ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯, শতাধিক আহত

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯, শতাধিক আহত
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের তীব্রতায় মিন্দানাও অঞ্চলের বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোতাবাতো, সুলতান কুদারাত, সারাঙ্গানি এবং জেনারেল সান্তোস শহরসহ বিভিন্ন প্রদেশে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যানটি এখনো দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা পরিষদের আনুষ্ঠানিক যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। সাধারণত পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনার প্রায় একদিন পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে থাকে এই জাতীয় সংস্থা।
দুর্যোগের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করে বলেন, জাতীয় সরকার এ সংকটকালে মিন্দানাওয়ের পাশে রয়েছে। কাকতালীয়ভাবে, ফিলিপাইনে নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এই বিপর্যয়টি ঘটায় রাষ্ট্রপতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সব ধরণের ক্লাস স্থগিত করার নির্দেশ দেন।
ভূমিকম্পের পর ও অঞ্চলে ১.৩ থেকে ৬.৭ মাত্রার ১৩০টিরও বেশি পরাকম্পন (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে। উপকূলীয় সারাঙ্গানি প্রদেশে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও পরবর্তীতে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছে অবস্থিত জেনারেল সান্তোস শহরটি ফিলিপাইনের টুনা মাছের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিখ্যাত বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানি প্যাকুইয়াও-এর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত অস্থিতিশীল ‘রিং অফ ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে ফিলিপাইনে প্রায়শই ভূমিকম্প ঘটে থাকে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও দেশটির মধ্য ভিসায়াস অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। সোমবারের এই ভূমিকম্পের জেরে জাপানের ওকিনাওয়া প্রদেশে মৃদু উচ্চতার সুনামি দেখা গেছে এবং দূরবর্তী ওগাসাওয়ারা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার উঁচু ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, পালাউ এবং ফিলিপাইনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও কয়েক সেন্টিমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১.৪ মিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করেছেন আবহাওয়াবিদগণ।
সূত্র: বিবিসি

দক্ষিণ ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের তীব্রতায় মিন্দানাও অঞ্চলের বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোতাবাতো, সুলতান কুদারাত, সারাঙ্গানি এবং জেনারেল সান্তোস শহরসহ বিভিন্ন প্রদেশে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যানটি এখনো দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা পরিষদের আনুষ্ঠানিক যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। সাধারণত পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনার প্রায় একদিন পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে থাকে এই জাতীয় সংস্থা।
দুর্যোগের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করে বলেন, জাতীয় সরকার এ সংকটকালে মিন্দানাওয়ের পাশে রয়েছে। কাকতালীয়ভাবে, ফিলিপাইনে নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এই বিপর্যয়টি ঘটায় রাষ্ট্রপতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সব ধরণের ক্লাস স্থগিত করার নির্দেশ দেন।
ভূমিকম্পের পর ও অঞ্চলে ১.৩ থেকে ৬.৭ মাত্রার ১৩০টিরও বেশি পরাকম্পন (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে। উপকূলীয় সারাঙ্গানি প্রদেশে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও পরবর্তীতে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছে অবস্থিত জেনারেল সান্তোস শহরটি ফিলিপাইনের টুনা মাছের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিখ্যাত বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানি প্যাকুইয়াও-এর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত অস্থিতিশীল ‘রিং অফ ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে ফিলিপাইনে প্রায়শই ভূমিকম্প ঘটে থাকে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও দেশটির মধ্য ভিসায়াস অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। সোমবারের এই ভূমিকম্পের জেরে জাপানের ওকিনাওয়া প্রদেশে মৃদু উচ্চতার সুনামি দেখা গেছে এবং দূরবর্তী ওগাসাওয়ারা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার উঁচু ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, পালাউ এবং ফিলিপাইনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও কয়েক সেন্টিমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১.৪ মিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করেছেন আবহাওয়াবিদগণ।
সূত্র: বিবিসি

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯, শতাধিক আহত
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের তীব্রতায় মিন্দানাও অঞ্চলের বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোতাবাতো, সুলতান কুদারাত, সারাঙ্গানি এবং জেনারেল সান্তোস শহরসহ বিভিন্ন প্রদেশে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যানটি এখনো দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা পরিষদের আনুষ্ঠানিক যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। সাধারণত পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনার প্রায় একদিন পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে থাকে এই জাতীয় সংস্থা।
দুর্যোগের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করে বলেন, জাতীয় সরকার এ সংকটকালে মিন্দানাওয়ের পাশে রয়েছে। কাকতালীয়ভাবে, ফিলিপাইনে নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এই বিপর্যয়টি ঘটায় রাষ্ট্রপতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সব ধরণের ক্লাস স্থগিত করার নির্দেশ দেন।
ভূমিকম্পের পর ও অঞ্চলে ১.৩ থেকে ৬.৭ মাত্রার ১৩০টিরও বেশি পরাকম্পন (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে। উপকূলীয় সারাঙ্গানি প্রদেশে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও পরবর্তীতে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছে অবস্থিত জেনারেল সান্তোস শহরটি ফিলিপাইনের টুনা মাছের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিখ্যাত বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানি প্যাকুইয়াও-এর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত অস্থিতিশীল ‘রিং অফ ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে ফিলিপাইনে প্রায়শই ভূমিকম্প ঘটে থাকে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও দেশটির মধ্য ভিসায়াস অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। সোমবারের এই ভূমিকম্পের জেরে জাপানের ওকিনাওয়া প্রদেশে মৃদু উচ্চতার সুনামি দেখা গেছে এবং দূরবর্তী ওগাসাওয়ারা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার উঁচু ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, পালাউ এবং ফিলিপাইনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও কয়েক সেন্টিমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১.৪ মিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করেছেন আবহাওয়াবিদগণ।
সূত্র: বিবিসি

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো ফিলিপাইন, বিভিন্ন দেশে সুনামি সতর্কতা

