ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে হামলায় বন্দুকধারীসহ নিহত ৫

ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে হামলায় বন্দুকধারীসহ নিহত ৫
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুকধারীদের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীও প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ মে) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগোতে (আইসিএসডি) এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল বলেছেন, সেখানকার বৃহত্তম মসজিদে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহত নিরাপত্তাকর্মী বীরত্বপূর্ণ কাজ করেছেন এবং অনেকের জীবন বাঁচিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের কাছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি সূত্র এবং পুলিশ সন্দেহভাজনকারী একজনকে আটক করেছে। তার নাম কেইন ক্লার্ক। ১৭ বছর বয়সী কেইন বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়েছিল।
পুলিশ এই হামলাটিকে একটি বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অস্ত্রগুলোর একটির ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য লেখা ছিল। কর্মকর্তাদের মতে, জাতিগত গর্ব নিয়ে লেখা একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে।
পুলিশ প্রধান ওয়াল বলেছেন, গুলি চালানোর খবর পাওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে পুলিশ এক নারীর কাছ থেকে একটি ফোন পায়। তিনি জানান, তার ছেলে নিখোঁজ এবং বাড়ি থেকে তার বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গাড়ি খোয়া গেছে। ওয়াল আরও বলেন, ওই নারী জানিয়েছেন যে তার ছেলে আত্মহত্যাপ্রবণ। সে ছদ্মবেশে থাকা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে ছিল।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে গোলাগুলির খবর পেয়ে চার মিনিট পরেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মসজিদে পৌঁছে পুলিশ কর্মকর্তারা তিনজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।
ওয়াল বলেন, প্রায় ১০০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ভবনটিতে তল্লাশি চালান। এ সময় কয়েকটি দরজা ভেঙে ফেলতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, একই সময়ে = কয়েক ব্লক দূরে আরেকটি গোলাগুলির ঘটনার ফোনকল পায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। ঘটনাস্থলে থাকা একজন ল্যান্ডস্কেপারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও তিনি গুলিবিদ্ধ হননি।
ওয়ালের ভাষ্যমতে, কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ কর্মকর্তারা তৃতীয় একটি স্থানে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাদেরকে সন্দেহভাজন বলে মনে করছে পুলিশ। মৃত দুজনই কিশোর। তাদের একজনের বয়স ১৭, আরেকজনের ১৯ বছর।
ওয়াহল বলেন, ‘সন্দেহভাজনরা আত্মঘাতী গুলিতে মারা গেছেন বলে মনে হচ্ছে।’
এদিকে সান ডিয়েগোর বৃহত্তম মসজিদে প্রাণঘাতী গুলির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে আজকের সহিংস হামলায় আমি ও আমার স্ত্রী স্তম্ভিত। সেখানে পরিবার ও শিশুরা সমবেত হয় এবং প্রতিবেশীরা শান্তি ও সৌহার্দ্যের সাথে উপাসনা করে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়ায় ঘৃণার কোনো স্থান নেই। আমরা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বা ভীতি প্রদর্শনের কোনো কাজ বরদাস্ত করব না।’
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী মেয়র জোহরান মামদানিও এই হামলায় ‘স্তম্ভিত’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলামোফোবিয়া এই দেশজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে বিপন্ন করে তুলছে। আমাদের অবশ্যই এর সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে। সেইসঙ্গে ভয় ও বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।’
দক্ষিণ ক্যারোলাইনার মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মার্কিন প্রতিনিধি জো লফগ্রেনও এই গুলির ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুকধারীদের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীও প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ মে) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগোতে (আইসিএসডি) এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল বলেছেন, সেখানকার বৃহত্তম মসজিদে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহত নিরাপত্তাকর্মী বীরত্বপূর্ণ কাজ করেছেন এবং অনেকের জীবন বাঁচিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের কাছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি সূত্র এবং পুলিশ সন্দেহভাজনকারী একজনকে আটক করেছে। তার নাম কেইন ক্লার্ক। ১৭ বছর বয়সী কেইন বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়েছিল।
পুলিশ এই হামলাটিকে একটি বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অস্ত্রগুলোর একটির ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য লেখা ছিল। কর্মকর্তাদের মতে, জাতিগত গর্ব নিয়ে লেখা একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে।
পুলিশ প্রধান ওয়াল বলেছেন, গুলি চালানোর খবর পাওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে পুলিশ এক নারীর কাছ থেকে একটি ফোন পায়। তিনি জানান, তার ছেলে নিখোঁজ এবং বাড়ি থেকে তার বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গাড়ি খোয়া গেছে। ওয়াল আরও বলেন, ওই নারী জানিয়েছেন যে তার ছেলে আত্মহত্যাপ্রবণ। সে ছদ্মবেশে থাকা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে ছিল।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে গোলাগুলির খবর পেয়ে চার মিনিট পরেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মসজিদে পৌঁছে পুলিশ কর্মকর্তারা তিনজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।
ওয়াল বলেন, প্রায় ১০০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ভবনটিতে তল্লাশি চালান। এ সময় কয়েকটি দরজা ভেঙে ফেলতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, একই সময়ে = কয়েক ব্লক দূরে আরেকটি গোলাগুলির ঘটনার ফোনকল পায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। ঘটনাস্থলে থাকা একজন ল্যান্ডস্কেপারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও তিনি গুলিবিদ্ধ হননি।
ওয়ালের ভাষ্যমতে, কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ কর্মকর্তারা তৃতীয় একটি স্থানে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাদেরকে সন্দেহভাজন বলে মনে করছে পুলিশ। মৃত দুজনই কিশোর। তাদের একজনের বয়স ১৭, আরেকজনের ১৯ বছর।
ওয়াহল বলেন, ‘সন্দেহভাজনরা আত্মঘাতী গুলিতে মারা গেছেন বলে মনে হচ্ছে।’
এদিকে সান ডিয়েগোর বৃহত্তম মসজিদে প্রাণঘাতী গুলির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে আজকের সহিংস হামলায় আমি ও আমার স্ত্রী স্তম্ভিত। সেখানে পরিবার ও শিশুরা সমবেত হয় এবং প্রতিবেশীরা শান্তি ও সৌহার্দ্যের সাথে উপাসনা করে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়ায় ঘৃণার কোনো স্থান নেই। আমরা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বা ভীতি প্রদর্শনের কোনো কাজ বরদাস্ত করব না।’
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী মেয়র জোহরান মামদানিও এই হামলায় ‘স্তম্ভিত’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলামোফোবিয়া এই দেশজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে বিপন্ন করে তুলছে। আমাদের অবশ্যই এর সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে। সেইসঙ্গে ভয় ও বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।’
দক্ষিণ ক্যারোলাইনার মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মার্কিন প্রতিনিধি জো লফগ্রেনও এই গুলির ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন

ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে হামলায় বন্দুকধারীসহ নিহত ৫
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুকধারীদের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীও প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ মে) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগোতে (আইসিএসডি) এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল বলেছেন, সেখানকার বৃহত্তম মসজিদে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহত নিরাপত্তাকর্মী বীরত্বপূর্ণ কাজ করেছেন এবং অনেকের জীবন বাঁচিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের কাছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি সূত্র এবং পুলিশ সন্দেহভাজনকারী একজনকে আটক করেছে। তার নাম কেইন ক্লার্ক। ১৭ বছর বয়সী কেইন বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়েছিল।
পুলিশ এই হামলাটিকে একটি বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অস্ত্রগুলোর একটির ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য লেখা ছিল। কর্মকর্তাদের মতে, জাতিগত গর্ব নিয়ে লেখা একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে।
পুলিশ প্রধান ওয়াল বলেছেন, গুলি চালানোর খবর পাওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে পুলিশ এক নারীর কাছ থেকে একটি ফোন পায়। তিনি জানান, তার ছেলে নিখোঁজ এবং বাড়ি থেকে তার বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গাড়ি খোয়া গেছে। ওয়াল আরও বলেন, ওই নারী জানিয়েছেন যে তার ছেলে আত্মহত্যাপ্রবণ। সে ছদ্মবেশে থাকা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে ছিল।
এদিকে ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে গোলাগুলির খবর পেয়ে চার মিনিট পরেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মসজিদে পৌঁছে পুলিশ কর্মকর্তারা তিনজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।
ওয়াল বলেন, প্রায় ১০০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ভবনটিতে তল্লাশি চালান। এ সময় কয়েকটি দরজা ভেঙে ফেলতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, একই সময়ে = কয়েক ব্লক দূরে আরেকটি গোলাগুলির ঘটনার ফোনকল পায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। ঘটনাস্থলে থাকা একজন ল্যান্ডস্কেপারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও তিনি গুলিবিদ্ধ হননি।
ওয়ালের ভাষ্যমতে, কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ কর্মকর্তারা তৃতীয় একটি স্থানে একটি গাড়ির ভেতর থেকে দুই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাদেরকে সন্দেহভাজন বলে মনে করছে পুলিশ। মৃত দুজনই কিশোর। তাদের একজনের বয়স ১৭, আরেকজনের ১৯ বছর।
ওয়াহল বলেন, ‘সন্দেহভাজনরা আত্মঘাতী গুলিতে মারা গেছেন বলে মনে হচ্ছে।’
এদিকে সান ডিয়েগোর বৃহত্তম মসজিদে প্রাণঘাতী গুলির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে আজকের সহিংস হামলায় আমি ও আমার স্ত্রী স্তম্ভিত। সেখানে পরিবার ও শিশুরা সমবেত হয় এবং প্রতিবেশীরা শান্তি ও সৌহার্দ্যের সাথে উপাসনা করে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়ায় ঘৃণার কোনো স্থান নেই। আমরা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বা ভীতি প্রদর্শনের কোনো কাজ বরদাস্ত করব না।’
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী মেয়র জোহরান মামদানিও এই হামলায় ‘স্তম্ভিত’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলামোফোবিয়া এই দেশজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে বিপন্ন করে তুলছে। আমাদের অবশ্যই এর সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে। সেইসঙ্গে ভয় ও বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।’
দক্ষিণ ক্যারোলাইনার মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মার্কিন প্রতিনিধি জো লফগ্রেনও এই গুলির ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন

মাঝ আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ
ইসরায়েলের ফাঁদে পা না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

