ঢাকা কলেজের ওয়াশরুম ব্যবহারের অনুপযোগী, নেই পর্যাপ্ত খাবার পানি

ঢাকা কলেজের ওয়াশরুম ব্যবহারের অনুপযোগী, নেই পর্যাপ্ত খাবার পানি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত ওয়াশরুম দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সরেজমিনে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখা যায়, কোথাও লাইট নষ্ট, কোথাও দরজা বিকল, আবার কোনো কোনো ওয়াশরুমে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থাও নেই বলে অভিযোগ করেছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পানির ফিল্টার নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও কলেজে বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীরা।
রবিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন তলায় ঘুরে বেশ কয়েকটি ওয়াশরুমের এমন চিত্র দেখা যায়। ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকা ওয়াশরুমগুলোর কয়েকটির দরজা নষ্ট। কোথাও পর্যাপ্ত আলো নেই। আবার কোথাও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে স্বাভাবিকভাবে ওয়াশরুম ব্যবহার করতেও ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকায় ওয়াশরুমগুলোতে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনের সময় ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি আরও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে আবু হায়াত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাকা কলেজের ১০ তলা ভবনে অবস্থিত ইতিহাস বিভাগের ওয়াশরুমের অবস্থা অনেকটা কারাগারের মতো। ভুলবশত কেউ ওয়াশরুমে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলে ভেতর থেকে দরজা খোলার কোনো ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে কেউ সাহায্য না করলে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে এমন সমস্যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। প্রতিটি ওয়াশরুমে ভেতর থেকে নিরাপদে দরজা খোলার ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
সিয়াম নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ভবনটিতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্লাস করেন। কিন্তু ওয়াশরুমগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক সময় লাইট না থাকা কিংবা দরজা ঠিকমতো বন্ধ না হওয়ার কারণে ওয়াশরুম ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হলে সমস্যাগুলো অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তিনি বলেন, কলেজে খাবার পানিরও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসে খাবার উপযোগী বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাপনাও অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের অডিটোরিয়ামের পাশের পানির ফিল্টারটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে ঢাকা কলেজে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীদেরও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়তে হচ্ছে।
এতে শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ আনোয়ার মাহমুদ বলেন, ১০ তলা ভবনের ইতিহাস বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের ওয়াশরুমে লাইট ও অন্যান্য কিছু সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হচ্ছে। এগুলো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্ব স্ব বিভাগ করবে, নাকি কেন্দ্রীয়ভাবে করা হবে, সেটিও দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানির ফিল্টার নষ্ট থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, অডিটোরিয়ামের পাশে যে ফিল্টারটি রয়েছে, সেটি অনেক দিন ধরেই নষ্ট। এছাড়া নতুন করে যে ফিল্টারগুলো লাগানো হয়েছে, সেগুলোর মেশিন ঠিক আছে; মূলত কিটে সমস্যা হয়েছে। কিটের সমস্যা সমাধান করা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। অডিটোরিয়ামের পাশের ফিল্টারটিও কীভাবে ঠিক করা যায়, সেটি তিনি দেখবেন।

ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত ওয়াশরুম দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সরেজমিনে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখা যায়, কোথাও লাইট নষ্ট, কোথাও দরজা বিকল, আবার কোনো কোনো ওয়াশরুমে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থাও নেই বলে অভিযোগ করেছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পানির ফিল্টার নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও কলেজে বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীরা।
রবিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন তলায় ঘুরে বেশ কয়েকটি ওয়াশরুমের এমন চিত্র দেখা যায়। ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকা ওয়াশরুমগুলোর কয়েকটির দরজা নষ্ট। কোথাও পর্যাপ্ত আলো নেই। আবার কোথাও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে স্বাভাবিকভাবে ওয়াশরুম ব্যবহার করতেও ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকায় ওয়াশরুমগুলোতে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনের সময় ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি আরও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে আবু হায়াত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাকা কলেজের ১০ তলা ভবনে অবস্থিত ইতিহাস বিভাগের ওয়াশরুমের অবস্থা অনেকটা কারাগারের মতো। ভুলবশত কেউ ওয়াশরুমে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলে ভেতর থেকে দরজা খোলার কোনো ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে কেউ সাহায্য না করলে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে এমন সমস্যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। প্রতিটি ওয়াশরুমে ভেতর থেকে নিরাপদে দরজা খোলার ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
সিয়াম নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ভবনটিতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্লাস করেন। কিন্তু ওয়াশরুমগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক সময় লাইট না থাকা কিংবা দরজা ঠিকমতো বন্ধ না হওয়ার কারণে ওয়াশরুম ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হলে সমস্যাগুলো অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তিনি বলেন, কলেজে খাবার পানিরও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসে খাবার উপযোগী বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাপনাও অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের অডিটোরিয়ামের পাশের পানির ফিল্টারটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে ঢাকা কলেজে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীদেরও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়তে হচ্ছে।
এতে শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ আনোয়ার মাহমুদ বলেন, ১০ তলা ভবনের ইতিহাস বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের ওয়াশরুমে লাইট ও অন্যান্য কিছু সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হচ্ছে। এগুলো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্ব স্ব বিভাগ করবে, নাকি কেন্দ্রীয়ভাবে করা হবে, সেটিও দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানির ফিল্টার নষ্ট থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, অডিটোরিয়ামের পাশে যে ফিল্টারটি রয়েছে, সেটি অনেক দিন ধরেই নষ্ট। এছাড়া নতুন করে যে ফিল্টারগুলো লাগানো হয়েছে, সেগুলোর মেশিন ঠিক আছে; মূলত কিটে সমস্যা হয়েছে। কিটের সমস্যা সমাধান করা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। অডিটোরিয়ামের পাশের ফিল্টারটিও কীভাবে ঠিক করা যায়, সেটি তিনি দেখবেন।

ঢাকা কলেজের ওয়াশরুম ব্যবহারের অনুপযোগী, নেই পর্যাপ্ত খাবার পানি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত ওয়াশরুম দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সরেজমিনে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখা যায়, কোথাও লাইট নষ্ট, কোথাও দরজা বিকল, আবার কোনো কোনো ওয়াশরুমে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থাও নেই বলে অভিযোগ করেছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পানির ফিল্টার নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও কলেজে বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীরা।
রবিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের ১০ তলা নতুন ভবনের বিভিন্ন তলায় ঘুরে বেশ কয়েকটি ওয়াশরুমের এমন চিত্র দেখা যায়। ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকা ওয়াশরুমগুলোর কয়েকটির দরজা নষ্ট। কোথাও পর্যাপ্ত আলো নেই। আবার কোথাও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে স্বাভাবিকভাবে ওয়াশরুম ব্যবহার করতেও ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকায় ওয়াশরুমগুলোতে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনের সময় ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি আরও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে আবু হায়াত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাকা কলেজের ১০ তলা ভবনে অবস্থিত ইতিহাস বিভাগের ওয়াশরুমের অবস্থা অনেকটা কারাগারের মতো। ভুলবশত কেউ ওয়াশরুমে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলে ভেতর থেকে দরজা খোলার কোনো ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে কেউ সাহায্য না করলে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে এমন সমস্যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। প্রতিটি ওয়াশরুমে ভেতর থেকে নিরাপদে দরজা খোলার ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
সিয়াম নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ভবনটিতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্লাস করেন। কিন্তু ওয়াশরুমগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক সময় লাইট না থাকা কিংবা দরজা ঠিকমতো বন্ধ না হওয়ার কারণে ওয়াশরুম ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হলে সমস্যাগুলো অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তিনি বলেন, কলেজে খাবার পানিরও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসে খাবার উপযোগী বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাপনাও অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। কলেজের অডিটোরিয়ামের পাশের পানির ফিল্টারটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে ঢাকা কলেজে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীদেরও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়তে হচ্ছে।
এতে শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ আনোয়ার মাহমুদ বলেন, ১০ তলা ভবনের ইতিহাস বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের ওয়াশরুমে লাইট ও অন্যান্য কিছু সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হচ্ছে। এগুলো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্ব স্ব বিভাগ করবে, নাকি কেন্দ্রীয়ভাবে করা হবে, সেটিও দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানির ফিল্টার নষ্ট থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, অডিটোরিয়ামের পাশে যে ফিল্টারটি রয়েছে, সেটি অনেক দিন ধরেই নষ্ট। এছাড়া নতুন করে যে ফিল্টারগুলো লাগানো হয়েছে, সেগুলোর মেশিন ঠিক আছে; মূলত কিটে সমস্যা হয়েছে। কিটের সমস্যা সমাধান করা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। অডিটোরিয়ামের পাশের ফিল্টারটিও কীভাবে ঠিক করা যায়, সেটি তিনি দেখবেন।








