বিক্ষোভে সরকার পতনের ছয় মাস পর নেপালে সাধারণ নির্বাচন

বিক্ষোভে সরকার পতনের ছয় মাস পর নেপালে সাধারণ নির্বাচন
সিটিজেন ডেস্ক

তরুণদের নেতৃত্বে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও সহিংসতায় ৭৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর নতুন পার্লামেন্ট সদস্য বেছে নিতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে হিমালয়ের কোলে থাকা দেশ নেপাল। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
চীন ও ভারতের মাঝে অবস্থিত প্রায় ৩ কোটি মানুষের এই দেশটি কয়েক দশক ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, বেকারত্ব বাড়ছে এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এসব ইস্যু ঘিরে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিস্ফোরিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই সহিংসতায় ৭৭ জনের মৃত্যু ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে পদত্যাগ করতে হয়।

নির্বাচনে লড়াইয়ে পুরোনো ও নতুন দল
মধ্যপন্থি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট বা ইউএমএল)-এর নেতা কে পি শর্মা ওলি এবারের নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়েছেন। তার সঙ্গে লড়ছেন ৬৫টি দলের তিন হাজার চার শতাধিক প্রার্থী।
৪৯ বছর বয়সী গগন থাপার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে নেপালের সবচেয়ে পুরোনো দল নেপালি কংগ্রেস। এ ছাড়া মাওবাদী বিদ্রোহের পথ ছেড়ে মূলধারার রাজনীতিতে আসা নেপালি কমিউনিস্ট পার্টিও (এনসিপি) নির্বাচনে রয়েছে।
গত তিন দশক ধরে এই তিন দলই নেপালের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গত ৩৫ বছরে দেশটি ৩২ বার সরকার পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে।
তরুণদের ভরসা নতুন দলে
তবে এবারের নির্বাচনে আলোচনায় রয়েছে তিন বছর আগে গঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। দলটি তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহকে।
৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই বেশি পরিচিত, কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র। তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিপুল তরুণের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। অনলাইন ও অফলাইনে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন তিনি। তিনি কে পি শর্মা ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভারত সীমান্তবর্তী একটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক পুরঞ্জন আচার্য বলেন, জেন-জি বিক্ষোভে তরুণদের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল, তা পূরণে এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি নতুন নেতৃত্ব তা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
মিশ্র পদ্ধতিতে নির্বাচন
নেপালের পার্লামেন্টের ২৭৫ সদস্য বেছে নিতে এবার প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থায় এর মধ্যে ১৬৫ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন সরাসরি আসনভিত্তিক ভোটে এবং বাকি ১১০ জন নির্বাচিত হবেন সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে।
ভোটগ্রহণ শেষে সঙ্গে সঙ্গে গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক ফলাফল শুক্রবার (৬ মার্চ) জানা যেতে পারে। তবে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি থাকায় পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পেতে এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
ভোটারদের প্রত্যাশা ও দ্বিধা
ওলির পদত্যাগের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ভোট দেওয়া মানে শুধু কাউকে জিতিয়ে দেওয়া নয়; এটি আপনার এবং আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত।
গত বছরের বিক্ষোভে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতি দমন এবং সুশাসনের দাবি জোরালো হয়েছিল। এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রায় সব প্রার্থীই এসব দাবি পূরণের অঙ্গীকার করেছেন। তবে এত প্রতিশ্রুতির পরও অনেক ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি সংবাদপত্রের দোকানে রাজনৈতিক আলোচনা করতে গিয়ে ৫০ বছর বয়সী রামকৃষ্ণ পান্ডে বলেন, পুরোনো দলগুলো দুর্নীতি ছাড়া কিছু করেনি। নতুন দলগুলোকেও খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কাকে ভোট দেব, এখনও ঠিক করতে পারিনি।

তরুণদের নেতৃত্বে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও সহিংসতায় ৭৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর নতুন পার্লামেন্ট সদস্য বেছে নিতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে হিমালয়ের কোলে থাকা দেশ নেপাল। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
চীন ও ভারতের মাঝে অবস্থিত প্রায় ৩ কোটি মানুষের এই দেশটি কয়েক দশক ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, বেকারত্ব বাড়ছে এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এসব ইস্যু ঘিরে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিস্ফোরিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই সহিংসতায় ৭৭ জনের মৃত্যু ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে পদত্যাগ করতে হয়।

