কাতারের কাছে ৪৫০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

কাতারের কাছে ৪৫০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কাতারের কাছে সম্ভাব্য ৪৫০ কোটি ডলার মূল্যের চারটি রিফুয়েলিং বিমান ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাব্য প্রস্তাবে আনুমোদন দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
প্রস্তাবিত এই সামরিক চালানে চারটি কেসি-৪৬এ (KC-46A) রিফুয়েলিং বিমানের পাশাপাশি আটটি পিডব্লিউ৪০৬২ (PW4062) টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি রাডার ওয়ার্নিং রিসিভার, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার ও আটটি প্রসেসর প্রতিস্থাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ সেন্সর, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ডেটাবেস এবং ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি সরবরাহ করার কথা রয়েছে চুক্তিতে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরো জানিয়েছে, এ প্রস্তাবিত বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে এর আন্তঃকার্যক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় এর কৌশলগত ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মিত্র দেশগুলোকে নিশানা করে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। এমন প্রেক্ষাপটেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে দোহা।
তবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন না মিললে এ চুক্তিটি স্থগিত হয়ে যেতে পারে। অবশ্য মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাতারের কাছে এসব সামরিক প্রযুক্তি বা সরঞ্জাম বিক্রির ফলে এ অঞ্চলের সার্বিক সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন হবে না।
সূত্র: দ্য হিল

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কাতারের কাছে সম্ভাব্য ৪৫০ কোটি ডলার মূল্যের চারটি রিফুয়েলিং বিমান ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাব্য প্রস্তাবে আনুমোদন দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
প্রস্তাবিত এই সামরিক চালানে চারটি কেসি-৪৬এ (KC-46A) রিফুয়েলিং বিমানের পাশাপাশি আটটি পিডব্লিউ৪০৬২ (PW4062) টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি রাডার ওয়ার্নিং রিসিভার, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার ও আটটি প্রসেসর প্রতিস্থাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ সেন্সর, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ডেটাবেস এবং ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি সরবরাহ করার কথা রয়েছে চুক্তিতে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরো জানিয়েছে, এ প্রস্তাবিত বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে এর আন্তঃকার্যক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় এর কৌশলগত ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মিত্র দেশগুলোকে নিশানা করে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। এমন প্রেক্ষাপটেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে দোহা।
তবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন না মিললে এ চুক্তিটি স্থগিত হয়ে যেতে পারে। অবশ্য মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাতারের কাছে এসব সামরিক প্রযুক্তি বা সরঞ্জাম বিক্রির ফলে এ অঞ্চলের সার্বিক সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন হবে না।
সূত্র: দ্য হিল

কাতারের কাছে ৪৫০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কাতারের কাছে সম্ভাব্য ৪৫০ কোটি ডলার মূল্যের চারটি রিফুয়েলিং বিমান ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাব্য প্রস্তাবে আনুমোদন দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
প্রস্তাবিত এই সামরিক চালানে চারটি কেসি-৪৬এ (KC-46A) রিফুয়েলিং বিমানের পাশাপাশি আটটি পিডব্লিউ৪০৬২ (PW4062) টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি রাডার ওয়ার্নিং রিসিভার, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার ও আটটি প্রসেসর প্রতিস্থাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ সেন্সর, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ডেটাবেস এবং ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি সরবরাহ করার কথা রয়েছে চুক্তিতে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরো জানিয়েছে, এ প্রস্তাবিত বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে এর আন্তঃকার্যক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় এর কৌশলগত ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মিত্র দেশগুলোকে নিশানা করে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। এমন প্রেক্ষাপটেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে দোহা।
তবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন না মিললে এ চুক্তিটি স্থগিত হয়ে যেতে পারে। অবশ্য মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাতারের কাছে এসব সামরিক প্রযুক্তি বা সরঞ্জাম বিক্রির ফলে এ অঞ্চলের সার্বিক সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন হবে না।
সূত্র: দ্য হিল

যুক্তরাষ্ট্র সম্মানজনকভাবে বিদায়ের পথ খুঁজছে: গালিবাফ







