মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সংলাপের সমাপনী সেশনে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। শিক্ষার উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। তাই গবেষণার উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। ইতোমধ্যে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেটের যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি গবেষণা নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরও বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয় সেদিকে ইউজিসিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদেশে অনেক ভালো ফল করে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রে তারা সাফল্য দেখাচ্ছে। তাদেরকে দেশে এনে সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দেশে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সংলাপের সমাপনী সেশনে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। শিক্ষার উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। তাই গবেষণার উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। ইতোমধ্যে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেটের যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি গবেষণা নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরও বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয় সেদিকে ইউজিসিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদেশে অনেক ভালো ফল করে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রে তারা সাফল্য দেখাচ্ছে। তাদেরকে দেশে এনে সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সংলাপের সমাপনী সেশনে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। শিক্ষার উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। তাই গবেষণার উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। ইতোমধ্যে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেটের যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি গবেষণা নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরও বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয় সেদিকে ইউজিসিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদেশে অনেক ভালো ফল করে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রে তারা সাফল্য দেখাচ্ছে। তাদেরকে দেশে এনে সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনিয়ম: পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র প্রত্যাহার







