বিদেশি জামাই পেয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজন, মাকে জরিমানা

বিদেশি জামাই পেয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজন, মাকে জরিমানা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কিশোরীর মাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকালে উপজেলার একটি গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার অভিযান চালিয়ে বিয়ের আয়োজনটি বন্ধ করেন।
ওই সময় কাজি, বরযাত্রী ও মেয়েটির বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ওই ছাত্রীর মাকে জরিমানার পাশাপাশি মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করানো হয়েছে।
বাল্যবিবাহের বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না বলে জানিয়ে কিশোরীর মা বলেন, ‘বিদেশি জামাই ফাইয়া মাইয়াডারে বিয়া দিবার চাইছিলাম। ১৮ বছরের আগে মাইয়ার বিয়ে দেওন যাইতো না, এই কথা হুনি নাই।’
বাল্যবিবাহকে অপরাধ উল্লেখ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।’

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কিশোরীর মাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকালে উপজেলার একটি গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার অভিযান চালিয়ে বিয়ের আয়োজনটি বন্ধ করেন।
ওই সময় কাজি, বরযাত্রী ও মেয়েটির বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ওই ছাত্রীর মাকে জরিমানার পাশাপাশি মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করানো হয়েছে।
বাল্যবিবাহের বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না বলে জানিয়ে কিশোরীর মা বলেন, ‘বিদেশি জামাই ফাইয়া মাইয়াডারে বিয়া দিবার চাইছিলাম। ১৮ বছরের আগে মাইয়ার বিয়ে দেওন যাইতো না, এই কথা হুনি নাই।’
বাল্যবিবাহকে অপরাধ উল্লেখ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।’

বিদেশি জামাই পেয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজন, মাকে জরিমানা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কিশোরীর মাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকালে উপজেলার একটি গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার অভিযান চালিয়ে বিয়ের আয়োজনটি বন্ধ করেন।
ওই সময় কাজি, বরযাত্রী ও মেয়েটির বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ওই ছাত্রীর মাকে জরিমানার পাশাপাশি মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করানো হয়েছে।
বাল্যবিবাহের বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না বলে জানিয়ে কিশোরীর মা বলেন, ‘বিদেশি জামাই ফাইয়া মাইয়াডারে বিয়া দিবার চাইছিলাম। ১৮ বছরের আগে মাইয়ার বিয়ে দেওন যাইতো না, এই কথা হুনি নাই।’
বাল্যবিবাহকে অপরাধ উল্লেখ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।’




