২০ দিন ধরে অনশনরত ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিলো দিল্লি পুলিশ

২০ দিন ধরে অনশনরত ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিলো দিল্লি পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

দিল্লির জন্তর মন্তরে টানা ২০ দিন অনশনের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তিনি এই অনশন করছিলেন। শনিবার (১৮ জুলাই) ভোরে পুলিশ তাকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।
দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুকের জীবন রক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। অনশনের কারণে ইতোমধ্যে তার ওজন আট কেজিরও বেশি কমে যাওয়ায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। দুদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টও এক পর্যবেক্ষণে জানান, যেকোনো নাগরিকের জীবনই মূল্যবান এবং ওয়াংচুকের জীবন বাঁচাতে কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আদালতের আদেশ পালন করতে গিয়ে ওয়াংচুককে সরিয়ে নেওয়ার সময় প্রতিবাদস্থলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা হট্টগোল তৈরি হয়। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জন্তর মন্তর এলাকাটি শান্তিপূর্ণভাবে খালি করে দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানায়।
ভারতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) নামের একটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন এ আন্দোলনের ডাক দেয়, যার সাথে সংহতি জানিয়ে ৫৯ বছর বয়সী এ জলবায়ু কর্মী অনশনে বসেন। গত কয়েকদিনে কংগ্রেসের পবন খেরা, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব এবং আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ বিরোধী নেতা ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করে তাকে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
তবে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় রয়েছেন এবং সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে সংসদ ভবন অভিমুখে বড় ধরনের মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এ আন্দোলনকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে একে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শক্তির বি-টিম বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লির জন্তর মন্তরে টানা ২০ দিন অনশনের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তিনি এই অনশন করছিলেন। শনিবার (১৮ জুলাই) ভোরে পুলিশ তাকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।
দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুকের জীবন রক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। অনশনের কারণে ইতোমধ্যে তার ওজন আট কেজিরও বেশি কমে যাওয়ায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। দুদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টও এক পর্যবেক্ষণে জানান, যেকোনো নাগরিকের জীবনই মূল্যবান এবং ওয়াংচুকের জীবন বাঁচাতে কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আদালতের আদেশ পালন করতে গিয়ে ওয়াংচুককে সরিয়ে নেওয়ার সময় প্রতিবাদস্থলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা হট্টগোল তৈরি হয়। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জন্তর মন্তর এলাকাটি শান্তিপূর্ণভাবে খালি করে দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানায়।
ভারতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) নামের একটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন এ আন্দোলনের ডাক দেয়, যার সাথে সংহতি জানিয়ে ৫৯ বছর বয়সী এ জলবায়ু কর্মী অনশনে বসেন। গত কয়েকদিনে কংগ্রেসের পবন খেরা, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব এবং আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ বিরোধী নেতা ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করে তাকে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
তবে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় রয়েছেন এবং সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে সংসদ ভবন অভিমুখে বড় ধরনের মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এ আন্দোলনকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে একে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শক্তির বি-টিম বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

২০ দিন ধরে অনশনরত ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিলো দিল্লি পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

দিল্লির জন্তর মন্তরে টানা ২০ দিন অনশনের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তিনি এই অনশন করছিলেন। শনিবার (১৮ জুলাই) ভোরে পুলিশ তাকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।
দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুকের জীবন রক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। অনশনের কারণে ইতোমধ্যে তার ওজন আট কেজিরও বেশি কমে যাওয়ায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। দুদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টও এক পর্যবেক্ষণে জানান, যেকোনো নাগরিকের জীবনই মূল্যবান এবং ওয়াংচুকের জীবন বাঁচাতে কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আদালতের আদেশ পালন করতে গিয়ে ওয়াংচুককে সরিয়ে নেওয়ার সময় প্রতিবাদস্থলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছুটা হট্টগোল তৈরি হয়। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জন্তর মন্তর এলাকাটি শান্তিপূর্ণভাবে খালি করে দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানায়।
ভারতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) নামের একটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন এ আন্দোলনের ডাক দেয়, যার সাথে সংহতি জানিয়ে ৫৯ বছর বয়সী এ জলবায়ু কর্মী অনশনে বসেন। গত কয়েকদিনে কংগ্রেসের পবন খেরা, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব এবং আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ বিরোধী নেতা ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করে তাকে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
তবে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় রয়েছেন এবং সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে সংসদ ভবন অভিমুখে বড় ধরনের মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এ আন্দোলনকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে একে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শক্তির বি-টিম বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন
চীনের যুদ্ধবিমান কেনার দিকে নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল






