চীনে ভূমিধসে নিহত এক, নিখোঁজ ১১

চীনে ভূমিধসে নিহত এক, নিখোঁজ ১১
সিজেডএন ডেস্ক

টাইফুন সাউডেলের প্রভাবে চীনে মুষলধারে বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। দেশটির জিয়াংসি প্রদেশের সুইচুয়ান কাউন্টির গাওপিং শহরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১২টি ঘরবাড়ি মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকারী দল।
দুর্যোগের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে অন্য এলাকাগুলোতেও। টাইফুনের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ফুজিয়ান ও গুয়াংডং প্রদেশের বহু ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি চা বাগান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফুডিং এলাকায় কোমরপানিতে নেমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বৃদ্ধ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন। অন্যদিকে জিনশি গ্রামে আকস্মিক পানির তোড়ে একটি তিনতলা ভবন ধসে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ও ঝুঁকি কমাতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব স্কুল, পর্যটন কেন্দ্র এবং অন্তত ২৪টি ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে।
চীনে চলমান এ সাউডেলের আঘাতের মাত্র কয়েকদিন আগে ২৬শে আগস্ট নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হেনেছিল। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি, বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নেপাল পুলিশ তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করেছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালে মৃতের সংখ্যা একলাফে বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে। শুধু প্রাণহানিই নয়, বন্যাপরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পানীয় জলের মারাত্মক সংকট এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুরো এলাকা এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
একই দুর্যোগে তিব্বতে চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বত অংশের সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। সেখানে এখনো প্রায় ৫৩১ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

টাইফুন সাউডেলের প্রভাবে চীনে মুষলধারে বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। দেশটির জিয়াংসি প্রদেশের সুইচুয়ান কাউন্টির গাওপিং শহরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১২টি ঘরবাড়ি মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকারী দল।
দুর্যোগের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে অন্য এলাকাগুলোতেও। টাইফুনের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ফুজিয়ান ও গুয়াংডং প্রদেশের বহু ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি চা বাগান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফুডিং এলাকায় কোমরপানিতে নেমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বৃদ্ধ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন। অন্যদিকে জিনশি গ্রামে আকস্মিক পানির তোড়ে একটি তিনতলা ভবন ধসে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ও ঝুঁকি কমাতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব স্কুল, পর্যটন কেন্দ্র এবং অন্তত ২৪টি ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে।
চীনে চলমান এ সাউডেলের আঘাতের মাত্র কয়েকদিন আগে ২৬শে আগস্ট নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হেনেছিল। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি, বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নেপাল পুলিশ তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করেছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালে মৃতের সংখ্যা একলাফে বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে। শুধু প্রাণহানিই নয়, বন্যাপরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পানীয় জলের মারাত্মক সংকট এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুরো এলাকা এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
একই দুর্যোগে তিব্বতে চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বত অংশের সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। সেখানে এখনো প্রায় ৫৩১ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

চীনে ভূমিধসে নিহত এক, নিখোঁজ ১১
সিজেডএন ডেস্ক

টাইফুন সাউডেলের প্রভাবে চীনে মুষলধারে বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। দেশটির জিয়াংসি প্রদেশের সুইচুয়ান কাউন্টির গাওপিং শহরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১২টি ঘরবাড়ি মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকারী দল।
দুর্যোগের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে অন্য এলাকাগুলোতেও। টাইফুনের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ফুজিয়ান ও গুয়াংডং প্রদেশের বহু ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি চা বাগান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফুডিং এলাকায় কোমরপানিতে নেমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বৃদ্ধ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন। অন্যদিকে জিনশি গ্রামে আকস্মিক পানির তোড়ে একটি তিনতলা ভবন ধসে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ও ঝুঁকি কমাতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব স্কুল, পর্যটন কেন্দ্র এবং অন্তত ২৪টি ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে।
চীনে চলমান এ সাউডেলের আঘাতের মাত্র কয়েকদিন আগে ২৬শে আগস্ট নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হেনেছিল। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি, বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নেপাল পুলিশ তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করেছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালে মৃতের সংখ্যা একলাফে বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে। শুধু প্রাণহানিই নয়, বন্যাপরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পানীয় জলের মারাত্মক সংকট এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুরো এলাকা এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
একই দুর্যোগে তিব্বতে চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বত অংশের সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। সেখানে এখনো প্রায় ৫৩১ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

নেপালে ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার 







