শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ আহ্বান

শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ আহ্বান
সিজেডএন ডেস্ক

ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্রদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ হিসেবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২০ জুলাই সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সরকার গঠনের পর রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে প্রধানমন্ত্রী এখন পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার সুযোগ পাননি। আগামী ২০ জুলাইয়ের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নৈশভোজের মাধ্যমে শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তবে অন্যরা বলছেন, এখনো তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছায়নি।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমি অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জেনেছি। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র আসেনি।’
যুগপৎ আন্দোলনের একটি শরিক জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনে অংশ নিয়েও যারা সংসদে কোনো আসন পায়নি, মূলত তাদের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসছেন। নির্বাচনের পর নিজেদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি—এমন অনুভূতি অনেক ছোট দলের মধ্যেই ছিল। তাদের আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকারপ্রধান সেই ক্ষোভ নিরসনের উদ্যোগ নেবেন এবং ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেবেন।

ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্রদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ হিসেবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২০ জুলাই সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সরকার গঠনের পর রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে প্রধানমন্ত্রী এখন পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার সুযোগ পাননি। আগামী ২০ জুলাইয়ের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নৈশভোজের মাধ্যমে শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তবে অন্যরা বলছেন, এখনো তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছায়নি।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমি অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জেনেছি। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র আসেনি।’
যুগপৎ আন্দোলনের একটি শরিক জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনে অংশ নিয়েও যারা সংসদে কোনো আসন পায়নি, মূলত তাদের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসছেন। নির্বাচনের পর নিজেদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি—এমন অনুভূতি অনেক ছোট দলের মধ্যেই ছিল। তাদের আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকারপ্রধান সেই ক্ষোভ নিরসনের উদ্যোগ নেবেন এবং ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেবেন।

শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ আহ্বান
সিজেডএন ডেস্ক

ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্রদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ হিসেবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২০ জুলাই সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সরকার গঠনের পর রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে প্রধানমন্ত্রী এখন পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার সুযোগ পাননি। আগামী ২০ জুলাইয়ের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নৈশভোজের মাধ্যমে শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তবে অন্যরা বলছেন, এখনো তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছায়নি।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমি অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জেনেছি। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র আসেনি।’
যুগপৎ আন্দোলনের একটি শরিক জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনে অংশ নিয়েও যারা সংসদে কোনো আসন পায়নি, মূলত তাদের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসছেন। নির্বাচনের পর নিজেদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি—এমন অনুভূতি অনেক ছোট দলের মধ্যেই ছিল। তাদের আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকারপ্রধান সেই ক্ষোভ নিরসনের উদ্যোগ নেবেন এবং ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেবেন।







