ইরানের সামরিক বাহিনী ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের, বাস্তবতা ভিন্ন
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সামরিক বাহিনী ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের, বাস্তবতা ভিন্ন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৩৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করেছেন। ওই প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরানের নেতৃত্ব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বোকা মনে করে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গত ৪৭ বছর ধরে তেহরান সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে, কিন্তু তিনি দেশটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন।
নিজের দাবির সপক্ষে ট্রাম্প বেশ কিছু সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ইরানের পুরো নৌবাহিনী এখন সমুদ্রের তলদেশে, বিমানবাহিনী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগারগুলো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো অকার্যকর থাকায় দেশটি প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথভাবে শুরু করা এ যুদ্ধের পর থেকে ট্রাম্প বারবার ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের এমন দাবি করে আসছেন। তবে ট্রাম্পের এসব দাবির বিপরীতে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার দাবির পরও ইরানি বাহিনী তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করেছেন। ওই প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরানের নেতৃত্ব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বোকা মনে করে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গত ৪৭ বছর ধরে তেহরান সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে, কিন্তু তিনি দেশটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন।
নিজের দাবির সপক্ষে ট্রাম্প বেশ কিছু সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ইরানের পুরো নৌবাহিনী এখন সমুদ্রের তলদেশে, বিমানবাহিনী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগারগুলো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো অকার্যকর থাকায় দেশটি প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথভাবে শুরু করা এ যুদ্ধের পর থেকে ট্রাম্প বারবার ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের এমন দাবি করে আসছেন। তবে ট্রাম্পের এসব দাবির বিপরীতে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার দাবির পরও ইরানি বাহিনী তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সামরিক বাহিনী ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের, বাস্তবতা ভিন্ন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৩৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করেছেন। ওই প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরানের নেতৃত্ব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বোকা মনে করে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গত ৪৭ বছর ধরে তেহরান সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে, কিন্তু তিনি দেশটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন।
নিজের দাবির সপক্ষে ট্রাম্প বেশ কিছু সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ইরানের পুরো নৌবাহিনী এখন সমুদ্রের তলদেশে, বিমানবাহিনী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগারগুলো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো অকার্যকর থাকায় দেশটি প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথভাবে শুরু করা এ যুদ্ধের পর থেকে ট্রাম্প বারবার ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের এমন দাবি করে আসছেন। তবে ট্রাম্পের এসব দাবির বিপরীতে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার দাবির পরও ইরানি বাহিনী তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমএকে/