নির্বাচনে লড়াইয়ে পুরোনো ও নতুন দল
মধ্যপন্থি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট বা ইউএমএল)-এর নেতা কে পি শর্মা ওলি এবারের নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়েছেন। তার সঙ্গে লড়ছেন ৬৫টি দলের তিন হাজার চার শতাধিক প্রার্থী।
৪৯ বছর বয়সী গগন থাপার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে নেপালের সবচেয়ে পুরোনো দল নেপালি কংগ্রেস। এ ছাড়া মাওবাদী বিদ্রোহের পথ ছেড়ে মূলধারার রাজনীতিতে আসা নেপালি কমিউনিস্ট পার্টিও (এনসিপি) নির্বাচনে রয়েছে।
গত তিন দশক ধরে এই তিন দলই নেপালের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গত ৩৫ বছরে দেশটি ৩২ বার সরকার পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে।
তরুণদের ভরসা নতুন দলে
তবে এবারের নির্বাচনে আলোচনায় রয়েছে তিন বছর আগে গঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। দলটি তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহকে।
৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই বেশি পরিচিত, কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র। তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিপুল তরুণের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। অনলাইন ও অফলাইনে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন তিনি। তিনি কে পি শর্মা ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভারত সীমান্তবর্তী একটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক পুরঞ্জন আচার্য বলেন, জেন-জি বিক্ষোভে তরুণদের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল, তা পূরণে এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি নতুন নেতৃত্ব তা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
মিশ্র পদ্ধতিতে নির্বাচন
নেপালের পার্লামেন্টের ২৭৫ সদস্য বেছে নিতে এবার প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থায় এর মধ্যে ১৬৫ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন সরাসরি আসনভিত্তিক ভোটে এবং বাকি ১১০ জন নির্বাচিত হবেন সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে।
ভোটগ্রহণ শেষে সঙ্গে সঙ্গে গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক ফলাফল শুক্রবার (৬ মার্চ) জানা যেতে পারে। তবে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি থাকায় পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পেতে এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
ভোটারদের প্রত্যাশা ও দ্বিধা
ওলির পদত্যাগের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ভোট দেওয়া মানে শুধু কাউকে জিতিয়ে দেওয়া নয়; এটি আপনার এবং আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত।
গত বছরের বিক্ষোভে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতি দমন এবং সুশাসনের দাবি জোরালো হয়েছিল। এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রায় সব প্রার্থীই এসব দাবি পূরণের অঙ্গীকার করেছেন। তবে এত প্রতিশ্রুতির পরও অনেক ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি সংবাদপত্রের দোকানে রাজনৈতিক আলোচনা করতে গিয়ে ৫০ বছর বয়সী রামকৃষ্ণ পান্ডে বলেন, পুরোনো দলগুলো দুর্নীতি ছাড়া কিছু করেনি। নতুন দলগুলোকেও খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কাকে ভোট দেব, এখনও ঠিক করতে পারিনি।

বিক্ষোভে সরকার পতনের ছয় মাস পর নেপালে সাধারণ নির্বাচন
সিটিজেন ডেস্ক

তরুণদের নেতৃত্বে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও সহিংসতায় ৭৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর নতুন পার্লামেন্ট সদস্য বেছে নিতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে হিমালয়ের কোলে থাকা দেশ নেপাল। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
চীন ও ভারতের মাঝে অবস্থিত প্রায় ৩ কোটি মানুষের এই দেশটি কয়েক দশক ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, বেকারত্ব বাড়ছে এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এসব ইস্যু ঘিরে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিস্ফোরিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই সহিংসতায় ৭৭ জনের মৃত্যু ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে পদত্যাগ করতে হয়।

নির্বাচনে লড়াইয়ে পুরোনো ও নতুন দল
মধ্যপন্থি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট বা ইউএমএল)-এর নেতা কে পি শর্মা ওলি এবারের নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়েছেন। তার সঙ্গে লড়ছেন ৬৫টি দলের তিন হাজার চার শতাধিক প্রার্থী।
৪৯ বছর বয়সী গগন থাপার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে নেপালের সবচেয়ে পুরোনো দল নেপালি কংগ্রেস। এ ছাড়া মাওবাদী বিদ্রোহের পথ ছেড়ে মূলধারার রাজনীতিতে আসা নেপালি কমিউনিস্ট পার্টিও (এনসিপি) নির্বাচনে রয়েছে।
গত তিন দশক ধরে এই তিন দলই নেপালের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গত ৩৫ বছরে দেশটি ৩২ বার সরকার পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে।
তরুণদের ভরসা নতুন দলে
তবে এবারের নির্বাচনে আলোচনায় রয়েছে তিন বছর আগে গঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। দলটি তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহকে।
৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই বেশি পরিচিত, কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র। তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিপুল তরুণের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। অনলাইন ও অফলাইনে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন তিনি। তিনি কে পি শর্মা ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভারত সীমান্তবর্তী একটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক পুরঞ্জন আচার্য বলেন, জেন-জি বিক্ষোভে তরুণদের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল, তা পূরণে এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি নতুন নেতৃত্ব তা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
মিশ্র পদ্ধতিতে নির্বাচন
নেপালের পার্লামেন্টের ২৭৫ সদস্য বেছে নিতে এবার প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থায় এর মধ্যে ১৬৫ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন সরাসরি আসনভিত্তিক ভোটে এবং বাকি ১১০ জন নির্বাচিত হবেন সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে।
ভোটগ্রহণ শেষে সঙ্গে সঙ্গে গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক ফলাফল শুক্রবার (৬ মার্চ) জানা যেতে পারে। তবে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি থাকায় পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পেতে এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
ভোটারদের প্রত্যাশা ও দ্বিধা
ওলির পদত্যাগের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ভোট দেওয়া মানে শুধু কাউকে জিতিয়ে দেওয়া নয়; এটি আপনার এবং আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত।
গত বছরের বিক্ষোভে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতি দমন এবং সুশাসনের দাবি জোরালো হয়েছিল। এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রায় সব প্রার্থীই এসব দাবি পূরণের অঙ্গীকার করেছেন। তবে এত প্রতিশ্রুতির পরও অনেক ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি সংবাদপত্রের দোকানে রাজনৈতিক আলোচনা করতে গিয়ে ৫০ বছর বয়সী রামকৃষ্ণ পান্ডে বলেন, পুরোনো দলগুলো দুর্নীতি ছাড়া কিছু করেনি। নতুন দলগুলোকেও খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কাকে ভোট দেব, এখনও ঠিক করতে পারিনি।




