২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের শিকার ২০ হাজারেরও বেশি সদস্য

২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের শিকার ২০ হাজারেরও বেশি সদস্য
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৫ সালজুড়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মোট ২০ হাজার ৪৯২টি যৌন নিপীড়নের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য জানায়। এ পরিসংখ্যান বিশাল মনে হলেও বাহিনীর ভেতরে এ ধরনের অপরাধ আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে বলে দাবি করছে পেন্টাগন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি কমেছে।
পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অপরাধগুলোর সঙ্গে সামরিক বাহিনীর পুরুষ ও নারী দুই পক্ষের সদস্য ও কর্মকর্তারাই জড়িত। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত দুই বছরে অপরাধীদের সংখ্যায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে অভিযুক্ত নারী সেনাকর্মকর্তা ও সদস্যদের হার ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের মধ্যে অপরাধের ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরার হারও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া অপরাধের মাত্র ২৫ শতাংশ লিখিত অভিযোগ আকারে জমা পড়েছিল, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ শতাংশে। এ অপরাধের শিকার সামরিক সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা, যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া এবং অপরাধীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে পেন্টাগন। তাই সদস্যদের এ বিষয়ে আরও সোচ্চার হতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. টাটা বলেন, ‘মর্যাদা, সম্মান এবং শৃঙ্খলা হলো যোদ্ধার আদর্শ এবং বাহিনীর সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তি। যৌন নিপীড়ন ও যৌন হয়রানি এসব মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, আস্থা নষ্ট করে এবং সামরিক অভিযানের সাফল্যের দিকে হুমকি সৃষ্টি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা, উচ্চ মান বজায় রাখা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, দক্ষ ও সদাপ্রস্তুত বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রতিবেদন প্রশাসনের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’
সূত্র: এনডিটিভি

২০২৫ সালজুড়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মোট ২০ হাজার ৪৯২টি যৌন নিপীড়নের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য জানায়। এ পরিসংখ্যান বিশাল মনে হলেও বাহিনীর ভেতরে এ ধরনের অপরাধ আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে বলে দাবি করছে পেন্টাগন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি কমেছে।
পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অপরাধগুলোর সঙ্গে সামরিক বাহিনীর পুরুষ ও নারী দুই পক্ষের সদস্য ও কর্মকর্তারাই জড়িত। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত দুই বছরে অপরাধীদের সংখ্যায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে অভিযুক্ত নারী সেনাকর্মকর্তা ও সদস্যদের হার ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের মধ্যে অপরাধের ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরার হারও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া অপরাধের মাত্র ২৫ শতাংশ লিখিত অভিযোগ আকারে জমা পড়েছিল, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ শতাংশে। এ অপরাধের শিকার সামরিক সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা, যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া এবং অপরাধীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে পেন্টাগন। তাই সদস্যদের এ বিষয়ে আরও সোচ্চার হতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. টাটা বলেন, ‘মর্যাদা, সম্মান এবং শৃঙ্খলা হলো যোদ্ধার আদর্শ এবং বাহিনীর সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তি। যৌন নিপীড়ন ও যৌন হয়রানি এসব মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, আস্থা নষ্ট করে এবং সামরিক অভিযানের সাফল্যের দিকে হুমকি সৃষ্টি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা, উচ্চ মান বজায় রাখা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, দক্ষ ও সদাপ্রস্তুত বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রতিবেদন প্রশাসনের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’
সূত্র: এনডিটিভি

২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের শিকার ২০ হাজারেরও বেশি সদস্য
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৫ সালজুড়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মোট ২০ হাজার ৪৯২টি যৌন নিপীড়নের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য জানায়। এ পরিসংখ্যান বিশাল মনে হলেও বাহিনীর ভেতরে এ ধরনের অপরাধ আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে বলে দাবি করছে পেন্টাগন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি কমেছে।
পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অপরাধগুলোর সঙ্গে সামরিক বাহিনীর পুরুষ ও নারী দুই পক্ষের সদস্য ও কর্মকর্তারাই জড়িত। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত দুই বছরে অপরাধীদের সংখ্যায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে অভিযুক্ত নারী সেনাকর্মকর্তা ও সদস্যদের হার ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের মধ্যে অপরাধের ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরার হারও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া অপরাধের মাত্র ২৫ শতাংশ লিখিত অভিযোগ আকারে জমা পড়েছিল, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ শতাংশে। এ অপরাধের শিকার সামরিক সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা, যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া এবং অপরাধীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে পেন্টাগন। তাই সদস্যদের এ বিষয়ে আরও সোচ্চার হতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. টাটা বলেন, ‘মর্যাদা, সম্মান এবং শৃঙ্খলা হলো যোদ্ধার আদর্শ এবং বাহিনীর সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তি। যৌন নিপীড়ন ও যৌন হয়রানি এসব মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, আস্থা নষ্ট করে এবং সামরিক অভিযানের সাফল্যের দিকে হুমকি সৃষ্টি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা, উচ্চ মান বজায় রাখা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, দক্ষ ও সদাপ্রস্তুত বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রতিবেদন প্রশাসনের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’
সূত্র: এনডিটিভি

মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র







