বাংলাদেশে হামাসের কার্যক্রম চলছে: ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে হামাসের কার্যক্রম চলছে: ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপ চলছে। এটা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে চরমপন্থী প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। একইসঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের চালানো হামলার পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ওপর ইসরায়েল নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি এই দূত।
বুধবার (১৭ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আজার বলেন, ‘আমরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছি।’ তিনি বলেন, চরমপন্থী সংগঠনগুলো ৭ অক্টোবরের হামলাকে অন্যত্র অভিযান চালানোর জন্য একটি মডেল হিসেবে দেখতে পারে।
আজার সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ঘটনায় এই অঞ্চলের সরকারগুলোর উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। এ বিষয়ে ইসরায়েল ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকারে তিনি আঞ্চলিক কূটনীতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেন এবং চরমপন্থা দমনে ইসলামাবাদের অঙ্গীকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নিজেদেরকে সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরার পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে আজার বলেন, ইসরায়েল পাকিস্তানকে বিশ্বাস করে না এবং দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন একদিকে ইসলামাবাদ আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে। অন্যদিকে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং অঞ্চলের কিছু অংশে অস্থিতিশীলতার অভিযোগের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
আজার বলেন, ‘এমন কিছু দেশ আছে যারা মনে করে শান্তির অর্থ হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা যেখানে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
তিনি যুক্তি দেন, শান্তি সম্পর্কে ইসরায়েলের ধারণা এই অঞ্চলের কিছু পক্ষের ধারণা থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন।
আজহার পাকিস্তানের প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে ইহুদি-বিদ্বেষী বয়ানকে উৎসাহিত করার অভিযোগ করেছেন।
ইরানকে নিয়ে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয়।
আঞ্চলিক কূটনীতি এবং তেহরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে চাইলে আজার বলেন, ইরানকে নিয়ে যেকোনো চুক্তিতে যেন নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং আঞ্চলিক হুমকিগুলোর সমাধান করা হয়, তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল সচেষ্ট রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক বোঝাপড়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। অন্যদিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক শক্তিগুলো দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপ চলছে। এটা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে চরমপন্থী প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। একইসঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের চালানো হামলার পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ওপর ইসরায়েল নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি এই দূত।
বুধবার (১৭ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আজার বলেন, ‘আমরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছি।’ তিনি বলেন, চরমপন্থী সংগঠনগুলো ৭ অক্টোবরের হামলাকে অন্যত্র অভিযান চালানোর জন্য একটি মডেল হিসেবে দেখতে পারে।
আজার সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ঘটনায় এই অঞ্চলের সরকারগুলোর উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। এ বিষয়ে ইসরায়েল ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকারে তিনি আঞ্চলিক কূটনীতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেন এবং চরমপন্থা দমনে ইসলামাবাদের অঙ্গীকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নিজেদেরকে সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরার পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে আজার বলেন, ইসরায়েল পাকিস্তানকে বিশ্বাস করে না এবং দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন একদিকে ইসলামাবাদ আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে। অন্যদিকে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং অঞ্চলের কিছু অংশে অস্থিতিশীলতার অভিযোগের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
আজার বলেন, ‘এমন কিছু দেশ আছে যারা মনে করে শান্তির অর্থ হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা যেখানে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
তিনি যুক্তি দেন, শান্তি সম্পর্কে ইসরায়েলের ধারণা এই অঞ্চলের কিছু পক্ষের ধারণা থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন।
আজহার পাকিস্তানের প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে ইহুদি-বিদ্বেষী বয়ানকে উৎসাহিত করার অভিযোগ করেছেন।
ইরানকে নিয়ে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয়।
আঞ্চলিক কূটনীতি এবং তেহরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে চাইলে আজার বলেন, ইরানকে নিয়ে যেকোনো চুক্তিতে যেন নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং আঞ্চলিক হুমকিগুলোর সমাধান করা হয়, তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল সচেষ্ট রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক বোঝাপড়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। অন্যদিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক শক্তিগুলো দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সূত্র: এনডিটিভি

বাংলাদেশে হামাসের কার্যক্রম চলছে: ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপ চলছে। এটা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে চরমপন্থী প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। একইসঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের চালানো হামলার পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ওপর ইসরায়েল নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি এই দূত।
বুধবার (১৭ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আজার বলেন, ‘আমরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছি।’ তিনি বলেন, চরমপন্থী সংগঠনগুলো ৭ অক্টোবরের হামলাকে অন্যত্র অভিযান চালানোর জন্য একটি মডেল হিসেবে দেখতে পারে।
আজার সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ঘটনায় এই অঞ্চলের সরকারগুলোর উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। এ বিষয়ে ইসরায়েল ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকারে তিনি আঞ্চলিক কূটনীতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেন এবং চরমপন্থা দমনে ইসলামাবাদের অঙ্গীকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নিজেদেরকে সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরার পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে আজার বলেন, ইসরায়েল পাকিস্তানকে বিশ্বাস করে না এবং দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন একদিকে ইসলামাবাদ আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে। অন্যদিকে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং অঞ্চলের কিছু অংশে অস্থিতিশীলতার অভিযোগের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
আজার বলেন, ‘এমন কিছু দেশ আছে যারা মনে করে শান্তির অর্থ হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা যেখানে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
তিনি যুক্তি দেন, শান্তি সম্পর্কে ইসরায়েলের ধারণা এই অঞ্চলের কিছু পক্ষের ধারণা থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন।
আজহার পাকিস্তানের প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে ইহুদি-বিদ্বেষী বয়ানকে উৎসাহিত করার অভিযোগ করেছেন।
ইরানকে নিয়ে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয়।
আঞ্চলিক কূটনীতি এবং তেহরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে চাইলে আজার বলেন, ইরানকে নিয়ে যেকোনো চুক্তিতে যেন নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং আঞ্চলিক হুমকিগুলোর সমাধান করা হয়, তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল সচেষ্ট রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক বোঝাপড়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। অন্যদিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যকলাপ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক শক্তিগুলো দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সূত্র: এনডিটিভি

‘অস্ত্র সমর্পণ করবে না হামাস’
ইসরায়েলকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা ‘চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে’


