বেলজিয়ামে নর্দমা খোড়ার সময় মিললো ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণ

বেলজিয়ামে নর্দমা খোড়ার সময় মিললো ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণ
সিজেডএন ডেস্ক

বেলজিয়ামে নর্দমার পাইপ বসানোর জন্য মাটি খোঁড়ার সময় অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সিন্ট-গিলিস-ডেনডারমন্ডে মাটি খুঁড়তে গিয়ে সন্ধান মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও ঐতিহাসিক মুদ্রার। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। উদ্ধার হওয়া এই গুপ্তধনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ লাখ ইউরো (১২৭ কোটি টাকা)।
১৮ বছর বয়সী কর্মী কোবে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) কাজের সময় এর প্রথম সন্ধান পান। বেলজিয়ান নেটওয়ার্ক ভিটিএম-কে তিনি বলেন, আমি সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ওগুলো এক ইউরোর মুদ্রা। তারপর আমরা একটি স্বর্ণের বার দেখতে পাই। পরে দেখা গেল, এর মূল্য আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তিনি আরও যোগ করেন, ধনসম্পদগুলো এভাবে রেখে যাওয়া দুর্ঘটনাবশত নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রাচীন স্বর্ণ মুদ্রা এবং নম্বরযুক্ত স্বর্ণের বার। এগুলো ১৯ শতকের শেষের দিকে তৈরি একটি বিশাল ভবনের নিচে ইটের তৈরি দেয়ালের ভেতরে সিল করা ব্যাগে লুকানো ছিল। ভবনটি মূলত মদ প্রস্তুতকারক থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশের। সেখানে ১৮৯৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মদ তৈরির কাজ চলত। এমনকি সংরক্ষিত এ সম্পত্তির লোহার গেটে এখনও ভ্যান অ্যাশের আদ্যক্ষর VA খোদাই করা আছে। বর্তমানে সমাজকল্যাণ সংস্থা CAW Oost-Flaanderen এটিকে নতুন আবাসন ও কার্যালয়ে রূপান্তরের কাজ করছে। ভবনের অবস্থা নিয়ে সিএডব্লিউ-এর গিয়ার্ট হিলার্ট বলেন, ব্রাউয়ার্সহাউস একটি সুন্দর ভবন ছিল, কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত শুধু এর দেয়ালগুলোই অবশিষ্ট থাকবে।
উদ্ধারের পরপরই কর্তৃপক্ষ জায়গাটি সুরক্ষিত করে পুরো গুপ্তধন ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে। তবে এর মূল মালিক কে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র হ্যানে ওলেভিয়ার জানান, সোনাগুলো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত বা চুরি করা কি না, তা আগে খতিয়ে দেখতে হবে তদন্তকারীদের।
এ ঘটনার পেছনে এক জটিল দেওয়ানি মামলার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ভবনের ঠিকাদার, সমাজকল্যাণ সংস্থা এবং ভ্যান অ্যাশে পরিবারের বংশধররা এর সম্ভাব্য দাবিদার হতে পারেন। বেলজিয়ামের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, এমন কোনো সম্পদ পাওয়ার পর প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।
এদিকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ পেয়েও তা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে তরুণ কর্মী কোবে জানান, এত বড় একটা আবিষ্কার গোপন রাখা সম্ভব ছিল না। তিনি হাসিমুখে বলেন, যদি কয়েকটি মুদ্রা হতো, হয়তো করতাম না। কিন্তু হয়তো শেষ পর্যন্ত আমরা পুরস্কার হিসেবে কোনো একটা কিছু পাব।
সূত্র: এনডিটিভি

বেলজিয়ামে নর্দমার পাইপ বসানোর জন্য মাটি খোঁড়ার সময় অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সিন্ট-গিলিস-ডেনডারমন্ডে মাটি খুঁড়তে গিয়ে সন্ধান মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও ঐতিহাসিক মুদ্রার। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। উদ্ধার হওয়া এই গুপ্তধনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ লাখ ইউরো (১২৭ কোটি টাকা)।
১৮ বছর বয়সী কর্মী কোবে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) কাজের সময় এর প্রথম সন্ধান পান। বেলজিয়ান নেটওয়ার্ক ভিটিএম-কে তিনি বলেন, আমি সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ওগুলো এক ইউরোর মুদ্রা। তারপর আমরা একটি স্বর্ণের বার দেখতে পাই। পরে দেখা গেল, এর মূল্য আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তিনি আরও যোগ করেন, ধনসম্পদগুলো এভাবে রেখে যাওয়া দুর্ঘটনাবশত নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রাচীন স্বর্ণ মুদ্রা এবং নম্বরযুক্ত স্বর্ণের বার। এগুলো ১৯ শতকের শেষের দিকে তৈরি একটি বিশাল ভবনের নিচে ইটের তৈরি দেয়ালের ভেতরে সিল করা ব্যাগে লুকানো ছিল। ভবনটি মূলত মদ প্রস্তুতকারক থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশের। সেখানে ১৮৯৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মদ তৈরির কাজ চলত। এমনকি সংরক্ষিত এ সম্পত্তির লোহার গেটে এখনও ভ্যান অ্যাশের আদ্যক্ষর VA খোদাই করা আছে। বর্তমানে সমাজকল্যাণ সংস্থা CAW Oost-Flaanderen এটিকে নতুন আবাসন ও কার্যালয়ে রূপান্তরের কাজ করছে। ভবনের অবস্থা নিয়ে সিএডব্লিউ-এর গিয়ার্ট হিলার্ট বলেন, ব্রাউয়ার্সহাউস একটি সুন্দর ভবন ছিল, কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত শুধু এর দেয়ালগুলোই অবশিষ্ট থাকবে।
উদ্ধারের পরপরই কর্তৃপক্ষ জায়গাটি সুরক্ষিত করে পুরো গুপ্তধন ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে। তবে এর মূল মালিক কে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র হ্যানে ওলেভিয়ার জানান, সোনাগুলো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত বা চুরি করা কি না, তা আগে খতিয়ে দেখতে হবে তদন্তকারীদের।
এ ঘটনার পেছনে এক জটিল দেওয়ানি মামলার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ভবনের ঠিকাদার, সমাজকল্যাণ সংস্থা এবং ভ্যান অ্যাশে পরিবারের বংশধররা এর সম্ভাব্য দাবিদার হতে পারেন। বেলজিয়ামের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, এমন কোনো সম্পদ পাওয়ার পর প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।
এদিকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ পেয়েও তা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে তরুণ কর্মী কোবে জানান, এত বড় একটা আবিষ্কার গোপন রাখা সম্ভব ছিল না। তিনি হাসিমুখে বলেন, যদি কয়েকটি মুদ্রা হতো, হয়তো করতাম না। কিন্তু হয়তো শেষ পর্যন্ত আমরা পুরস্কার হিসেবে কোনো একটা কিছু পাব।
সূত্র: এনডিটিভি

বেলজিয়ামে নর্দমা খোড়ার সময় মিললো ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণ
সিজেডএন ডেস্ক

বেলজিয়ামে নর্দমার পাইপ বসানোর জন্য মাটি খোঁড়ার সময় অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সিন্ট-গিলিস-ডেনডারমন্ডে মাটি খুঁড়তে গিয়ে সন্ধান মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও ঐতিহাসিক মুদ্রার। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। উদ্ধার হওয়া এই গুপ্তধনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ লাখ ইউরো (১২৭ কোটি টাকা)।
১৮ বছর বয়সী কর্মী কোবে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) কাজের সময় এর প্রথম সন্ধান পান। বেলজিয়ান নেটওয়ার্ক ভিটিএম-কে তিনি বলেন, আমি সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ওগুলো এক ইউরোর মুদ্রা। তারপর আমরা একটি স্বর্ণের বার দেখতে পাই। পরে দেখা গেল, এর মূল্য আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তিনি আরও যোগ করেন, ধনসম্পদগুলো এভাবে রেখে যাওয়া দুর্ঘটনাবশত নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রাচীন স্বর্ণ মুদ্রা এবং নম্বরযুক্ত স্বর্ণের বার। এগুলো ১৯ শতকের শেষের দিকে তৈরি একটি বিশাল ভবনের নিচে ইটের তৈরি দেয়ালের ভেতরে সিল করা ব্যাগে লুকানো ছিল। ভবনটি মূলত মদ প্রস্তুতকারক থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশের। সেখানে ১৮৯৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মদ তৈরির কাজ চলত। এমনকি সংরক্ষিত এ সম্পত্তির লোহার গেটে এখনও ভ্যান অ্যাশের আদ্যক্ষর VA খোদাই করা আছে। বর্তমানে সমাজকল্যাণ সংস্থা CAW Oost-Flaanderen এটিকে নতুন আবাসন ও কার্যালয়ে রূপান্তরের কাজ করছে। ভবনের অবস্থা নিয়ে সিএডব্লিউ-এর গিয়ার্ট হিলার্ট বলেন, ব্রাউয়ার্সহাউস একটি সুন্দর ভবন ছিল, কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত শুধু এর দেয়ালগুলোই অবশিষ্ট থাকবে।
উদ্ধারের পরপরই কর্তৃপক্ষ জায়গাটি সুরক্ষিত করে পুরো গুপ্তধন ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে। তবে এর মূল মালিক কে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র হ্যানে ওলেভিয়ার জানান, সোনাগুলো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত বা চুরি করা কি না, তা আগে খতিয়ে দেখতে হবে তদন্তকারীদের।
এ ঘটনার পেছনে এক জটিল দেওয়ানি মামলার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ভবনের ঠিকাদার, সমাজকল্যাণ সংস্থা এবং ভ্যান অ্যাশে পরিবারের বংশধররা এর সম্ভাব্য দাবিদার হতে পারেন। বেলজিয়ামের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, এমন কোনো সম্পদ পাওয়ার পর প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।
এদিকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ পেয়েও তা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে তরুণ কর্মী কোবে জানান, এত বড় একটা আবিষ্কার গোপন রাখা সম্ভব ছিল না। তিনি হাসিমুখে বলেন, যদি কয়েকটি মুদ্রা হতো, হয়তো করতাম না। কিন্তু হয়তো শেষ পর্যন্ত আমরা পুরস্কার হিসেবে কোনো একটা কিছু পাব।
সূত্র: এনডিটিভি

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে বেলজিয়াম, ঝুঁকিতে জার্মান সীমান্ত





