রাম মন্দিরে দিয়েছেন ৪ কোটির চেক, অ্যাকাউন্টে মিললো মাত্র ৩ রুপি

রাম মন্দিরে দিয়েছেন ৪ কোটির চেক, অ্যাকাউন্টে মিললো মাত্র ৩ রুপি
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান দেওয়া চার কোটি রুপির একটি চেক ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। চেন্নাইয়ের এক নারী ভক্ত ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’কে বিশালাঙ্কের চেকটি দান করেছিলেন। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর দেখা যায় ওই অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ রুপি। পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকায় ব্যাংক চেকটি ফেরত পাঠায়।
এ ঘটনার পর ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই নারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি এত বড় অঙ্কের চেক ইস্যু করেছিলেন, নোটিশে তার কাছে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। জানা গেছে, এ চেকে জটিলতা তৈরি হলেও ওই নারী রাম মন্দিরে আলাদাভাবে ১০ হাজার রুপি নগদ দান করেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার আগে ওই নারী ট্রাস্টের কাছে একটি লিখিত নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন। তার শর্ত ছিল, এই বিশাল অর্থ যেন কেবল মন্দিরে কর্মরত কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণে ব্যয় করা হয়। তবে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাকে এ ধরনের কোনো লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিতর্ক এড়াতে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সুরাহার জন্য আলোচনার করছে।
রাম মন্দির নির্মাণ ও চালুর পর থেকে প্রতি মাসে নগদ, অনলাইন ও চেকের মাধ্যমে গড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি রুপি অনুদান জমা পড়ে। এর মধ্যে কেবল চেকের মাধ্যমেই আসে প্রায় ১ থেকে ১.৫ কোটি রুপি। এমন বিপুল অনুদান আসার ধারাবাহিকতার মধ্যেই অস্বাভাবিক এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে এল। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিবৃতি দেয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে জুন মাসে রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ চুরি ও তছরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দুই মাসের মাথায় চার কোটি রুপির ভুয়া চেক নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ল মন্দির কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

ভারতের অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান দেওয়া চার কোটি রুপির একটি চেক ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। চেন্নাইয়ের এক নারী ভক্ত ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’কে বিশালাঙ্কের চেকটি দান করেছিলেন। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর দেখা যায় ওই অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ রুপি। পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকায় ব্যাংক চেকটি ফেরত পাঠায়।
এ ঘটনার পর ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই নারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি এত বড় অঙ্কের চেক ইস্যু করেছিলেন, নোটিশে তার কাছে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। জানা গেছে, এ চেকে জটিলতা তৈরি হলেও ওই নারী রাম মন্দিরে আলাদাভাবে ১০ হাজার রুপি নগদ দান করেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার আগে ওই নারী ট্রাস্টের কাছে একটি লিখিত নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন। তার শর্ত ছিল, এই বিশাল অর্থ যেন কেবল মন্দিরে কর্মরত কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণে ব্যয় করা হয়। তবে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাকে এ ধরনের কোনো লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিতর্ক এড়াতে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সুরাহার জন্য আলোচনার করছে।
রাম মন্দির নির্মাণ ও চালুর পর থেকে প্রতি মাসে নগদ, অনলাইন ও চেকের মাধ্যমে গড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি রুপি অনুদান জমা পড়ে। এর মধ্যে কেবল চেকের মাধ্যমেই আসে প্রায় ১ থেকে ১.৫ কোটি রুপি। এমন বিপুল অনুদান আসার ধারাবাহিকতার মধ্যেই অস্বাভাবিক এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে এল। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিবৃতি দেয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে জুন মাসে রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ চুরি ও তছরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দুই মাসের মাথায় চার কোটি রুপির ভুয়া চেক নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ল মন্দির কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

রাম মন্দিরে দিয়েছেন ৪ কোটির চেক, অ্যাকাউন্টে মিললো মাত্র ৩ রুপি
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান দেওয়া চার কোটি রুপির একটি চেক ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। চেন্নাইয়ের এক নারী ভক্ত ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’কে বিশালাঙ্কের চেকটি দান করেছিলেন। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর দেখা যায় ওই অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ রুপি। পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকায় ব্যাংক চেকটি ফেরত পাঠায়।
এ ঘটনার পর ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই নারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি এত বড় অঙ্কের চেক ইস্যু করেছিলেন, নোটিশে তার কাছে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। জানা গেছে, এ চেকে জটিলতা তৈরি হলেও ওই নারী রাম মন্দিরে আলাদাভাবে ১০ হাজার রুপি নগদ দান করেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার আগে ওই নারী ট্রাস্টের কাছে একটি লিখিত নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন। তার শর্ত ছিল, এই বিশাল অর্থ যেন কেবল মন্দিরে কর্মরত কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণে ব্যয় করা হয়। তবে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাকে এ ধরনের কোনো লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিতর্ক এড়াতে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সুরাহার জন্য আলোচনার করছে।
রাম মন্দির নির্মাণ ও চালুর পর থেকে প্রতি মাসে নগদ, অনলাইন ও চেকের মাধ্যমে গড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি রুপি অনুদান জমা পড়ে। এর মধ্যে কেবল চেকের মাধ্যমেই আসে প্রায় ১ থেকে ১.৫ কোটি রুপি। এমন বিপুল অনুদান আসার ধারাবাহিকতার মধ্যেই অস্বাভাবিক এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে এল। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিবৃতি দেয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে জুন মাসে রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ চুরি ও তছরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দুই মাসের মাথায় চার কোটি রুপির ভুয়া চেক নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ল মন্দির কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

অযোধ্যার রাম মন্দিরে সিসিটিভি ফাঁকি দিয়ে কোটি রুপি আত্মসাৎ







