আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন: ডেপুটি স্পিকার

আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন: ডেপুটি স্পিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইন মন্ত্রী বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮ বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এই দুটির মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্টরা এমন একটি স্কিম করেছিলো তার আওতায়, যারা বিরোধী মত-পথের মানুষ ছিলো তাদের সকল প্রকার ব্যবসা-বাণিজ্য করার প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছিলো। আমরা যখন বিষয়গুলো শনাক্ত করলাম তখন হয়তো রাতারাতি অনেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতাম। কিন্তু আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সাব কমিটি গঠন করেছি। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮-এর যে সিন্ডিকেট আছে তা ভাঙা। ইতোমধ্যে আমার একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছি। যা অচিরেই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। আমরা অতিদ্রুত আইনের মাধ্যমে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারবো বলে আশা করছি।
এর আগে, জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে সঠিক প্রমাণিত হলে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি যারা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের বিষয়েও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আযম খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে একদিকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে, অনিয়মের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইন মন্ত্রী বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮ বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এই দুটির মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্টরা এমন একটি স্কিম করেছিলো তার আওতায়, যারা বিরোধী মত-পথের মানুষ ছিলো তাদের সকল প্রকার ব্যবসা-বাণিজ্য করার প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছিলো। আমরা যখন বিষয়গুলো শনাক্ত করলাম তখন হয়তো রাতারাতি অনেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতাম। কিন্তু আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সাব কমিটি গঠন করেছি। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮-এর যে সিন্ডিকেট আছে তা ভাঙা। ইতোমধ্যে আমার একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছি। যা অচিরেই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। আমরা অতিদ্রুত আইনের মাধ্যমে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারবো বলে আশা করছি।
এর আগে, জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে সঠিক প্রমাণিত হলে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি যারা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের বিষয়েও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আযম খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে একদিকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে, অনিয়মের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন: ডেপুটি স্পিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
আইন মন্ত্রী বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮ বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এই দুটির মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্টরা এমন একটি স্কিম করেছিলো তার আওতায়, যারা বিরোধী মত-পথের মানুষ ছিলো তাদের সকল প্রকার ব্যবসা-বাণিজ্য করার প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছিলো। আমরা যখন বিষয়গুলো শনাক্ত করলাম তখন হয়তো রাতারাতি অনেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতাম। কিন্তু আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সাব কমিটি গঠন করেছি। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট টুলস, ২০০৮-এর যে সিন্ডিকেট আছে তা ভাঙা। ইতোমধ্যে আমার একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছি। যা অচিরেই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। আমরা অতিদ্রুত আইনের মাধ্যমে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারবো বলে আশা করছি।
এর আগে, জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে সঠিক প্রমাণিত হলে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি যারা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের বিষয়েও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আযম খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে একদিকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে, অনিয়মের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হচ্ছে: মন্ত্রী






