যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মোকাবিলায় মরুভূমিতে চীনের বিশাল কর্মযজ্ঞ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মোকাবিলায় মরুভূমিতে চীনের বিশাল কর্মযজ্ঞ
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের উত্তর-পশ্চিমের দুর্গম মরুভূমিতে একটি বিশাল সামরিক অবকাঠামো গড়ে উঠছে, যা দেশটির পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অভূতপূর্ব মাত্রায় শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রথম দফার পারমাণবিক হামলা সামলে নিয়ে বেইজিং যেন পাল্টা আঘাত হানতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এ সুরক্ষিত ও দীর্ঘস্থায়ী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের কাছে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানার মতো আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও, নতুন এ অবকাঠামো তাদের ভূমি-ভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীকে আরও অনেক বেশি টেকসই করবে। জিনজিয়াং প্রদেশের হামি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাছে সম্প্রতি প্রায় ৮০টিরও বেশি নতুন উৎক্ষেপণ মঞ্চ এবং তিনটি বড় অষ্টভুজাকৃতির সামরিক স্থাপনা শনাক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এ মঞ্চগুলো মূলত ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ও বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এবং অষ্টভুজাকৃতির স্থাপনাগুলো ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, যোগাযোগ ও সামরিক কমান্ডের কাজে ব্যবহৃত হবে। হাওয়াইয়ের প্যাসিফিক ফোরাম থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সহযোগী ফেলো আলেকজান্ডার নিল জানান, সাইলো ক্ষেত্রগুলোর বাইরে হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমি জুড়ে এ বিশাল অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি মূলত চীনের কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যায়নের ইঙ্গিত।
বিশ্বের অন্য দুই শীর্ষ পারমাণবিক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিশাল অস্ত্রাগার থাকলেও, ঘাঁটির সুরক্ষায় এমন ব্যাপক ও নিশ্ছিদ্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক তৈরির নজির বিরল। বছরের পর বছর বৈশ্বিক পারমাণবিক কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা বিশ্লেষক হ্যান্স ক্রিস্টেনসেন এ কর্মযজ্ঞকে অসাধারণ ও নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এদিকে, চীনের এ দ্রুত সামরিক আধুনিকীকরণ ও পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে সিঙ্গাপুরে আয়োজিত এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও ঐতিহাসিক সামরিক উত্থান আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে গভীর অস্বস্তি তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সাথে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না এবং এ অঞ্চলে কোনো অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
যদিও চীন সবসময় দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক নীতি কেবলই প্রতিরক্ষামূলক এবং তারা প্রথমে ব্যবহার না করার নীতিতে বিশ্বাসী। তবে পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, তাইওয়ান ইস্যুতে বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকাতে বেইজিং এ শক্তির প্রদর্শন করছে। সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাইওয়ান নিয়ে সতর্ক করে এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের এ স্যাটেলাইট তথ্যের বিষয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মার্কিন পেন্টাগন কোনো পক্ষই আপাতত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

চীনের উত্তর-পশ্চিমের দুর্গম মরুভূমিতে একটি বিশাল সামরিক অবকাঠামো গড়ে উঠছে, যা দেশটির পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অভূতপূর্ব মাত্রায় শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রথম দফার পারমাণবিক হামলা সামলে নিয়ে বেইজিং যেন পাল্টা আঘাত হানতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এ সুরক্ষিত ও দীর্ঘস্থায়ী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের কাছে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানার মতো আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও, নতুন এ অবকাঠামো তাদের ভূমি-ভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীকে আরও অনেক বেশি টেকসই করবে। জিনজিয়াং প্রদেশের হামি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাছে সম্প্রতি প্রায় ৮০টিরও বেশি নতুন উৎক্ষেপণ মঞ্চ এবং তিনটি বড় অষ্টভুজাকৃতির সামরিক স্থাপনা শনাক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এ মঞ্চগুলো মূলত ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ও বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এবং অষ্টভুজাকৃতির স্থাপনাগুলো ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, যোগাযোগ ও সামরিক কমান্ডের কাজে ব্যবহৃত হবে। হাওয়াইয়ের প্যাসিফিক ফোরাম থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সহযোগী ফেলো আলেকজান্ডার নিল জানান, সাইলো ক্ষেত্রগুলোর বাইরে হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমি জুড়ে এ বিশাল অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি মূলত চীনের কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যায়নের ইঙ্গিত।
