২ সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

২ সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের খবর পরিবেশনের ধরন নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং সিএনএন এর কড়া সমালোচনা করে তিনি এ প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ প্রতিবেদনকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘নির্বোধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ওভাল অফিসে কর্মীদের অবসরকালীন সঞ্চয় সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ ক্ষোভ উগড়ে দেন। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট তার যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার ডেমোক্র্যাটদের প্রচেষ্টারও কড়া সমালোচনা করেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানকে সামরিকভাবে পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছেন এবং তাদের আর কোনো শক্তিই অবশিষ্ট নেই। অথচ গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে যেন এ যুদ্ধে ইরান জয়লাভ করছে। সিএনএনকে ‘ফালতু’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তিনি কেবল শত্রুপক্ষের গতিবিধির ওপর নজর রাখার স্বার্থেই চ্যানেলটি দেখেন। অন্যদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতুল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্রিকাটির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে কলামিস্টদের লেখায় এমন ভয়ানক ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠছে। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের এসব কথায় তিনি পরোয়া করেন না, কারণ সবাই আসল ঘটনা জানে এবং তারা কীভাবে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করছেন তা সবার কাছে স্পষ্ট।
মূলত দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ওই নিবন্ধে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের শ্রেষ্ঠত্ব হারাচ্ছে। সেখানে আরও যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সাফল্যগুলো চূড়ান্ত বিজয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে না, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বমঞ্চে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে অনেকটাই দুর্বল করে দিতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের খবর পরিবেশনের ধরন নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং সিএনএন এর কড়া সমালোচনা করে তিনি এ প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ প্রতিবেদনকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘নির্বোধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ওভাল অফিসে কর্মীদের অবসরকালীন সঞ্চয় সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ ক্ষোভ উগড়ে দেন। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট তার যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার ডেমোক্র্যাটদের প্রচেষ্টারও কড়া সমালোচনা করেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানকে সামরিকভাবে পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছেন এবং তাদের আর কোনো শক্তিই অবশিষ্ট নেই। অথচ গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে যেন এ যুদ্ধে ইরান জয়লাভ করছে। সিএনএনকে ‘ফালতু’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তিনি কেবল শত্রুপক্ষের গতিবিধির ওপর নজর রাখার স্বার্থেই চ্যানেলটি দেখেন। অন্যদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতুল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্রিকাটির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে কলামিস্টদের লেখায় এমন ভয়ানক ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠছে। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের এসব কথায় তিনি পরোয়া করেন না, কারণ সবাই আসল ঘটনা জানে এবং তারা কীভাবে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করছেন তা সবার কাছে স্পষ্ট।
মূলত দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ওই নিবন্ধে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের শ্রেষ্ঠত্ব হারাচ্ছে। সেখানে আরও যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সাফল্যগুলো চূড়ান্ত বিজয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে না, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বমঞ্চে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে অনেকটাই দুর্বল করে দিতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

২ সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের খবর পরিবেশনের ধরন নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং সিএনএন এর কড়া সমালোচনা করে তিনি এ প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ প্রতিবেদনকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘নির্বোধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ওভাল অফিসে কর্মীদের অবসরকালীন সঞ্চয় সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ ক্ষোভ উগড়ে দেন। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট তার যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার ডেমোক্র্যাটদের প্রচেষ্টারও কড়া সমালোচনা করেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানকে সামরিকভাবে পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছেন এবং তাদের আর কোনো শক্তিই অবশিষ্ট নেই। অথচ গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে যেন এ যুদ্ধে ইরান জয়লাভ করছে। সিএনএনকে ‘ফালতু’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তিনি কেবল শত্রুপক্ষের গতিবিধির ওপর নজর রাখার স্বার্থেই চ্যানেলটি দেখেন। অন্যদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতুল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্রিকাটির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে কলামিস্টদের লেখায় এমন ভয়ানক ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠছে। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের এসব কথায় তিনি পরোয়া করেন না, কারণ সবাই আসল ঘটনা জানে এবং তারা কীভাবে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করছেন তা সবার কাছে স্পষ্ট।
মূলত দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ওই নিবন্ধে মন্তব্য করা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের শ্রেষ্ঠত্ব হারাচ্ছে। সেখানে আরও যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সাফল্যগুলো চূড়ান্ত বিজয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে না, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বমঞ্চে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে অনেকটাই দুর্বল করে দিতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ ফ্রান্সের 


