শিরোনাম

রাশিয়ার বৃহৎ তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের হামলা

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
রাশিয়ার বৃহৎ তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের হামলা
সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি বৃহৎ তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের হামলা

রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি বৃহৎ তেল টার্মিনালে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।

শনিবার (৪ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, তেল টার্মিনালটি থেকে রাশিয়ার যুদ্ধ তহবিলের জোগান দেওয়া হতো। তেল টার্মিনালের পাশাপাশি ওই অঞ্চলের প্রধান একটি নৌঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে, সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকসান্দ্র বেগলোভ জানান, শহরটি ব্যাপক ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে এবং তেল টার্মিনালে হামলার তথ্য স্বীকার করেছেন তিনি। তবে এই হামলায় কেউ হতাহত হয়নি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাতভর দেশজুড়ে প্রায় ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি ড্রোন কেবল রাজধানীর দিকেই ধেয়ে আসছিল, যা আকাশেই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ হামলার ধকল পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বে কাপোতনিয়া এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা গ্যাজপ্রমের মালিকানাধীন একটি বিশাল তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাত হানলে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনও এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মস্কোর সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়।

এ বিধ্বংসী হামলার দায় স্বীকার করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ন্যায্য জবাব হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কিয়েভ দ্বিতীয়বারের মতো মস্কোর এ গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারটিকে লক্ষ্যবস্তু বানালো। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের পশ্চিমা অংশীদাররা তাদের এ দূরপাল্লার হামলার কার্যকারিতা লক্ষ্য করেছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ মস্কোকে শেষ পর্যন্ত কূটনীতির টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটো দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ হামলা চালানো হলো, যেখানে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিই ছিল মূল আলোচ্য বিষয়।

/এসবি/