ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে না দিলে বড় সমাবেশের হুঁশিয়ারি

ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে না দিলে বড় সমাবেশের হুঁশিয়ারি
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আর আদিয়ালা কারাগারে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি। তিনি জানান, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেলে ওই দিন ২০ লাখ লোকের সমাবেশ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কারাগারের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সরকার নিজের উদ্যোগে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত না করলে ২৭ সেপ্টেম্বরের আগে তিনি আর আদিয়ালামুখী হবেন না। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আদিয়ালা জেলের বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করে আফ্রিদি বলেন, জেলের বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই তাকে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে দিতে চায় না। তিনি জানান, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে সপ্তাহে দুবার সাক্ষাতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও জেল প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করছে না। আদালতের আদেশ অমান্য করা এবং সরকারের নীরব ভূমিকাকে দায়বদ্ধ করে তিনি বলেন, জনগণের করের টাকায় চলা এসব অকার্যকর সরকারি অফিস স্রেফ অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাই এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই শ্রেয়।
কারাগারের সামনে দেওয়া হুঁশিয়ারির পরপরই দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেন পিটিআই-এর এ শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের অনুমতি দেওয়া না হলে পূর্বঘোষিত ডি-চক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাকিস্তানজুড়ে রাজপথ অবরোধ শুরু করবেন দলীয় কর্মীরা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে সর্বস্তরের মানুষকে রাস্তায় নামার আহ্বানও জানান তিনি। পিটিআইয়ের এ নেতা বলেন, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার ওপর চলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেওয়াই এ প্রতিবাদের মূল উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান চত্বরে পিটিআই কর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগানে স্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করেছেন।
সোহেল আফ্রিদি বলেন, এমনকি সরকারের মন্ত্রীরাও এখন স্বীকার করছেন দেশের পুরো ব্যবস্থা ধসে পড়েছে। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পেয়েও বর্তমান সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আফ্রিদির মতে, বর্তমানে সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা কেবল ইমরান খানেরই রয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরকে কর্তৃপক্ষের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হিসেবে আখ্যা দিয়ে কেপি-র মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওই দিন তিনি ২০ লাখের বেশি সমর্থক নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে বিশাল পদযাত্রা করবেন। তিনি জানান, অল্প সময়ের নোটিশে খাইবার জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করে জনগণ রাজপথে নামতে মুখিয়ে আছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রবিবার (১৬ আগস্ট) বান্নুতেও বড় ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশবাসীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের পদযাত্রার দিকে নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান ও পিটিআই-এর পতাকা বহনকারী প্রতিটি মানুষকেই ইমরান খানের সমর্থক হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: ডন

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আর আদিয়ালা কারাগারে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি। তিনি জানান, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেলে ওই দিন ২০ লাখ লোকের সমাবেশ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কারাগারের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সরকার নিজের উদ্যোগে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত না করলে ২৭ সেপ্টেম্বরের আগে তিনি আর আদিয়ালামুখী হবেন না। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আদিয়ালা জেলের বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করে আফ্রিদি বলেন, জেলের বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই তাকে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে দিতে চায় না। তিনি জানান, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে সপ্তাহে দুবার সাক্ষাতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও জেল প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করছে না। আদালতের আদেশ অমান্য করা এবং সরকারের নীরব ভূমিকাকে দায়বদ্ধ করে তিনি বলেন, জনগণের করের টাকায় চলা এসব অকার্যকর সরকারি অফিস স্রেফ অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাই এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই শ্রেয়।
কারাগারের সামনে দেওয়া হুঁশিয়ারির পরপরই দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেন পিটিআই-এর এ শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের অনুমতি দেওয়া না হলে পূর্বঘোষিত ডি-চক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাকিস্তানজুড়ে রাজপথ অবরোধ শুরু করবেন দলীয় কর্মীরা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে সর্বস্তরের মানুষকে রাস্তায় নামার আহ্বানও জানান তিনি। পিটিআইয়ের এ নেতা বলেন, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার ওপর চলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেওয়াই এ প্রতিবাদের মূল উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান চত্বরে পিটিআই কর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগানে স্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করেছেন।
সোহেল আফ্রিদি বলেন, এমনকি সরকারের মন্ত্রীরাও এখন স্বীকার করছেন দেশের পুরো ব্যবস্থা ধসে পড়েছে। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পেয়েও বর্তমান সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আফ্রিদির মতে, বর্তমানে সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা কেবল ইমরান খানেরই রয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরকে কর্তৃপক্ষের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হিসেবে আখ্যা দিয়ে কেপি-র মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওই দিন তিনি ২০ লাখের বেশি সমর্থক নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে বিশাল পদযাত্রা করবেন। তিনি জানান, অল্প সময়ের নোটিশে খাইবার জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করে জনগণ রাজপথে নামতে মুখিয়ে আছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রবিবার (১৬ আগস্ট) বান্নুতেও বড় ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশবাসীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের পদযাত্রার দিকে নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান ও পিটিআই-এর পতাকা বহনকারী প্রতিটি মানুষকেই ইমরান খানের সমর্থক হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: ডন

ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে না দিলে বড় সমাবেশের হুঁশিয়ারি
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আর আদিয়ালা কারাগারে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি। তিনি জানান, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেলে ওই দিন ২০ লাখ লোকের সমাবেশ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কারাগারের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সরকার নিজের উদ্যোগে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত না করলে ২৭ সেপ্টেম্বরের আগে তিনি আর আদিয়ালামুখী হবেন না। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আদিয়ালা জেলের বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করে আফ্রিদি বলেন, জেলের বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই তাকে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে দিতে চায় না। তিনি জানান, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে সপ্তাহে দুবার সাক্ষাতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও জেল প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করছে না। আদালতের আদেশ অমান্য করা এবং সরকারের নীরব ভূমিকাকে দায়বদ্ধ করে তিনি বলেন, জনগণের করের টাকায় চলা এসব অকার্যকর সরকারি অফিস স্রেফ অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাই এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই শ্রেয়।
কারাগারের সামনে দেওয়া হুঁশিয়ারির পরপরই দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেন পিটিআই-এর এ শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের অনুমতি দেওয়া না হলে পূর্বঘোষিত ডি-চক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাকিস্তানজুড়ে রাজপথ অবরোধ শুরু করবেন দলীয় কর্মীরা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে সর্বস্তরের মানুষকে রাস্তায় নামার আহ্বানও জানান তিনি। পিটিআইয়ের এ নেতা বলেন, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার ওপর চলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেওয়াই এ প্রতিবাদের মূল উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান চত্বরে পিটিআই কর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগানে স্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করেছেন।
সোহেল আফ্রিদি বলেন, এমনকি সরকারের মন্ত্রীরাও এখন স্বীকার করছেন দেশের পুরো ব্যবস্থা ধসে পড়েছে। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পেয়েও বর্তমান সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আফ্রিদির মতে, বর্তমানে সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা কেবল ইমরান খানেরই রয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরকে কর্তৃপক্ষের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হিসেবে আখ্যা দিয়ে কেপি-র মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওই দিন তিনি ২০ লাখের বেশি সমর্থক নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে বিশাল পদযাত্রা করবেন। তিনি জানান, অল্প সময়ের নোটিশে খাইবার জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করে জনগণ রাজপথে নামতে মুখিয়ে আছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রবিবার (১৬ আগস্ট) বান্নুতেও বড় ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশবাসীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের পদযাত্রার দিকে নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান ও পিটিআই-এর পতাকা বহনকারী প্রতিটি মানুষকেই ইমরান খানের সমর্থক হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: ডন

পাকিস্তানে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে গুলি, হতাহত ৮৭