বিশ্বের অন্য দুই শীর্ষ পারমাণবিক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিশাল অস্ত্রাগার থাকলেও, ঘাঁটির সুরক্ষায় এমন ব্যাপক ও নিশ্ছিদ্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক তৈরির নজির বিরল। বছরের পর বছর বৈশ্বিক পারমাণবিক কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা বিশ্লেষক হ্যান্স ক্রিস্টেনসেন এ কর্মযজ্ঞকে অসাধারণ ও নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এদিকে, চীনের এ দ্রুত সামরিক আধুনিকীকরণ ও পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে সিঙ্গাপুরে আয়োজিত এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও ঐতিহাসিক সামরিক উত্থান আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে গভীর অস্বস্তি তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সাথে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না এবং এ অঞ্চলে কোনো অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
যদিও চীন সবসময় দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক নীতি কেবলই প্রতিরক্ষামূলক এবং তারা প্রথমে ব্যবহার না করার নীতিতে বিশ্বাসী। তবে পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, তাইওয়ান ইস্যুতে বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকাতে বেইজিং এ শক্তির প্রদর্শন করছে। সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাইওয়ান নিয়ে সতর্ক করে এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের এ স্যাটেলাইট তথ্যের বিষয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মার্কিন পেন্টাগন কোনো পক্ষই আপাতত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মোকাবিলায় মরুভূমিতে চীনের বিশাল কর্মযজ্ঞ
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের উত্তর-পশ্চিমের দুর্গম মরুভূমিতে একটি বিশাল সামরিক অবকাঠামো গড়ে উঠছে, যা দেশটির পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অভূতপূর্ব মাত্রায় শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রথম দফার পারমাণবিক হামলা সামলে নিয়ে বেইজিং যেন পাল্টা আঘাত হানতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এ সুরক্ষিত ও দীর্ঘস্থায়ী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের কাছে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানার মতো আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও, নতুন এ অবকাঠামো তাদের ভূমি-ভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীকে আরও অনেক বেশি টেকসই করবে। জিনজিয়াং প্রদেশের হামি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাছে সম্প্রতি প্রায় ৮০টিরও বেশি নতুন উৎক্ষেপণ মঞ্চ এবং তিনটি বড় অষ্টভুজাকৃতির সামরিক স্থাপনা শনাক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এ মঞ্চগুলো মূলত ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ও বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এবং অষ্টভুজাকৃতির স্থাপনাগুলো ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, যোগাযোগ ও সামরিক কমান্ডের কাজে ব্যবহৃত হবে। হাওয়াইয়ের প্যাসিফিক ফোরাম থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সহযোগী ফেলো আলেকজান্ডার নিল জানান, সাইলো ক্ষেত্রগুলোর বাইরে হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমি জুড়ে এ বিশাল অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি মূলত চীনের কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যায়নের ইঙ্গিত।
বিশ্বের অন্য দুই শীর্ষ পারমাণবিক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিশাল অস্ত্রাগার থাকলেও, ঘাঁটির সুরক্ষায় এমন ব্যাপক ও নিশ্ছিদ্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক তৈরির নজির বিরল। বছরের পর বছর বৈশ্বিক পারমাণবিক কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা বিশ্লেষক হ্যান্স ক্রিস্টেনসেন এ কর্মযজ্ঞকে অসাধারণ ও নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এদিকে, চীনের এ দ্রুত সামরিক আধুনিকীকরণ ও পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে সিঙ্গাপুরে আয়োজিত এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও ঐতিহাসিক সামরিক উত্থান আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে গভীর অস্বস্তি তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সাথে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না এবং এ অঞ্চলে কোনো অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
যদিও চীন সবসময় দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক নীতি কেবলই প্রতিরক্ষামূলক এবং তারা প্রথমে ব্যবহার না করার নীতিতে বিশ্বাসী। তবে পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, তাইওয়ান ইস্যুতে বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকাতে বেইজিং এ শক্তির প্রদর্শন করছে। সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাইওয়ান নিয়ে সতর্ক করে এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের এ স্যাটেলাইট তথ্যের বিষয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মার্কিন পেন্টাগন কোনো পক্ষই আপাতত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রুশ সেনাদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন
চীন থেকে ফিরেই তাইওয়ানকে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের


