ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২০: ৫৯

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ও ড্রোন হয় পুরোপুরি ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের জন্য প্রস্তুত করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস) এর তৈরি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোপনীয়তার বিধিনিষেধ, চলমান সংঘাত এবং ক্ষয়ক্ষতির উৎস সঠিকভাবে নিরূপণ করতে না পারার কারণে এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। ধ্বংস হওয়া আকাশযানের তালিকায় রয়েছে আমেরিকার সামরিক বহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাধুনিক কিছু নাম। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ফাইটার জেট, একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং টু স্টিলথ ফাইটার, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু অ্যাটাক এয়ারক্রাফট, ৭টি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার রিফুয়েলিং বিমান, একটি ই-৩ সেন্ট্রি অ্যাওয়াকস সার্ভিল্যান্স এয়ারক্রাফট, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো টু স্পেশাল অপারেশন এয়ারক্রাফট এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন টু রেসকিউ হেলিকপ্টার। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই-অ্যালটিটিউড ড্রোনও এ যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছে।
পেন্টাগনের অর্থ বিভাগের প্রধান জুলস হার্স্ট থ্রি গত ১২ মে এক শুনানিতে জানান, অপারেশন এপিক ফিউরি নামের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত বা নতুন করে প্রতিস্থাপনের হিসাব যুক্ত হওয়ার কারণেই এ ব্যয়ের পরিমাণ বেড়েছে। পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ না করায়, কংগ্রেসনাল গবেষকরা পেন্টাগনের বিবৃতি, সেন্টকমের ব্রিফিং এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তালিকা তৈরি করেছেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বিতভাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালালে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। প্রথম ধাপের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এটি ছিল কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান হামলাগুলোর একটি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এত বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান হারানোর খবর যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় এবং ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিসংখ্যান আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তিত রূপকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। বর্তমানে ড্রোন, বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বাহিনীগুলোকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি এ আঞ্চলিক যুদ্ধে রিফুয়েলিং বিমান বা নজরদারি ড্রোনের মতো দামি সরঞ্জামগুলো যে কতটা অরক্ষিত হতে পারে, এ সংঘাত তারই প্রমাণ। অন্যদিকে, বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপারেশন এপিক ফিউরি দ্রুত ও চূড়ান্তভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হওয়ার দাবিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ও ড্রোন হয় পুরোপুরি ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের জন্য প্রস্তুত করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস) এর তৈরি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোপনীয়তার বিধিনিষেধ, চলমান সংঘাত এবং ক্ষয়ক্ষতির উৎস সঠিকভাবে নিরূপণ করতে না পারার কারণে এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। ধ্বংস হওয়া আকাশযানের তালিকায় রয়েছে আমেরিকার সামরিক বহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাধুনিক কিছু নাম। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ফাইটার জেট, একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং টু স্টিলথ ফাইটার, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু অ্যাটাক এয়ারক্রাফট, ৭টি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার রিফুয়েলিং বিমান, একটি ই-৩ সেন্ট্রি অ্যাওয়াকস সার্ভিল্যান্স এয়ারক্রাফট, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো টু স্পেশাল অপারেশন এয়ারক্রাফট এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন টু রেসকিউ হেলিকপ্টার। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই-অ্যালটিটিউড ড্রোনও এ যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছে।
পেন্টাগনের অর্থ বিভাগের প্রধান জুলস হার্স্ট থ্রি গত ১২ মে এক শুনানিতে জানান, অপারেশন এপিক ফিউরি নামের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত বা নতুন করে প্রতিস্থাপনের হিসাব যুক্ত হওয়ার কারণেই এ ব্যয়ের পরিমাণ বেড়েছে। পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ না করায়, কংগ্রেসনাল গবেষকরা পেন্টাগনের বিবৃতি, সেন্টকমের ব্রিফিং এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তালিকা তৈরি করেছেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বিতভাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালালে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। প্রথম ধাপের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এটি ছিল কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান হামলাগুলোর একটি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এত বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান হারানোর খবর যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় এবং ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিসংখ্যান আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তিত রূপকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। বর্তমানে ড্রোন, বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বাহিনীগুলোকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি এ আঞ্চলিক যুদ্ধে রিফুয়েলিং বিমান বা নজরদারি ড্রোনের মতো দামি সরঞ্জামগুলো যে কতটা অরক্ষিত হতে পারে, এ সংঘাত তারই প্রমাণ। অন্যদিকে, বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপারেশন এপিক ফিউরি দ্রুত ও চূড়ান্তভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হওয়ার দাবিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২০: ৫৯

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ও ড্রোন হয় পুরোপুরি ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের জন্য প্রস্তুত করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস) এর তৈরি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোপনীয়তার বিধিনিষেধ, চলমান সংঘাত এবং ক্ষয়ক্ষতির উৎস সঠিকভাবে নিরূপণ করতে না পারার কারণে এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। ধ্বংস হওয়া আকাশযানের তালিকায় রয়েছে আমেরিকার সামরিক বহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাধুনিক কিছু নাম। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ফাইটার জেট, একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং টু স্টিলথ ফাইটার, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু অ্যাটাক এয়ারক্রাফট, ৭টি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার রিফুয়েলিং বিমান, একটি ই-৩ সেন্ট্রি অ্যাওয়াকস সার্ভিল্যান্স এয়ারক্রাফট, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো টু স্পেশাল অপারেশন এয়ারক্রাফট এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন টু রেসকিউ হেলিকপ্টার। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই-অ্যালটিটিউড ড্রোনও এ যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছে।
পেন্টাগনের অর্থ বিভাগের প্রধান জুলস হার্স্ট থ্রি গত ১২ মে এক শুনানিতে জানান, অপারেশন এপিক ফিউরি নামের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত বা নতুন করে প্রতিস্থাপনের হিসাব যুক্ত হওয়ার কারণেই এ ব্যয়ের পরিমাণ বেড়েছে। পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ না করায়, কংগ্রেসনাল গবেষকরা পেন্টাগনের বিবৃতি, সেন্টকমের ব্রিফিং এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তালিকা তৈরি করেছেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বিতভাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালালে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। প্রথম ধাপের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এটি ছিল কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান হামলাগুলোর একটি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এত বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান হারানোর খবর যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় এবং ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিসংখ্যান আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তিত রূপকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। বর্তমানে ড্রোন, বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বাহিনীগুলোকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি এ আঞ্চলিক যুদ্ধে রিফুয়েলিং বিমান বা নজরদারি ড্রোনের মতো দামি সরঞ্জামগুলো যে কতটা অরক্ষিত হতে পারে, এ সংঘাত তারই প্রমাণ। অন্যদিকে, বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপারেশন এপিক ফিউরি দ্রুত ও চূড়ান্তভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হওয়ার দাবিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
/এমএকে/

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে: আইআরজিসি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস রাশিয়ার

