অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে: ফারিয়া

অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে: ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সামাজিকমাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য, অনলাইন বুলিং এবং মিডিয়ার নারীদের নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ট্রলিং ও সামাজিকমাধ্যমে নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ফরিয়া।
অভিনেত্রীর ভাষায়, এটা একটা সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। এটা কীভাবে নির্মূল করা যাবে আমি জানি না। তবে যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থারা আসে, তবে কিছু একটা হতে পারে।
ফারিয়া বলেন, মাঝে মাঝে অযথাই খুব বাজে কমেন্ট আসে। বিশেষ করে মিডিয়ার মেয়েদের কিছু নির্দিষ্ট গালি দেওয়া হয়। একটা মানুষের মাথায় কেন আসবে যে আরেকটা মানুষ হয়তো অভিনয় করে, কিন্তু আসলে ও অভিনেত্রী না ও ‘ঐটা’।
তিনি বলেন, একজনের মাথায় তখনই ওই চিন্তাগুলো আসবে, যখন তার চিন্তাভাবনা বিকৃত হয়। একজন খারাপ কথা শুনলে এবং তার পরিবেশ ভালো না হলে তখনই আরেকজনকে নিয়ে মানুষের বাজে ভাবনা আসবে। অকারণে তো মানুষ বাজে হবে না।
অভিনেত্রী বলেন, অনলাইনে হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া বেশ জটিল। তার ভাষায়, আমাদের দেশে যেকোনো কিছুর কেস করা খুবই সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ঝামেলার। আপনি থানায় যাবেন, থানায় আপনার জিডি করে বলবে আপনি কোর্টে যান, ওখানে গিয়ে কেস করেন। এখন কোর্টে গিয়ে কেস করা, আবার এভিডেন্স দেওয়া, এটা পুরোটাই খুবই হ্যাসেলের একটা কাজ।
মিডিয়ার অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে ইন্ডাস্ট্রির অনেকের ভূমিকা রয়েছে বলে স্বীকার করেন অভিনেত্রী। ফারিয়া বলেন, এইটার পিছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেই এমন কয়েকজন চরিত্র আছে যারা এই জিনিসটা বানিয়েছে এবং তাদের জন্য আমরা সবাই কথা শুনি।’
মিডিয়ায় এরকম দুই-একজন আছে এবং ইন্ডাস্ট্রির সবাই জানে যে তারা এরকম। ফলে ওই দুই-একজনের কারণে মনে করে সবাই হয়তোবা এরকম। সবাই তো এরকম না।

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সামাজিকমাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য, অনলাইন বুলিং এবং মিডিয়ার নারীদের নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ট্রলিং ও সামাজিকমাধ্যমে নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ফরিয়া।
অভিনেত্রীর ভাষায়, এটা একটা সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। এটা কীভাবে নির্মূল করা যাবে আমি জানি না। তবে যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থারা আসে, তবে কিছু একটা হতে পারে।
ফারিয়া বলেন, মাঝে মাঝে অযথাই খুব বাজে কমেন্ট আসে। বিশেষ করে মিডিয়ার মেয়েদের কিছু নির্দিষ্ট গালি দেওয়া হয়। একটা মানুষের মাথায় কেন আসবে যে আরেকটা মানুষ হয়তো অভিনয় করে, কিন্তু আসলে ও অভিনেত্রী না ও ‘ঐটা’।
তিনি বলেন, একজনের মাথায় তখনই ওই চিন্তাগুলো আসবে, যখন তার চিন্তাভাবনা বিকৃত হয়। একজন খারাপ কথা শুনলে এবং তার পরিবেশ ভালো না হলে তখনই আরেকজনকে নিয়ে মানুষের বাজে ভাবনা আসবে। অকারণে তো মানুষ বাজে হবে না।
অভিনেত্রী বলেন, অনলাইনে হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া বেশ জটিল। তার ভাষায়, আমাদের দেশে যেকোনো কিছুর কেস করা খুবই সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ঝামেলার। আপনি থানায় যাবেন, থানায় আপনার জিডি করে বলবে আপনি কোর্টে যান, ওখানে গিয়ে কেস করেন। এখন কোর্টে গিয়ে কেস করা, আবার এভিডেন্স দেওয়া, এটা পুরোটাই খুবই হ্যাসেলের একটা কাজ।
মিডিয়ার অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে ইন্ডাস্ট্রির অনেকের ভূমিকা রয়েছে বলে স্বীকার করেন অভিনেত্রী। ফারিয়া বলেন, এইটার পিছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেই এমন কয়েকজন চরিত্র আছে যারা এই জিনিসটা বানিয়েছে এবং তাদের জন্য আমরা সবাই কথা শুনি।’
মিডিয়ায় এরকম দুই-একজন আছে এবং ইন্ডাস্ট্রির সবাই জানে যে তারা এরকম। ফলে ওই দুই-একজনের কারণে মনে করে সবাই হয়তোবা এরকম। সবাই তো এরকম না।

অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে: ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সামাজিকমাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য, অনলাইন বুলিং এবং মিডিয়ার নারীদের নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ট্রলিং ও সামাজিকমাধ্যমে নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ফরিয়া।
অভিনেত্রীর ভাষায়, এটা একটা সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। এটা কীভাবে নির্মূল করা যাবে আমি জানি না। তবে যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থারা আসে, তবে কিছু একটা হতে পারে।
ফারিয়া বলেন, মাঝে মাঝে অযথাই খুব বাজে কমেন্ট আসে। বিশেষ করে মিডিয়ার মেয়েদের কিছু নির্দিষ্ট গালি দেওয়া হয়। একটা মানুষের মাথায় কেন আসবে যে আরেকটা মানুষ হয়তো অভিনয় করে, কিন্তু আসলে ও অভিনেত্রী না ও ‘ঐটা’।
তিনি বলেন, একজনের মাথায় তখনই ওই চিন্তাগুলো আসবে, যখন তার চিন্তাভাবনা বিকৃত হয়। একজন খারাপ কথা শুনলে এবং তার পরিবেশ ভালো না হলে তখনই আরেকজনকে নিয়ে মানুষের বাজে ভাবনা আসবে। অকারণে তো মানুষ বাজে হবে না।
অভিনেত্রী বলেন, অনলাইনে হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া বেশ জটিল। তার ভাষায়, আমাদের দেশে যেকোনো কিছুর কেস করা খুবই সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ঝামেলার। আপনি থানায় যাবেন, থানায় আপনার জিডি করে বলবে আপনি কোর্টে যান, ওখানে গিয়ে কেস করেন। এখন কোর্টে গিয়ে কেস করা, আবার এভিডেন্স দেওয়া, এটা পুরোটাই খুবই হ্যাসেলের একটা কাজ।
মিডিয়ার অভিনেত্রীদের নিয়ে খারাপ ধারণার পেছনে ইন্ডাস্ট্রির অনেকের ভূমিকা রয়েছে বলে স্বীকার করেন অভিনেত্রী। ফারিয়া বলেন, এইটার পিছনে আমাদেরও ভূমিকা আছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেই এমন কয়েকজন চরিত্র আছে যারা এই জিনিসটা বানিয়েছে এবং তাদের জন্য আমরা সবাই কথা শুনি।’
মিডিয়ায় এরকম দুই-একজন আছে এবং ইন্ডাস্ট্রির সবাই জানে যে তারা এরকম। ফলে ওই দুই-একজনের কারণে মনে করে সবাই হয়তোবা এরকম। সবাই তো এরকম না।

আত্মহত্যা করলে মায়া হয়, আর ডিভোর্স দিলে বলেন খারাপ মেয়ে: ফারিয়া


