যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি না হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি না হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ
মোসাদ্দেকুর রহমান

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল উপস্থিতি একটি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গতকাল ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, এ অবস্থার অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি তেহরানকে একটি ‘সফল ও অর্থবহ’ চুক্তির কথা বলেছেন। অন্যথায় ‘খারাপ কিছু’ ঘটবে বলে জানান তিনি।
গত জুন মাসে মার্কিন বিমান হামলার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের পারমাণবিক সম্ভাবনা ধ্বংস হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে চুক্তি না হলে আমাদের হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে হবে। আপনারা ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি জানতে পারবেন।”
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে যেকোনোভাবে চুক্তি করতেই হবে। তারা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র ইসরায়েল চায়, ইরান সম্পূর্ণভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ত্যাগ করুক, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন এবং বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করুক।
ইরান বলছে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে আলোচনা করতে চাইলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করতে রাজি নয়। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার সীমিত করার চেষ্টাকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখছে।
এদিকে হামলা হলে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরান জানায়, হামলা করলে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদ তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে লেখা এক চিঠিতে এই কথা বলেন।
চিঠিতে ট্রাম্পের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ধরনের যুদ্ধবাজ বক্তব্য, ইরানে সামরিক আগ্রাসনের ইঙ্গিত দেয়। যার পরিণতি এই অঞ্চলের ভালো হবে না এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে।
তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যাতে অবিলম্বে বল প্রয়োগের বেআইনি হুমকি বন্ধ করে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান কূটনৈতিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে অস্পষ্টতা দূর করতে চায়।
ইরাভানি সতর্ক করে বলেন, ইরানে হামলা চালানো হলে প্রতিক্রিয়া হিসেবে মার্কিন বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের ইরানে হামলার হুমকি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ ওমান উপসাগরে ইরানি নৌমহড়ায় অংশ নিয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। যৌথ মহড়ায় ইরান হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধজাহাজে বিশেষ ইউনিট মোতায়েন করেছে।
এই উত্তেজনার মধ্যে বৃহস্পতিবার পোল্যান্ড তার নাগরিকদের ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেছেন, পোল্যান্ডের নাগরিকদের সরে যাওয়ার জন্য হয়তো মাত্র কয়েক ঘন্টা সময় আছে।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল উপস্থিতি একটি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গতকাল ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, এ অবস্থার অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি তেহরানকে একটি ‘সফল ও অর্থবহ’ চুক্তির কথা বলেছেন। অন্যথায় ‘খারাপ কিছু’ ঘটবে বলে জানান তিনি।
গত জুন মাসে মার্কিন বিমান হামলার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের পারমাণবিক সম্ভাবনা ধ্বংস হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে চুক্তি না হলে আমাদের হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে হবে। আপনারা ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি জানতে পারবেন।”
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে যেকোনোভাবে চুক্তি করতেই হবে। তারা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র ইসরায়েল চায়, ইরান সম্পূর্ণভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ত্যাগ করুক, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন এবং বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করুক।
ইরান বলছে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে আলোচনা করতে চাইলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করতে রাজি নয়। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার সীমিত করার চেষ্টাকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখছে।
এদিকে হামলা হলে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরান জানায়, হামলা করলে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদ তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে লেখা এক চিঠিতে এই কথা বলেন।
চিঠিতে ট্রাম্পের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ধরনের যুদ্ধবাজ বক্তব্য, ইরানে সামরিক আগ্রাসনের ইঙ্গিত দেয়। যার পরিণতি এই অঞ্চলের ভালো হবে না এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে।
তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যাতে অবিলম্বে বল প্রয়োগের বেআইনি হুমকি বন্ধ করে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান কূটনৈতিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে অস্পষ্টতা দূর করতে চায়।
ইরাভানি সতর্ক করে বলেন, ইরানে হামলা চালানো হলে প্রতিক্রিয়া হিসেবে মার্কিন বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের ইরানে হামলার হুমকি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ ওমান উপসাগরে ইরানি নৌমহড়ায় অংশ নিয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। যৌথ মহড়ায় ইরান হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধজাহাজে বিশেষ ইউনিট মোতায়েন করেছে।
এই উত্তেজনার মধ্যে বৃহস্পতিবার পোল্যান্ড তার নাগরিকদের ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেছেন, পোল্যান্ডের নাগরিকদের সরে যাওয়ার জন্য হয়তো মাত্র কয়েক ঘন্টা সময় আছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি না হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ
মোসাদ্দেকুর রহমান

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল উপস্থিতি একটি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গতকাল ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, এ অবস্থার অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি তেহরানকে একটি ‘সফল ও অর্থবহ’ চুক্তির কথা বলেছেন। অন্যথায় ‘খারাপ কিছু’ ঘটবে বলে জানান তিনি।
গত জুন মাসে মার্কিন বিমান হামলার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের পারমাণবিক সম্ভাবনা ধ্বংস হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে চুক্তি না হলে আমাদের হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে হবে। আপনারা ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি জানতে পারবেন।”
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে যেকোনোভাবে চুক্তি করতেই হবে। তারা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র ইসরায়েল চায়, ইরান সম্পূর্ণভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ত্যাগ করুক, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন এবং বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করুক।
ইরান বলছে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে আলোচনা করতে চাইলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করতে রাজি নয়। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার সীমিত করার চেষ্টাকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখছে।
এদিকে হামলা হলে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরান জানায়, হামলা করলে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদ তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে লেখা এক চিঠিতে এই কথা বলেন।
চিঠিতে ট্রাম্পের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ধরনের যুদ্ধবাজ বক্তব্য, ইরানে সামরিক আগ্রাসনের ইঙ্গিত দেয়। যার পরিণতি এই অঞ্চলের ভালো হবে না এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে।
তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যাতে অবিলম্বে বল প্রয়োগের বেআইনি হুমকি বন্ধ করে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান কূটনৈতিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে অস্পষ্টতা দূর করতে চায়।
ইরাভানি সতর্ক করে বলেন, ইরানে হামলা চালানো হলে প্রতিক্রিয়া হিসেবে মার্কিন বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের ইরানে হামলার হুমকি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ ওমান উপসাগরে ইরানি নৌমহড়ায় অংশ নিয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। যৌথ মহড়ায় ইরান হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধজাহাজে বিশেষ ইউনিট মোতায়েন করেছে।
এই উত্তেজনার মধ্যে বৃহস্পতিবার পোল্যান্ড তার নাগরিকদের ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেছেন, পোল্যান্ডের নাগরিকদের সরে যাওয়ার জন্য হয়তো মাত্র কয়েক ঘন্টা সময় আছে।
সূত্র: রয়টার্স




