ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন
সিজেডএন ডেস্ক

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন করছেন বিশিষ্ট পরিবেশ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বুধবার (১৫ জুলাই) টানা ১৮ দিনের মতো অনশন করছেন তিনি। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে।
অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন ৮ কেজিরও বেশি কমে গেছে। বিরোধীদলীয় নেতারা তাকে অনশন প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সোমবার রাতে সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গত মে মাসে ভারতে মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ওই ঘটনায় লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ওয়াংচুক অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন পালন করছেন। আন্দোলনস্থল থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনের বিরুদ্ধে এটি এক বিরল প্রতিবাদ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। হতাশায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যাও করেছেন।
মুষ্টিমেয় কিছু লোকের সামনে মঞ্চে একটি সাদা তোশকের ওপর শুয়ে আছেন ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে ইশারায় জানান, তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ওয়াংচুক এর আগে বলেছিলেন, তার মৃত্যু না হলে এই অনশন ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোনম ওয়াংচুকের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক স্তরে নেমে যাচ্ছে। তিনি ক্রমাগত মাথা ঘোরা এবং পেশি ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগছেন। সিজেপি ও বিরোধী দলীয় নেতারা অনশন প্রত্যাহারের কথা বললেও তিনি শুনতে নারাজ। চিকিৎসকরাও সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকার সিজেপির সঙ্গে সংলাপে না বসা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওয়াংচুক।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের দেওয়া এক উদ্ধৃতিতে ওয়াংচুক বলেন, ‘আমাকে অনশন ভাঙতে বলবেন না। সরকারকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা সংলাপে বসছে না।
দিপক বলেন, আমরা সোনম স্যারকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু তিনি শুনতে চাচ্ছেন না। সোনম স্যার আমাদের ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে বলছেন। আমার মনে হয়, সরকার চায় সোনম স্যার এবং অনশনরত অন্যান্য মানুষের মৃত্যু হোক।
তিনি আরও বলেন, সোনম ওয়াংচুক নিজের কাজের মাধ্যমে ভারতের জন্য বিশ্বজুড়ে সম্মান এনেছেন। আজ তিনি দেশের শিক্ষার্থীদের অধিকারের জন্য লড়াই করছেন। অথচ সরকার তার সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো মন্ত্রী বা প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। সরকারের এই চরম উদাসীনতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
এদিকে সোনম ওয়াংচুকের এই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সিজেপির মুখপাত্ররা ভারতের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ নাগরিকদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন করছেন বিশিষ্ট পরিবেশ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বুধবার (১৫ জুলাই) টানা ১৮ দিনের মতো অনশন করছেন তিনি। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে।
অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন ৮ কেজিরও বেশি কমে গেছে। বিরোধীদলীয় নেতারা তাকে অনশন প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সোমবার রাতে সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গত মে মাসে ভারতে মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ওই ঘটনায় লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ওয়াংচুক অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন পালন করছেন। আন্দোলনস্থল থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনের বিরুদ্ধে এটি এক বিরল প্রতিবাদ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। হতাশায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যাও করেছেন।
মুষ্টিমেয় কিছু লোকের সামনে মঞ্চে একটি সাদা তোশকের ওপর শুয়ে আছেন ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে ইশারায় জানান, তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ওয়াংচুক এর আগে বলেছিলেন, তার মৃত্যু না হলে এই অনশন ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোনম ওয়াংচুকের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক স্তরে নেমে যাচ্ছে। তিনি ক্রমাগত মাথা ঘোরা এবং পেশি ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগছেন। সিজেপি ও বিরোধী দলীয় নেতারা অনশন প্রত্যাহারের কথা বললেও তিনি শুনতে নারাজ। চিকিৎসকরাও সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকার সিজেপির সঙ্গে সংলাপে না বসা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওয়াংচুক।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের দেওয়া এক উদ্ধৃতিতে ওয়াংচুক বলেন, ‘আমাকে অনশন ভাঙতে বলবেন না। সরকারকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা সংলাপে বসছে না।
দিপক বলেন, আমরা সোনম স্যারকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু তিনি শুনতে চাচ্ছেন না। সোনম স্যার আমাদের ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে বলছেন। আমার মনে হয়, সরকার চায় সোনম স্যার এবং অনশনরত অন্যান্য মানুষের মৃত্যু হোক।
তিনি আরও বলেন, সোনম ওয়াংচুক নিজের কাজের মাধ্যমে ভারতের জন্য বিশ্বজুড়ে সম্মান এনেছেন। আজ তিনি দেশের শিক্ষার্থীদের অধিকারের জন্য লড়াই করছেন। অথচ সরকার তার সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো মন্ত্রী বা প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। সরকারের এই চরম উদাসীনতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
এদিকে সোনম ওয়াংচুকের এই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সিজেপির মুখপাত্ররা ভারতের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ নাগরিকদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন
সিজেডএন ডেস্ক

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন করছেন বিশিষ্ট পরিবেশ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বুধবার (১৫ জুলাই) টানা ১৮ দিনের মতো অনশন করছেন তিনি। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে।
অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন ৮ কেজিরও বেশি কমে গেছে। বিরোধীদলীয় নেতারা তাকে অনশন প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সোমবার রাতে সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গত মে মাসে ভারতে মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ওই ঘটনায় লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ওয়াংচুক অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন পালন করছেন। আন্দোলনস্থল থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনের বিরুদ্ধে এটি এক বিরল প্রতিবাদ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। হতাশায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যাও করেছেন।
মুষ্টিমেয় কিছু লোকের সামনে মঞ্চে একটি সাদা তোশকের ওপর শুয়ে আছেন ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে ইশারায় জানান, তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ওয়াংচুক এর আগে বলেছিলেন, তার মৃত্যু না হলে এই অনশন ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোনম ওয়াংচুকের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক স্তরে নেমে যাচ্ছে। তিনি ক্রমাগত মাথা ঘোরা এবং পেশি ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগছেন। সিজেপি ও বিরোধী দলীয় নেতারা অনশন প্রত্যাহারের কথা বললেও তিনি শুনতে নারাজ। চিকিৎসকরাও সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকার সিজেপির সঙ্গে সংলাপে না বসা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওয়াংচুক।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের দেওয়া এক উদ্ধৃতিতে ওয়াংচুক বলেন, ‘আমাকে অনশন ভাঙতে বলবেন না। সরকারকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা সংলাপে বসছে না।
দিপক বলেন, আমরা সোনম স্যারকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু তিনি শুনতে চাচ্ছেন না। সোনম স্যার আমাদের ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে বলছেন। আমার মনে হয়, সরকার চায় সোনম স্যার এবং অনশনরত অন্যান্য মানুষের মৃত্যু হোক।
তিনি আরও বলেন, সোনম ওয়াংচুক নিজের কাজের মাধ্যমে ভারতের জন্য বিশ্বজুড়ে সম্মান এনেছেন। আজ তিনি দেশের শিক্ষার্থীদের অধিকারের জন্য লড়াই করছেন। অথচ সরকার তার সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো মন্ত্রী বা প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। সরকারের এই চরম উদাসীনতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
এদিকে সোনম ওয়াংচুকের এই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সিজেপির মুখপাত্ররা ভারতের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ নাগরিকদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ ভারতের ‘নাইটিঙ্গেল’ এস জানকি আর নেই
ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার






