নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৮, নিখোঁজ অনেকেই

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৮, নিখোঁজ অনেকেই
সিজেডএন ডেস্ক

নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছে একধিক গ্রাম, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ পর্যন্ত অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আটকা পড়াদের উদ্ধারে নেপাল সরকার বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে সেনা হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।
চীনের সীমান্তঘেঁষা তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে পাহাড় ধসে ব্যাপক হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। অন্যদিকে সীমান্তের এপারে নেপালের পার্বত্য জেলা রাসুয়ার স্যাপ্রু বেসি ও তিমুরে এলাকা পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি নদী ভোতে কোশীর পানি বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরের অধিবাসীদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ নেমে আসা এ দুর্যোগে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘সবকিছু হঠাৎ করেই ঘটল। আমরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো একটি বিকট শব্দ শুনলাম। লোকজন চিৎকার করতে করতে দৌড়ে পালাতে লাগল।’
উদ্ধার কাজ শুরু হলেও দুর্গম এলাকা ও প্রবল বানের কারণে তা কঠিন হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার জানান, ‘ব্যাপক হতাহতের ঘটনা বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আমি এখন নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।’
ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে নেপালি সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও নামার মতো নিরাপদ পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে না। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট জানিয়েছেন, প্লাবিত এলাকার পানি কিছুটা না কমা পর্যন্ত উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারগুলো কোনোভাবেই সেখানে অবতরণ করতে পারছে না।
আকস্মিক এ প্লাবনের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ের কোনো হিমবাহ হ্রদ ফেটে গিয়ে (জিএলওএফ) এ বিপুল পরিমাণ পানি নিচে নেমে এসেছে। গত বছরও ভোতে কোশী নদীতে ঠিক একইভাবে একটি হিমবাহ হ্রদ শুকিয়ে বা ফেটে গিয়ে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছে একধিক গ্রাম, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ পর্যন্ত অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আটকা পড়াদের উদ্ধারে নেপাল সরকার বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে সেনা হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।
চীনের সীমান্তঘেঁষা তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে পাহাড় ধসে ব্যাপক হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। অন্যদিকে সীমান্তের এপারে নেপালের পার্বত্য জেলা রাসুয়ার স্যাপ্রু বেসি ও তিমুরে এলাকা পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি নদী ভোতে কোশীর পানি বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরের অধিবাসীদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ নেমে আসা এ দুর্যোগে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘সবকিছু হঠাৎ করেই ঘটল। আমরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো একটি বিকট শব্দ শুনলাম। লোকজন চিৎকার করতে করতে দৌড়ে পালাতে লাগল।’
উদ্ধার কাজ শুরু হলেও দুর্গম এলাকা ও প্রবল বানের কারণে তা কঠিন হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার জানান, ‘ব্যাপক হতাহতের ঘটনা বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আমি এখন নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।’
ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে নেপালি সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও নামার মতো নিরাপদ পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে না। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট জানিয়েছেন, প্লাবিত এলাকার পানি কিছুটা না কমা পর্যন্ত উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারগুলো কোনোভাবেই সেখানে অবতরণ করতে পারছে না।
আকস্মিক এ প্লাবনের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ের কোনো হিমবাহ হ্রদ ফেটে গিয়ে (জিএলওএফ) এ বিপুল পরিমাণ পানি নিচে নেমে এসেছে। গত বছরও ভোতে কোশী নদীতে ঠিক একইভাবে একটি হিমবাহ হ্রদ শুকিয়ে বা ফেটে গিয়ে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৮, নিখোঁজ অনেকেই
সিজেডএন ডেস্ক

নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছে একধিক গ্রাম, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ পর্যন্ত অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আটকা পড়াদের উদ্ধারে নেপাল সরকার বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে সেনা হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।
চীনের সীমান্তঘেঁষা তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে পাহাড় ধসে ব্যাপক হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। অন্যদিকে সীমান্তের এপারে নেপালের পার্বত্য জেলা রাসুয়ার স্যাপ্রু বেসি ও তিমুরে এলাকা পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি নদী ভোতে কোশীর পানি বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরের অধিবাসীদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ নেমে আসা এ দুর্যোগে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘সবকিছু হঠাৎ করেই ঘটল। আমরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো একটি বিকট শব্দ শুনলাম। লোকজন চিৎকার করতে করতে দৌড়ে পালাতে লাগল।’
উদ্ধার কাজ শুরু হলেও দুর্গম এলাকা ও প্রবল বানের কারণে তা কঠিন হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার জানান, ‘ব্যাপক হতাহতের ঘটনা বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আমি এখন নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।’
ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে নেপালি সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও নামার মতো নিরাপদ পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে না। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট জানিয়েছেন, প্লাবিত এলাকার পানি কিছুটা না কমা পর্যন্ত উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারগুলো কোনোভাবেই সেখানে অবতরণ করতে পারছে না।
আকস্মিক এ প্লাবনের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ের কোনো হিমবাহ হ্রদ ফেটে গিয়ে (জিএলওএফ) এ বিপুল পরিমাণ পানি নিচে নেমে এসেছে। গত বছরও ভোতে কোশী নদীতে ঠিক একইভাবে একটি হিমবাহ হ্রদ শুকিয়ে বা ফেটে গিয়ে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল।
সূত্র: এনডিটিভি

দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী 






