জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্পের নতুন আদেশ জারি

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্পের নতুন আদেশ জারি
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার সংকুচিত করতে আবারও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগের একটি পদক্ষেপ সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেওয়ার পর এবার তিনি দুটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। মূলত সন্তান প্রসবের উদ্দেশ্যে গর্ভবতী বিদেশি নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা তথাকথিত বার্থ ট্যুরিজম বন্ধ করতেই ট্রাম্প প্রশাসনের এ উদ্যোগ। তবে সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়ের কারণে তার এই আইনি লড়াই কতটা সফল হবে, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
হোয়াইট হাউসের সহকারী স্টিফেন মিলার জানান, নতুন নির্দেশের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বার্থ ট্যুরিজম প্রথাটি কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ হলো। এ আদেশে বার্থ ট্যুরিজমের পাশাপাশি দেশটিতে কর্মরত বিদেশি সরকারি কর্মকর্তা এবং শত্রু হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ ব্যক্তিদের সন্তানদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার নারী কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর ট্রাম্প প্রথমে কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন পাসের আহ্বান জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাহী আদেশের পথই বেছে নেন। ওভাল অফিসে আদেশে স্বাক্ষরের সময় ট্রাম্প ৩০ জুনের সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ ব্যবধানের রায়কে একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, নাগরিকত্ব ধারা নামে পরিচিত ১৪তম সংশোধনীর বিধানটি মূলত গৃহযুদ্ধের পর দাসদের সন্তানদের অধিকার সুরক্ষায় আনা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেকে এটি ব্যবহার করে নাগরিকত্ব দেওয়ার বাণিজ্য গড়ে তুলছে।
তবে অভিবাসী অধিকারকর্মী ও আইনি বিশেষজ্ঞরা আদালতের এ সিদ্ধান্ত এড়ানোর প্রচেষ্টাকে সংবিধানবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সীমানার ভেতরে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসও তার সাম্প্রতিক রায়ে স্পষ্ট করেছেন, এ নাগরিকত্ব ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বহাল থাকা এক সাংবিধানিক নিশ্চয়তা, যা কোনো রাষ্ট্রপতির খেয়ালখুশির ওপর নির্ভর করে না। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ট্রাম্পের নতুন এই আদেশের বিরুদ্ধেও আদালতে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জ জানানো হবে এবং এটি টেকসই হবে না।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার সংকুচিত করতে আবারও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগের একটি পদক্ষেপ সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেওয়ার পর এবার তিনি দুটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। মূলত সন্তান প্রসবের উদ্দেশ্যে গর্ভবতী বিদেশি নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা তথাকথিত বার্থ ট্যুরিজম বন্ধ করতেই ট্রাম্প প্রশাসনের এ উদ্যোগ। তবে সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়ের কারণে তার এই আইনি লড়াই কতটা সফল হবে, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
হোয়াইট হাউসের সহকারী স্টিফেন মিলার জানান, নতুন নির্দেশের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বার্থ ট্যুরিজম প্রথাটি কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ হলো। এ আদেশে বার্থ ট্যুরিজমের পাশাপাশি দেশটিতে কর্মরত বিদেশি সরকারি কর্মকর্তা এবং শত্রু হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ ব্যক্তিদের সন্তানদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার নারী কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর ট্রাম্প প্রথমে কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন পাসের আহ্বান জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাহী আদেশের পথই বেছে নেন। ওভাল অফিসে আদেশে স্বাক্ষরের সময় ট্রাম্প ৩০ জুনের সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ ব্যবধানের রায়কে একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, নাগরিকত্ব ধারা নামে পরিচিত ১৪তম সংশোধনীর বিধানটি মূলত গৃহযুদ্ধের পর দাসদের সন্তানদের অধিকার সুরক্ষায় আনা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেকে এটি ব্যবহার করে নাগরিকত্ব দেওয়ার বাণিজ্য গড়ে তুলছে।
তবে অভিবাসী অধিকারকর্মী ও আইনি বিশেষজ্ঞরা আদালতের এ সিদ্ধান্ত এড়ানোর প্রচেষ্টাকে সংবিধানবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সীমানার ভেতরে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসও তার সাম্প্রতিক রায়ে স্পষ্ট করেছেন, এ নাগরিকত্ব ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বহাল থাকা এক সাংবিধানিক নিশ্চয়তা, যা কোনো রাষ্ট্রপতির খেয়ালখুশির ওপর নির্ভর করে না। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ট্রাম্পের নতুন এই আদেশের বিরুদ্ধেও আদালতে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জ জানানো হবে এবং এটি টেকসই হবে না।
সূত্র: রয়টার্স

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্পের নতুন আদেশ জারি
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার সংকুচিত করতে আবারও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগের একটি পদক্ষেপ সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেওয়ার পর এবার তিনি দুটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। মূলত সন্তান প্রসবের উদ্দেশ্যে গর্ভবতী বিদেশি নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা তথাকথিত বার্থ ট্যুরিজম বন্ধ করতেই ট্রাম্প প্রশাসনের এ উদ্যোগ। তবে সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়ের কারণে তার এই আইনি লড়াই কতটা সফল হবে, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
হোয়াইট হাউসের সহকারী স্টিফেন মিলার জানান, নতুন নির্দেশের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বার্থ ট্যুরিজম প্রথাটি কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ হলো। এ আদেশে বার্থ ট্যুরিজমের পাশাপাশি দেশটিতে কর্মরত বিদেশি সরকারি কর্মকর্তা এবং শত্রু হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ ব্যক্তিদের সন্তানদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার নারী কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর ট্রাম্প প্রথমে কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন পাসের আহ্বান জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাহী আদেশের পথই বেছে নেন। ওভাল অফিসে আদেশে স্বাক্ষরের সময় ট্রাম্প ৩০ জুনের সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ ব্যবধানের রায়কে একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, নাগরিকত্ব ধারা নামে পরিচিত ১৪তম সংশোধনীর বিধানটি মূলত গৃহযুদ্ধের পর দাসদের সন্তানদের অধিকার সুরক্ষায় আনা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেকে এটি ব্যবহার করে নাগরিকত্ব দেওয়ার বাণিজ্য গড়ে তুলছে।
তবে অভিবাসী অধিকারকর্মী ও আইনি বিশেষজ্ঞরা আদালতের এ সিদ্ধান্ত এড়ানোর প্রচেষ্টাকে সংবিধানবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সীমানার ভেতরে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসও তার সাম্প্রতিক রায়ে স্পষ্ট করেছেন, এ নাগরিকত্ব ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বহাল থাকা এক সাংবিধানিক নিশ্চয়তা, যা কোনো রাষ্ট্রপতির খেয়ালখুশির ওপর নির্ভর করে না। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ট্রাম্পের নতুন এই আদেশের বিরুদ্ধেও আদালতে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জ জানানো হবে এবং এটি টেকসই হবে না।
সূত্র: রয়টার্স

হিজবুল্লাহর সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান লেবাননের
ভিসা-গ্রিন কার্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিমালা 







