জাপানের রেকর্ড সামরিক বাজেট, উত্তর কোরিয়ার সতর্কবার্তা

জাপানের রেকর্ড সামরিক বাজেট, উত্তর কোরিয়ার সতর্কবার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের রেকর্ড পরিমাণ সামরিক বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (২২ আগস্ট) পিয়ংইয়ং জানিয়েছে, টোকিওর এ পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে এবং পুরো এলাকায় নতুন করে সামরিক অস্থিরতা তৈরি করবে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের জন্য জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ৮.৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৫৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। বাজেট তৈরির কাজ চূড়ান্ত হলে এ অঙ্ক সহজেই ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬৩ বিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে যেতে পারে। পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, আঞ্চলিক নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে টোকিও আসলে নিজেদের আত্মরক্ষা বাহিনীকে ধীরে ধীরে ‘প্রতিরোধমূলক আক্রমণকারী বাহিনী’তে পরিণত করার চক্রান্ত করছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, জাপানের এ নতুন ব্যয়ের তালিকায় রয়েছে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি, আধুনিক আক্রমণকারী ড্রোন মোতায়েন, সামরিক কমান্ড সিস্টেমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করা এবং অতিরিক্ত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করা। বিশেষ করে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী মারণাস্ত্র সংগ্রহ করার বিষয়টি প্রমাণ করে টোকিও তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে পুরোপুরি সরে আসছে।
মূলত চীন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্ভাব্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা বলে ২০২২ সাল থেকেই জাপান ধারাবাহিকভাবে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে চলেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ অর্থবছরের ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় দেশটি সামরিক খাতে মোট ৪৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন (২৭০ বিলিয়ন ডলার) খরচের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের দ্রুত সামরিক বিস্তার পুরো পূর্ব এশিয়াকে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাপানের রেকর্ড পরিমাণ সামরিক বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (২২ আগস্ট) পিয়ংইয়ং জানিয়েছে, টোকিওর এ পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে এবং পুরো এলাকায় নতুন করে সামরিক অস্থিরতা তৈরি করবে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের জন্য জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ৮.৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৫৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। বাজেট তৈরির কাজ চূড়ান্ত হলে এ অঙ্ক সহজেই ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬৩ বিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে যেতে পারে। পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, আঞ্চলিক নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে টোকিও আসলে নিজেদের আত্মরক্ষা বাহিনীকে ধীরে ধীরে ‘প্রতিরোধমূলক আক্রমণকারী বাহিনী’তে পরিণত করার চক্রান্ত করছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, জাপানের এ নতুন ব্যয়ের তালিকায় রয়েছে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি, আধুনিক আক্রমণকারী ড্রোন মোতায়েন, সামরিক কমান্ড সিস্টেমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করা এবং অতিরিক্ত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করা। বিশেষ করে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী মারণাস্ত্র সংগ্রহ করার বিষয়টি প্রমাণ করে টোকিও তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে পুরোপুরি সরে আসছে।
মূলত চীন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্ভাব্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা বলে ২০২২ সাল থেকেই জাপান ধারাবাহিকভাবে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে চলেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ অর্থবছরের ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় দেশটি সামরিক খাতে মোট ৪৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন (২৭০ বিলিয়ন ডলার) খরচের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের দ্রুত সামরিক বিস্তার পুরো পূর্ব এশিয়াকে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাপানের রেকর্ড সামরিক বাজেট, উত্তর কোরিয়ার সতর্কবার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের রেকর্ড পরিমাণ সামরিক বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (২২ আগস্ট) পিয়ংইয়ং জানিয়েছে, টোকিওর এ পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে এবং পুরো এলাকায় নতুন করে সামরিক অস্থিরতা তৈরি করবে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের জন্য জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ৮.৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৫৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। বাজেট তৈরির কাজ চূড়ান্ত হলে এ অঙ্ক সহজেই ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬৩ বিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে যেতে পারে। পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, আঞ্চলিক নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে টোকিও আসলে নিজেদের আত্মরক্ষা বাহিনীকে ধীরে ধীরে ‘প্রতিরোধমূলক আক্রমণকারী বাহিনী’তে পরিণত করার চক্রান্ত করছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, জাপানের এ নতুন ব্যয়ের তালিকায় রয়েছে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি, আধুনিক আক্রমণকারী ড্রোন মোতায়েন, সামরিক কমান্ড সিস্টেমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করা এবং অতিরিক্ত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করা। বিশেষ করে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী মারণাস্ত্র সংগ্রহ করার বিষয়টি প্রমাণ করে টোকিও তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে পুরোপুরি সরে আসছে।
মূলত চীন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্ভাব্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা বলে ২০২২ সাল থেকেই জাপান ধারাবাহিকভাবে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে চলেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ অর্থবছরের ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় দেশটি সামরিক খাতে মোট ৪৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন (২৭০ বিলিয়ন ডলার) খরচের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের দ্রুত সামরিক বিস্তার পুরো পূর্ব এশিয়াকে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পূর্ব উপকূলে ১০ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার






