দির উদ্বোধনের আড়াই বছর পর বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে গড়ে ওঠা এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ভারতের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
নগদ অর্থ, সোনা ও রুপার গয়না আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে মন্দিরের ৬ কর্মচারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়।
পুলিশের দায়ের করা প্রাথমিক প্রতিবেদনে মোট ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জনই মন্দিরের ক্যাশ কাউন্টিং বা টাকা গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে এই ৮ জনকে সরাসরি টাকা আত্মসাৎ করতে দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে– অনুকূল মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, রামশঙ্কর মিশ্র, রামশঙ্কর যাদব, মনীশ যাদব, সুভাষ চন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং করুণেশ পাণ্ডে। এদের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি দুজন এখনো পলাতক। পলাতকদের মধ্যে অন্যতম হলেন রামশঙ্কর যাদব। তিনি রাম মন্দির ট্রাস্টের অত্যন্ত প্রভাবশালী জেনারেল সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) চম্পত রায়ের ব্যক্তিগত গাড়িচালক।
উত্তর প্রদেশ রাজ্যের অযোধ্যা শহরে ২ দশমিক ৭ একর জায়গার ওপর নির্মিত রাম মন্দির বর্তমানে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। তিনতলা এই মন্দির কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০ হাজার ভক্ত সমবেত হন। ছুটির দিন ও ধর্মীয় উৎসবে এই সংখ্যা তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। ভক্তদের দেওয়া অনুদান সংগ্রহের জন্য পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে প্রায় ৩৫টি দানবাক্স রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই ট্রাস্টের বার্ষিক আয় ছিল ৩ দশমিক ২৭ বিলিয়ন রুপি, যা আয়ের দিক থেকে এটিকে ভারতের অন্যতম ধনী মন্দিরে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি অযোধ্যার সাবেক এক স্থানীয় বিধায়ক অভিযোগ করেন, মন্দির থেকে ৭ কোটি রুপিরও বেশি অর্থ গায়েব হয়ে গেছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (এসবিআই) কর্মকর্তা এবং আমাদের ট্রাস্টের সদস্যদের উপস্থিতিতে অডিট করা হয়। এখানে কোনো ধরনের অমিল বা গরমিল পাওয়ার সুযোগ নেই।’
আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন মহিপাল সিং। তিনি আগে ট্রাস্টের হিসাবরক্ষণ দলের দায়িত্বে ছিলেন।
মহিপাল সিং দাবি করেছেন, নগদ টাকা ও মূল্যবান ধাতু গণনার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ কিছু অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয়। ৭ জুন উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেন।
তীব্র সমালোচনার মুখে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের ‘বিশেষ তদন্ত দল’ (এসআইটি) গঠন করে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সরকারের কাছে তারা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য তারা আরও কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি ভারতের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সিবিআই তদন্তের জন্য চাপ বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রধানমন্ত্রী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়ে লিখেছেন, ‘এই অনুদানগুলো সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক আয় নয়, এগুলো পবিত্র অর্ঘ্য। এই অর্থের যেকোনো ধরনের অপব্যবহার বা আত্মসাৎ কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিশ্বাসের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’

রাম মন্দিরের কোটি কোটি রুপি ও সোনা-রুপার অলঙ্কার গায়েব
সিজেডএন ডেস্ক

বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে নির্মিত অযোধ্যার জমকালো রাম মন্দির উদ্বোধনের আড়াই বছর পর বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে গড়ে ওঠা এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ভারতের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
নগদ অর্থ, সোনা ও রুপার গয়না আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে মন্দিরের ৬ কর্মচারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়।
পুলিশের দায়ের করা প্রাথমিক প্রতিবেদনে মোট ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জনই মন্দিরের ক্যাশ কাউন্টিং বা টাকা গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে এই ৮ জনকে সরাসরি টাকা আত্মসাৎ করতে দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে– অনুকূল মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, রামশঙ্কর মিশ্র, রামশঙ্কর যাদব, মনীশ যাদব, সুভাষ চন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং করুণেশ পাণ্ডে। এদের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি দুজন এখনো পলাতক। পলাতকদের মধ্যে অন্যতম হলেন রামশঙ্কর যাদব। তিনি রাম মন্দির ট্রাস্টের অত্যন্ত প্রভাবশালী জেনারেল সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) চম্পত রায়ের ব্যক্তিগত গাড়িচালক।
উত্তর প্রদেশ রাজ্যের অযোধ্যা শহরে ২ দশমিক ৭ একর জায়গার ওপর নির্মিত রাম মন্দির বর্তমানে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। তিনতলা এই মন্দির কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০ হাজার ভক্ত সমবেত হন। ছুটির দিন ও ধর্মীয় উৎসবে এই সংখ্যা তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। ভক্তদের দেওয়া অনুদান সংগ্রহের জন্য পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে প্রায় ৩৫টি দানবাক্স রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই ট্রাস্টের বার্ষিক আয় ছিল ৩ দশমিক ২৭ বিলিয়ন রুপি, যা আয়ের দিক থেকে এটিকে ভারতের অন্যতম ধনী মন্দিরে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি অযোধ্যার সাবেক এক স্থানীয় বিধায়ক অভিযোগ করেন, মন্দির থেকে ৭ কোটি রুপিরও বেশি অর্থ গায়েব হয়ে গেছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (এসবিআই) কর্মকর্তা এবং আমাদের ট্রাস্টের সদস্যদের উপস্থিতিতে অডিট করা হয়। এখানে কোনো ধরনের অমিল বা গরমিল পাওয়ার সুযোগ নেই।’
আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন মহিপাল সিং। তিনি আগে ট্রাস্টের হিসাবরক্ষণ দলের দায়িত্বে ছিলেন।
মহিপাল সিং দাবি করেছেন, নগদ টাকা ও মূল্যবান ধাতু গণনার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ কিছু অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয়। ৭ জুন উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেন।
তীব্র সমালোচনার মুখে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের ‘বিশেষ তদন্ত দল’ (এসআইটি) গঠন করে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সরকারের কাছে তারা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য তারা আরও কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি ভারতের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সিবিআই তদন্তের জন্য চাপ বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রধানমন্ত্রী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়ে লিখেছেন, ‘এই অনুদানগুলো সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক আয় নয়, এগুলো পবিত্র অর্ঘ্য। এই অর্থের যেকোনো ধরনের অপব্যবহার বা আত্মসাৎ কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিশ্বাসের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’

ভারতের ‘ভোজশালা’ প্রাঙ্গণে মসজিদ নয়, মন্দির ঘোষণা হাইকোর্টের


