উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি

উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ ও মনঃক্ষুণ্নতার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্যের বক্তব্যের একটি অংশ খণ্ডিতভাবে প্রচারিত হওয়ায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, একজন শিক্ষক উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষকতায় পরিবর্তিত হলে উচ্চশিক্ষায় পাঠদানের ক্ষেত্রে যেসব বাস্তব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, উপাচার্য সেই বিষয়টিই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এটি শিক্ষাব্যবস্থার একটি কাঠামোগত বাস্তবতার প্রতি ইঙ্গিত ছিল, যা একাডেমিক পরিমণ্ডলে আলোচিত ও স্বীকৃত বিষয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই প্রসঙ্গেই উপাচার্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ বরাদ্দ, পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং একটি সহায়ক ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের যথাযথ পদায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, উপাচার্যের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে কোনোভাবেই বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মর্যাদাহানি করার উদ্দেশ্য ছিল না।
তবে বক্তব্যের একটি অংশ প্রচারিত হওয়ার কারণে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সম্মানিত সদস্যরা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে থাকলে উপাচার্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রতি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতেই নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ ও মনঃক্ষুণ্নতার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্যের বক্তব্যের একটি অংশ খণ্ডিতভাবে প্রচারিত হওয়ায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, একজন শিক্ষক উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষকতায় পরিবর্তিত হলে উচ্চশিক্ষায় পাঠদানের ক্ষেত্রে যেসব বাস্তব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, উপাচার্য সেই বিষয়টিই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এটি শিক্ষাব্যবস্থার একটি কাঠামোগত বাস্তবতার প্রতি ইঙ্গিত ছিল, যা একাডেমিক পরিমণ্ডলে আলোচিত ও স্বীকৃত বিষয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই প্রসঙ্গেই উপাচার্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ বরাদ্দ, পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং একটি সহায়ক ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের যথাযথ পদায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, উপাচার্যের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে কোনোভাবেই বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মর্যাদাহানি করার উদ্দেশ্য ছিল না।
তবে বক্তব্যের একটি অংশ প্রচারিত হওয়ার কারণে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সম্মানিত সদস্যরা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে থাকলে উপাচার্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রতি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতেই নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।

উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ ও মনঃক্ষুণ্নতার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্যের বক্তব্যের একটি অংশ খণ্ডিতভাবে প্রচারিত হওয়ায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, একজন শিক্ষক উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষকতায় পরিবর্তিত হলে উচ্চশিক্ষায় পাঠদানের ক্ষেত্রে যেসব বাস্তব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, উপাচার্য সেই বিষয়টিই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এটি শিক্ষাব্যবস্থার একটি কাঠামোগত বাস্তবতার প্রতি ইঙ্গিত ছিল, যা একাডেমিক পরিমণ্ডলে আলোচিত ও স্বীকৃত বিষয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই প্রসঙ্গেই উপাচার্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ বরাদ্দ, পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং একটি সহায়ক ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের যথাযথ পদায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, উপাচার্যের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে কোনোভাবেই বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের মর্যাদাহানি করার উদ্দেশ্য ছিল না।
তবে বক্তব্যের একটি অংশ প্রচারিত হওয়ার কারণে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সম্মানিত সদস্যরা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে থাকলে উপাচার্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের শিক্ষকদের ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রতি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতেই নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।








